# আওয়ামী লীগের সদস্য কমিটিতে জামাতের লোক
# দলের নাম বিক্রি করে অনেকইে করছে অপকর্ম
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর একটি বৃহত্তর ইউনিয়ন যে ইউনিয়নটিতে জনসংখ্যা প্রায় দুই লাখেরও বেশি। এই ইউনিয়নটিতে বিভিন্ন দলীয় লোকজন থাকলেও এখানকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনেকটা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে দেড় যুগেরও বেশি সময় যাবৎ কালীন কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি না হওয়ার কারনে যা অনেকটাই দূর্বল হয়ে পরেছে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার কারনে সেই পুরাতন কমিটি দিয়েই কোনমতে চলছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
বেশ কয়েকবছর যাবৎ থানা কমিটির নেতৃবৃন্দরা কমিটিগুলো করে দেওয়ার কথা বললেও তা এখনো দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও এ কমিটি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।এদিকে থানা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা বলেছেন ওয়ার্ড কমিটি গুলো শেষ না হওয়ার কারনে ইউনিয়ন কমিটি হচ্ছে না কিন্ত আমরা প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ওয়ার্ডের সদস্যর জন্য ফরম দিয়েছে। আর এই ওয়ার্ড কমিটিগুলো শেষ হলেই ইউনিয়ন কমিটিগুলো করা হবে।
অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন পুরাতন কমিটি বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা দরকার তারা এটাও মনে করছেন এই কমিটি যদি পুনরায় থাকে তাহলে কুতুবপুর আওয়ামী লীগ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। তাই দূরদিনে যারা আওয়ামী লীগের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন রাজপথে থেকে জুলুম অত্যাচারের শিকার হয়েছেন সেই সকল ত্যাগী নেতাকর্মীদের এই কমিটিতে স্থান দেওয়া হোক। তবে এখন কুতুবপুর আওয়ামী লীগের দৈন্যদশা দেখা দিয়েছে এর কারন হচ্ছে কুতুবপুরে আওয়ামী লীগের নেতাদের নেই কোন ধরনের মূল্যায়ন নেই।
এক যুগেরও বেশি সময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্বেও অনেক আওয়ামী লীগ নেতা এখনো কষ্ট করে প্রতিটি দিন পার করতে হয়। কুতুবপুর আওয়ামী লীগের মধ্যে দেখা গেছে কোন মিল নেই মাঝে মাঝে থানার নেতাদের দেখানোর জন্য তারা এক থাকে সেই পর্যন্তই তাদের চালান। শুধু তাই নয় কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন তার নিজস্ব কোন শক্তি নেই নেতাদের কিভাবে উজ্জীবিত করতে হয়। তাই অনেকেই মনে করছেন কুতুবপুর আওয়ামী লীগে এমন একজন আশা দরকার যে কুতুবপুর আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে খাকবে।
অন্যদিকে কুতুবপুর আওয়ামী লীগের কমিটিতে জামাতের লোক ঢুকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে আর এই জামাতের লোক কুতুবপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক চাঁনের গাফলতির কারণে কমিটিগুলো দিতে দেরি হচ্ছে এমটাই মনে করছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। শুধু তাই নয় কুতুবপুর আওয়ামী লীগে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যক্রমে কেউ তেমনটা সক্রিয় নয়। সবাই নিজ নিজ ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন আাবার অনেকই আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করে বিএনপিকে সাথে রেখে এলাকায় ভূমিদস্যুতা শুরু করে দিয়েছে। আবার কেউ কেউ আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদকের আখড়া। তবে অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন একজন সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে কুতুবপুর আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত করা সম্ভব।
তবে এ বিষয়ে কুতুবপুরের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, কমিটিটা দিতে অনেকটা বিলম্ব হচ্ছে এর কারণ হলো অনেক জামাতের লোক এই কমিটিতে ডুকে গেছে তাই এদেরকে সরিয়ে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর এই সকল দায়িত্ব আমাদের সাধারণ সম্পাদকের কাছে দেওয়া আছে ২নং ওয়ার্ডে বেশি সমস্যা হচ্ছে। আশা করছি আগামী এক দেড় মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়ে যাবে। এ বিষয়ে কুতুবপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক চাঁন জানান, কবে কমিটি হবে এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা আমি কোন ধরনের দায়িত্বে নেই কমিটি দিতে ।
এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদার জানান, এ ব্যাপারে আমি তেমন কিছু জানিনা। তবে থানা নেতৃত্বে যারা আছেন তারা হয়তো বলতে পারবেন কবে নাগাদ কমিটিটা হতে পারে।
এস.এ/জেসি


