Logo
Logo
×

রাজনীতি

কালো থাবায় শক্তি ক্ষয়

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৩১ পিএম

কালো থাবায় শক্তি ক্ষয়
Swapno

 

# এখনো রাহুমুক্ত হতে পারেনি মহানগর যুবদল আড়াইহাজার থানা

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে কালো ছাঁয়া হয়ে রাহুগ্রাস হিসেবে পরিচিত পেয়েছিল নজরুল ইসলাম আজাদ। সে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সকল কমিটিতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে যোগ্যদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের পদায়ন করার মাধ্যমে নিজেকে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির অভিভাবক হিসেবে জাহির করতে চাচ্ছিলেন। তবে তার দীর্ঘদিনের সাজানো একনায়কতন্ত্র ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। কারণ নারায়ণগঞ্জ বিএনপির মূলদলসহ সকল অঙ্গসংগঠনকে নবরূপে সাজানো হয়েছে সেখানে ঠাঁই মেলেনি তার সুপারিশকিত নেতাদের। যার কারণে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সকল কমিটির অগ্রভাগেই এখন নজরুল ইসলাম আজাদের রাহুগ্রাস থেকে রাহুমুক্ত হয়েছে। তবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল এবং আড়াইহাজার থানা বিএনপি এখনো নজরুল ইসলাম আজাদের রাহুগ্রাস থেকে রাহুমুক্ত হতে পারেনি।

 

সূত্র বলছে, গত বছর ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির সাথে পুলিশের সংঘর্ষের কিছুদিন পরই নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিকে নবরূপে সাজানো হয়। এর কয়েকমাস পরই নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপিকে নবরূপে সাজানো হয়। একে একে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনকেও নবরূপে সাজানো হচ্ছে। তবে এসকল কমিটিতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাহুগ্রাস ক্ষ্যাত নজরুল ইসলাম আজাদের নিয়ন্ত্রিত নেতাকর্মীরা স্থান পাননি। এতে করে অনেকটাই রাহুমুক্ত হয়ে গিয়েছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। যার কারণে হঠাৎ আচমকা নারায়ণগঞ্জ বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচীতে আজাদের বিচরণ কমে যায়। কিন্তু এখনো রাহুমুক্ত হয়নি আজাদের নিয়ন্ত্রিত মহানগর যুবদল এবং আড়াইহাজার থানা বিএনপি।

 

কারণ নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে আজাদের তল্পিবাহক হয়ে মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং মনিরুল ইসলাম সজল। আজাদের নেতৃত্বে থাকা কমিটির মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিতর্ক সৃষ্টি করেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল। যার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রে পড়েছে বেশ কয়েকবার অভিযোগ। তাদের কমিটি বাণিজ্য এবং আজাদের তল্পিবাহক হয়ে কমিটিতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে কমিটির অন্যান্য নেতাদের দাবিয়ে রাখার কারণে টানা তিনটি অভিযোগ গিয়েছিল কেন্দ্রে। তারপরও আজাদের প্রভাবে এখনো স্বপদে বহাল নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল।

 

এছাড়া নজরুল ইসলাম আজাদের নির্বাচনী এলাকা আড়াইহাজার থানা বিএনপিকেও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রেখেছেন আজাদ। কারণ আড়াইহাজার থানা বিএনপিতে বহু ত্যাগী যোগ্য নেতা সত্ত্বেও আজাদের তল্পিবাহক হিসেবে পরিচিত ইউসুফ আলীকে সভাপতি এবং জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করে আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি করা হয়। কমিটিতে স্থান দেয়া হয়নি আড়াইহাজার থানা বিএনপির অন্যতম নেতা খসরু পরিবারের সন্তান সুমনকে এবং সাবেক এমপি আঙ্গুরকে। তাদেরকে বঞ্চিত করে আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করেন সভাপতি ইউসুফ আলী সাধারণ সম্পাদক জুয়েল। তবে কমিটিতে নিয়ে লুকোচুরি করেন সভাপতি ইউসুফ আলী সাধারণ সম্পাদক জুয়েল।

 

আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি নিয়েও দেখা দিয়েছিল ধোয়াশা। কারণ আড়াইহাজার থানা বিএনপির কমিটি পূর্ণাঙ্গ করলেও খোলাশা করেননি সভাপতি ইউসুফ আলী সাধারণ সম্পাদক জুয়েল। পরবর্তীতে খোলাশা করলেও তেমন প্রকাশ পায়নি আড়াইহাজার থানা বিএনপির নেতাদের ভাষ্যমতে জানা গেছে থানা কমিটিতে ১নং সদস্য হিসেবে আজাদকে রাখা হয়েছে। যার কারণে এখন নজরুল ইসলাম আজাদের নেতৃত্বে সভাপতি ইউসুফ আলী সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আড়াইহাজার থানা বিএনপিতে প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছেন। এতে প্রতিয়ামন হয় যে, আজাদের রাহুগ্রাস থেকে এখনো রাহুমুক্ত হয়নি নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল এবং আড়াইহাজার থানা বিএনপি।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন