Logo
Logo
×

রাজনীতি

টিকে থাকতেই কোন্দল তৈরি  

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:০৭ পিএম

টিকে থাকতেই কোন্দল তৈরি  
Swapno

 

# কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন শীঘ্রই রদ-বদলের
# ১৪ মাসে ও কমিটি পূর্ণাঙ্গ ও ওয়ার্ড কমিটি দিতে ব্যর্থ

 

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠন হিসেবে মহানগর যুবদল সর্বশীর্ষে। কারণ বিএনপির রাজনীতিতে সব থেকে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে যুবদল। কিন্তু এখন আর আগের মতো তৎপরতার দেখা মিলে না মহানগর যুবদলে কারণ মহানগর যুবদলের নেতৃত্ব বিতর্কিতদের হাতে বন্দি থাকার কারণে এই সংগঠনের রাজনীতি ছন্নছাড়া পথে চলছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি দলকে শক্তিশালী করার কথা চিন্তা করে মহানগর যুবদলে সুপার ফাইভ কমিটি দেন কিন্তু তার পরেই আহ্বায়ক ও সদস সচিবের ব্যর্থতার কারণে সুপার ফাইভ এখন কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়েছে।

 

যার কারণে বছর পেরুলে ও তারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি ও হেবি ওয়েটের মাধ্যমে ওয়ার্ড কমিটি দিতে পারেনি তারা। এছাড়া ও আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে টাকা খেয়ে কমিটির দেওয়ার আশ্বাস সহ নানা অভিযোগ ও ব্যর্থতা রয়েছে। যার কারণে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেকোন সময় মহানগর যুবদলের কমিটি ভেঙ্গে যোগ্য ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেই কারণেই কমিটিতে ইতিমধ্যে নতুন নেতৃত্বের আলোচনায় অনেকেই স্থান পাওয়া শুরু করে দিয়েছে।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর নারায়নগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা করা হয়। সাবেক কমিটির সাধারন সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন মন্তুকে সভাপতি ও মনিরুল ইসলাম সজলকে সাধারন সম্পাদক করে মহানগর যুবদলের আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া কেন্দ্র। তাদের হাতে নেতৃত্ব দেওয়ার পর বলা হয়েছিল ৩ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা জন্য। কিন্তু প্রায় ১৪ মাস হয়ে গেলে ও তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি।

 

অপরদিকে যুবদলের অনেক নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে জানা যায়, কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কমিটিতে থাকা আরো নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনা না করে ওয়ার্ড কমিটির নামে নানা ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দর কাছ থেকে টাকা খেয়ে কমিটির লিস্ট বানিয়ে কেন্দ্রে জমা দেয় কিন্তু অনেক নেতাকর্মীরা তাদের বিরদ্ধে কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কারণে তাদের কোন কমিটির লিস্টই গ্রহন যোগ্য হয়নি। আর তাদের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে তাদের উপর আর আস্থা রাখতে পারছে না যুবদলের নেতাকর্মীরা। আর তারা মনে করে তারা দুইজনই কমিটির নেতা আর কেউ নেই তাই তারা সকল দলীয় কর্মসূচিগুলাতে তাদের সাথে কমিটিতে থাকা বাকি তিনজনের কেউর সাথে আলাপ আলোচনা করে না।

 

তারা দুইজনই মিছিল মিটিং নিয়ে আলাদাভাবে কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করে। যার কারণে অনেকটাই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। যার কারণে তাদের ব্যর্থতা সকল যুবদল নেতাদের মুখে মুখে। যার কারণে মহানগর যুবদলের চলমান কমিটির ব্যর্থতায় নতুন কমিটি নিয়ে আলাপ আলোচনায় সরগরম চলছে যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। আর এই কমিটিতে নেতাকর্মীদের কাছে আলোচনায় রয়েছে এক সময়ের তুখোর নেতা একে এম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ তিনি বিগত দিনে বিএনপির দূরসময়ের সাথী হয়ে সকল কার্যক্রম করেছে।

 

আর তিনি যখন মহানগর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন তখন তার কর্মীবাহীনি নিয়ে সর্বক্ষেত্রে সরব ছিলেন আর বর্তমানে ও যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছ থেকে অবহেলিত হয়ে ও দলীয় সকল কর্মসূচিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। আর তার নিজস্ব কিছু নেতাকর্মীদের দাবি, মহানগরের আওতাধীন সকল ওয়ার্ডের নেতাকর্মী জোসেফের সাথে সকল কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করে আর তাদের নেতা হিসেবে অনেক শ্রদ্ধা ও করে থাকে। অপর দিকে রয়েছে ছাত্রদলের পরীক্ষিত নেতা। মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ তিনি ছাত্রদলের সভাপতি থাকাকালীন মহানগর ছাত্রদলে বিপ্লব ঘটিয়েছেন।

 

আর সেখানে থেকে ভালোবাসা দিয়ে তৈরি করেছেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। যার অনেকেই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহানগর ছাত্রদলে। এই শাহেদ বর্তমানে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা প্রথম থেকেই পালন করে আসছেন। শাহেদ ইতিমধ্যে সফলতার নানা পরিচয় দিয়ে এসেছেন। যার কারণে শাহেদকে নিয়ে ও আশা বুনছেন অনেক নেতাকর্মীরা বলছে মহানগর যুবদলের নেতৃত্ব শাহেদের হাতে তুলে দিলে আন্দোলন সংগ্রাম আরো জোরদার হবে। তাদের মাঝে আরো রয়েছে আরেক বিচক্ষন নেতা মহানগর যুবদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান তিনি মহানগর যুবদলের সাবেক কমিটিতে ও যুগ্ম সাধারনের পদে ছিলেন।

 

তখন তিনি সেই কমিটি থেকে বিদ্রোহ করে একা শত শত নেতাকর্মী নিয়ে একাই দলীয় আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন। অপর দিকে ও বর্তমানে ও তিনি বিএনপি সকল কর্মসূচিতে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে এসে জাপিয়ে পরেন। সর্ব দিক মিলিয়ে এরা মহানগর যুবদলের কমিটিতে আসার আলোচনায় সর্বশীর্ষে অবস্থান করছেন। যার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, চলতি বছর বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের বছর এই যদি বিতর্কতের হাত থেকে কমিটির অবসান ঘটিয়ে নতুন মুখ দেখে যাচাই করে যোগ্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া যায়।

 

তাহলে মহানগর যুবদল বিএনপির সকল আন্দোলন সংগ্রামে জোরদার বিপ্লব ঘটাতে পারবে। আর বর্তমান কমিটিকে ব্যর্থ বলে আখ্যা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও তাই এই ব্যর্থতা থেকে সংগঠনকে বের করে নিয়ে এসে যোগ্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া অতন্ত জরুরি। তৃণমূলের দাবি তাহলেই এই সংগঠন রাহুমুক্ত হবে।  
এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন