# জেলা বিএনপি এখন সুসংগঠিত হয়ে উঠেছে : খোকন
বর্তমানে জেলা বিএনপি বিগত দিন থেকে অনেকটাই আন্দোলনমুখী হয়ে উঠেছে। আর দলীয় দফায় দফায় প্রতি কর্মসূচি ব্যাপকভাবে পালন করে যাচ্ছে। তার পাশাপাশি সংগঠনের স্বার্থে ও দলীয় শৃঙ্খলা ধরে রাখতে শক্ত অবস্থানে রাজপথে রয়েছে জেলা বিএনপি। চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও জোরদারে নানামুখী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। তাদেরই দিক অনুসারেই ব্যাপক আন্দোলন করে রাজপথ গরম রেখেছে জেলা বিএনপি। ইতিমধ্যেই জেলা বিএনপির তাদের সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে।
প্রতিটি ইউনিট, থানা, উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি দেওয়া শুরু করে দিয়েছে। তারই মাধ্যমে দলের জেলা বিএনপি সংগঠন অনেকটাই উজ্জ্বীবিত হয়ে রয়েছে। আর বিগত দিনে এই সংগঠনে ছিল না কোন চেইন অব কমান্ড কিন্তু জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের পরেই দলে নেমে এসেছে শৃঙ্খলা, শান্তিপূর্ণ রাজনীতি ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলে মিলে কাজ করার বিধি নির্দেশ। আর তার পাশাপাশি জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হওয়ার সাথে সাথেই কমিটিকে যোগ্য প্রাধান্য দেওয়ার লক্ষে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে সাধারণ জনগণ। যেই কারণে তৃণমূলের দাবি জনগণের সম্পৃক্তায় সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জেলা বিএনপি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপিতে গিয়াস উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও গোলাম ফারুক খোকনকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। কিন্তু অনেকেই ভেবে নিয়েছিল কমিটিতে সদস্যের সংখ্যা কম হওয়ায় জেলা বিএনপি বেশিটা এগুতে পারবে না। কিন্তু বছর ও না তিন মাসের মধ্যেই ৫টি ইউনিটে যোগ্য নেতৃত্ব দ্বারা কমিটি দিয়ে এক চমক সৃষ্টি করলেন জেলা বিএনপি তারই পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে ও কমিটি গঠন করার কার্যক্রম অবহৃত রেখেছে। এর পাশাপশি চলছে যারা দলীয় কর্মসূচি পালনে বিরত থাকছেন বা ঢিলেমি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে সাংগঠনিক ব্যবস্থা।
বর্তমানে ১০ দফা দাবিতে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলন রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীসহ সারা দেশের মানুষ এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। কর্মসূচি পালনের পাশাপশি চলছে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ও কার্যক্রম চলছে। যার কারণে নেতাকর্মীরা গিয়াসেই আস্থা পেয়ে আন্দোলনমুখী হচ্ছেন। যার কারণে নেতাকর্মী ও দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে গিয়াস ও খোকনের উপর তারেক রহমান আস্থা রাখার কারণে জেলা বিএনপি অনেকটাই সুসংগঠিত ও একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া ও তারা দলের হাইকমান্ডের প্রত্যেকটি আস্থাই রূপ রেখার মাধ্যমে বাস্তবতায় রূপ দিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন যুগের চিন্তাকে বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকেই উঠে আসছি আমি মুড়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ছিলাম। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম এছাড়া ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে এখন ও আছি তার পাশাপাশি জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির সদস্য সচিব। আমি কিন্তু সংগঠন করেই এ পর্যন্ত আসছি। আর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক উনি ও কিন্তু একজন বিচ্চুক্ষন রাজনীতিবীদ। তিনি একজন সাবেক এমপি ছিলেন তা ছাড়া ও তিনি একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। সব কিছু মিলিয়ে আমাদের মধ্যে একটি চেইন অব কমান্ড রয়েছে। আর আমাদের সাথে এখন চেইন অব কমান্ডে যুক্ত রয়েছে।
জেলা যুবদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা ছাত্রদল, জেলা শ্রমিকদল, জেলা কৃষকদলসহ মূল দলের সকল নেতৃবৃন্দরা। যার কারণে জেলা বিএনপি অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আর বিগত কমিটিতে থাকা নেতারা দলের চেইন অব কমান্ড ভুক্ত করে কাজ করতে পারেনি তার কারণে দলে সৃষ্টি হয়েছিল নানা বিশৃঙ্খলা ও নানা কোন্দল। আপনারা দেখেছেন আমাদের অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে ছাত্রদল, কৃষকদল এগুলোর কমিটি যোগ্য নেতৃত্ব দ্বারাই গঠন করা হয়েছে। আর যে যে কমিটিগুলো বাকি রয়েছে উগুলো ও অতি শিগ্রই কমিটি দেওয়া হবে। তার পাশাপাশি আমরা একদিনেই ৫টি ইউনিটের কমিটিতে যোগ্যদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছি।
দলে আরো শৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। সব কিছু মিলিয়ে জেলা বিএনপির এখন আর আগের জেলা বিএনপি নেই এটি এখন সুসংগঠিত ও আন্দোলনমুখী সংগঠন। এ বিষয়ে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ফতুল্লা থানা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম টিটু যুগের চিন্তাকে বলেন, জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের পরে এই সংগঠনে দেখা মিলছে চেইন অব কমান্ডের যার কারণে বর্তমানে জেলা বিএনপি শক্তিশালী রয়েছে আর আগামীতে ও থাকবে। তার পাশাপাশি দলের রয়েছে শৃঙ্খলার কারিগর গিয়াস উদ্দিন সাহেব। তার বিচক্ষনতার মাধ্যমেই জেলা বিএনপি শৃঙ্খলতা বজায় রেখে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব যুগের চিন্তাকে বলেন, বর্তমানে দলের দূর সময় চলছে এই মুহুর্তে দলে ঐক্য সব থেকে বেশি জরুরী। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হলে ঐক্য কোন বিকল্প নেই। তারই প্রেক্ষিতে দলকে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তৃণমূল নেতাকর্মী দ্বারা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। আর আমাদের সংগঠনের আহ্বায়কের একই জবাব যে দলের মধ্যে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না। শান্তিপূর্ন রাজনীতিতে সকলকে বিশ্বাসী হতে হবে।
তার পাশাপাশি সকল কর্মসূচিতে দলের শৃঙ্খলার উপরে ফোকাস রেখেই সকল কর্মসূচি পালন করছে জেলা বিএনপি যা বিগত কমিটিতে দেখা যায়নি। তার পাশাপাশি বর্তমানে জেলা বিএনপির সাথে রয়েছে সাধারণ জনগনের সম্পৃক্ততা যার কারণে ব্যাপকভাবে এগিয়ে যেতে পারছে জেলা বিএনপি। আর বর্তমানে আমাদের সকল নেতাকর্মী অনেকটাই উজ্জ্বীবিত আর সকল আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরতে সর্বদা প্রস্তুত থাকে।
এস.এ/জেসি


