Logo
Logo
×

রাজনীতি

আড়াইহাজারের নয়-ছয় ধরা পড়ছে

Icon

এফ মাহমুদ

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২৬ পিএম

আড়াইহাজারের নয়-ছয় ধরা পড়ছে
Swapno

 

# কমিটি নিয়ে লুকোচুরি করা শক্তির খর্ব হচ্ছে

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আওতাভুক্ত যে সকল থানা কমিটিগুলো ভেজাল রয়েছে সে সকল থানা কমিটিগুলো ভেঙ্গে পূর্ণগঠন করার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে জেলা বিএনপি। সে লক্ষ্যে ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটিকে ভেঙ্গে পূর্ণগঠন করা হয়েছে। এছাড়া জেলার যে সকল থানা কমিটিগুলো গঠন হয়নি এবং যে সকল কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি সে সকল কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করা হচ্ছে। তবে জেলা বিএনপির পূর্বের কমিটি থাকাবস্থায় আড়াইহাজার থানা বিএনপি পূর্ণাঙ্গ হলেও আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি নিয়ে রয়েছে নানা রকম বিতর্ক। কারণ আড়াইহাজার থানা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেও লুকোচুরি করেছিল থানা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক জুয়েল।

 

তবে দীর্ঘদিন পর আড়াইহাজার বিএনপির কমিটি খুলাসা করলেও তেমন একটা প্রকাশ পায়নি। তবে আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাদের ভাষ্যমতে জানা যায় আড়াইহাজার বিএনপিতে রাহুগ্রাস ক্ষ্যাত নজরুল ইসলাম আজাদকে ১নং সদস্য করে তাদের অনুসারীদের দ্বারা কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করা হয়। আর কমিটিতে মাইনাস করা হয় সাবেক এমপি আঙ্গুরকে এবং আড়াইহাজারের ঐতিহ্যবাহী খসরু পরিবারের সুযোগ্য সন্তান মাহমুদুর রহমান সুমনকে। এতে আড়াইহাজার থানা বিএনপির অগ্রভাগের নেতারাই ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন থানা সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। তারপরও আড়াইহাজার বিএনপির কমিটিতে এখনো পর্যন্ত কোন পরিবর্তন ঘটেনি। তবে এবার আড়াইহাজার থানা বিএনপির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কমিটি নিয়ে লুকোচুরির কারণে খর্ব হতে চলেছে।

 

সূত্র বলছে, গত ৮/১০/২২ তারিখে নারায়ণগঞ্জ জেলার আওতাভুক্ত আড়াইহাজার থানা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেন সে সময়কার জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি এবং সদস্য সচিব মামুন মাহমুদ। ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয়া হলে সেখানে শুধু থানার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করতে দেখা যায় সেখানে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কারো নামই প্রকাশ করা হয়নি। এতে করেই আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাদের মধ্যে সন্দেহের দানা বাধতে থাকে। কমিটি গঠনের মাস অতিবাহিত হয়ে গেলে পূর্ণাঙ্গ কমিটির মুখ দেখতে পারেনি থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা। কমিটি নিয়ে চলতে থাকে লুকোচুরি পরবর্তীতে কমিটি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ পেলেও সেটা খুব সীমিত আকারে প্রকাশ করা হয়।

 

পরবর্তীতে আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাকর্মী ভাষ্যমতে জানা যায়, থানা বিএনপিতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠাকারী নজরুল ইসলাম আজাদকে থানা বিএনপিতে ১নং সদস্য করে তার অনুসারীদের দ্বারা আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়। তবে কমিটিতে আড়াইহাজারে বিএনপিকে দীর্ঘকাল ধরে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছিল প্রয়াত বিএনপি নেতা খসরু এবং তার সুযোগ্য সন্তান মাহমুদুর রহমান সুমন ও সাবেক এমপি আঙ্গুর। তাদেরকে মাইনাস করে আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়।এতে আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা ফুঁসে উঠে থানা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক জুয়েলের বিরুদ্ধে।

 

এছাড়া সেসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি এবং সদস্য সচিব মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে কমিটি দেয়ার অভিযোগ করে আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে গত ১৫/১১/২২ নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন এবং সদস্য সচিব পদে গোলাম ফারুক খোকন নেতৃত্বে আসলে আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা আবার আড়াইহাজার বিএনপির নেতাকর্মীরা আলো দেখতে পায়। কারণ ইতিমধ্যেই যেসকল কমিটিতে ভেজাল রয়েছে সেসকল কমিটিকে ভেঙে নবরূপে সাজানো হচ্ছে। সে লক্ষ্যে এবার আড়াইহাজার বিএনপিকেও নবরূপে সাজানো হবে বলে অনুমেয় করছে থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

 

যার কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক বোদ্ধমহল বলছে আবারও যদি আড়াইহাজার বিএনপিকে স্বচ্ছ রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা প্রবীন ও নবীনের সমন্বয়ে থানা বিএনপির কমিটি করা হয় আবারও থানা বিএনপির কমিটি রাহুমুক্ত হয়ে স্বচ্ছ রাজনীতিতে ফিরবে।

এস.জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন