বক্তাবলীতে কমিটিও নাই; শান্তি সমাবেশও নাই
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:৪৩ পিএম
গতকাল সারা দেশের তুলনায় নারায়ণগঞ্জেও ব্যপক ফলোও ভাবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রঘোষিত শান্তি সমাবেশ পালন করা হয়। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড সারাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে শান্তি সমাবেশ করার নির্দেশনা দেন। কিন্তু এই নির্দেশনার পর কয়েকটি ইউনিয়ন ব্যতিত বেশিল ভাগ জায়গায় এই শান্তি সমাবেশ বাস্তবায়ন হয়।
এদিকে জানা যায়, গতকাল নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার কাশিপুর, এনায়েত নগর, সহ সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর, বন্দরের ধামঘর সহ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এই সমাবেশ ব্যপক ভাবে পালন করা হয়। তার মাঝে ফতুল্লার কয়েকটি শান্তি সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান অথিতি হয়ে নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে গরম বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া তিনি কয়েক দিন পরে মাঠে কর্মীদের নিয়ে মাঠে নামার ঘোষনা দেন। কিন্তু অপরদিকে ফতুল্লা সদরের কয়েকটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি শান্তি সমাবেশ পালন করা হয় নাই। তার মাঝে ফতুল্লা থানার বক্তাবলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ঘোষিত শান্তি সমাবেশ বাস্তবায়ন হয় নাই।
না হওয়ার জন্য বক্তাবলী ইউনিয়নে কমিটি না থাকা বলে মনে করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এদিকে বক্তাবলীর তৃনমূল একাধিক নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বক্তাবলী ইউনিয়নে কমিটি না থাকায় এই ইউনিয়ন শান্তি সমাবেশ হয় নাই। আর না হওয়ায় নেতা কর্মীরা দুঃখ প্রকাশ করে।
এছাড়া তারা প্রশ্ন তুলেন, অন্যান্য ইউনিয়নে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নেতৃবৃন্দ থাকায় তারা কেন্দ্রী কর্মসূচি পালন করতে পেরেছে। কিন্তু বক্তাবলীতে কোন কমিটি না থাকায় তা হয় নাই। এছাড়া কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগেও শান্তি সমাবেশ হয় নাই। তবে এখানে কমিটি থাকার পরে দায়িত্বরত নেতাদের অবহেলা হয় নাই বলে জানান স্থানীয় নেতা কর্মীরা।
কিন্তু সকলেই আবার পদ চেয়ে নেতা হতে চান। বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি প্রার্থী শফিক মাহমুদ বলেন, আমাদের ইউনিয়নে কমিটি না থাকার কারনে কেন্দ্রঘোষিত শান্তি সমাবেশ হয় নাই। অনেকটা কমিটি নাই তাই শান্তি সমাবেশ হয় নাই।
কিন্তু আমরা কয়েকজন মিলে নেতা কর্মীদের ডেকে এই শান্তি সমাবেশ করতে চেয়েছি। তবে তারা আমাদের ডাকে সারা দেন নাই। আর কমিটি না থাকার পিছনের থানার শীর্ষ নেতারা দায়ী। উল্লেখ্য গত বছরের ২৬ নভেম্বর বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। কিন্তু তখন পুর্বের কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয় নাই ।
আর এতে এখানে এখনো কমিটি বিহীন আছে। এর জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ফতুল্লা থানার সাধারণ সনম্পাদক শওকতকে দোষারপ করেন। তবে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেন নাই। এন.হুসেইন/জেসি


