Logo
Logo
×

রাজনীতি

সাখাওয়াত-টিপুর মহানগর বিএনপি আরো ছোট

Icon

যুগের চিন্তা  রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৫১ পিএম

সাখাওয়াত-টিপুর মহানগর বিএনপি আরো ছোট
Swapno


# মুকুল-সেন্টুর মহানগর বিএনপি অচিরেই গঠন করছে দুইটি থানা একটি উপজেলা কমিটি 
 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি‘র মূল কমিটির এখন দৈন্যদশা অবস্থা হয়ে পরেছে। দিন দিন তাদের বলয় ছোট হয়ে আসছে। মহানগর বিএনপি‘র আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বলয় ছেড়ে মুকুল ও সেন্টুর বলয়কে যোগ্য ও রাজপথের পরীক্ষিতে নেতৃত্বে হিসেবে পাদান্ন দিয়ে তাদের সাথেই ভিড়ছে নেতারা।

 

 

যার কারণে দিন যতই যাচ্ছে তাদের বলয় ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে মুকুল ও সেন্টুর মহানগর বিএনপি‘র কমিটিতে নেতার সংখ্যা ১৬ জন আর এর মধ্যে ছয়জনই যুগ্ম আহ্বায়ক। অপরদিকে সাখাওয়াত টিপুর মহানগর বিএনপি‘তে যুগ্ম আহ্বায়কদের উইকেট পরতে পরতে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ জন।

 

 

যার কারণে দেখা যাচ্ছে সাখাওয়াত-টিপুর মহানগর থেকে মুকুল সেন্টুর মহানগর আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আর আগামী কাল কমিটি গঠনের প্রস্তুতি সভায় সকল যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত দাবি জানিয়েছে অচিরেই দুইটি থানা ও একটি উপজেলার কমিটি গঠন করা হবে। যার মাধ্যমে মহানগর বিএনপি আরো শক্তিশালী ও উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠবে।

 

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিএনপি‘র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়ন যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি‘র ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে।

 

 

আর এই কমিটির অনুমোদনের পরেই কমিটি থেকে ৫ জন যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১০ জন সদস্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। যার ফলে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায় মহানগর বিএনপি। দুই অংশই যে যার মতো করে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা শুরু করে। কিন্তু সেই সময় বিএনপির হাইকমান্ড দফায় দফায় কর্মসূচি দেওয়া শুরু করে। যার পালনে ত্যক্ত হয়ে পরে সাখাওয়াত-টিপু।

 

 

অপর দিকে দলকে ভালোবেসে সকল কর্মসূচিতেই সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে ছিলেন মুকুল-সেন্টুর মহানগর বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা। আর তাদের ভূমিকা দেখে আদো পর্যন্ত তাদের পদত্যাগপত্র জমা নেয়নি বিএনপির হাইকমান্ড। অপর দিকে মহানগর বিএনপি‘র সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর দলের দূর সময়ে ও কোন পরীক্ষিতে নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছে না যার কারণে দলে সৃষ্টি হচ্ছে অভ্যান্তরীন কোন্দল।

 

 

এছাড়া ও টিপুর দুর্ব্যবহারে কমিটি থেকে মুকুল-সেন্টুর নেতৃত্বধীন মহানগর বিএনপিতে একাত্মতা প্রকাশ করলেন কমিটির আরেক আহ্বায়ক এম.এইচ মামুন। যার কারণে বিদ্রোহী মহানগর বিএনপির বিগত দিন থেকে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে।

 

 

এছাড়া ও মূল মহানগর বিএনপি‘র কমিটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে ও মহানগর বিএনপি‘র পদত্যাগকারী নেতাকর্মীদের পদত্যাগপত্র এক্সেপ না হওয়ায় মুকুল ও সেন্টুর নেতৃত্বধীন মহানগর বিএনপি আবারো গর্জে উঠেছে। তারা এখন পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠনের জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে।

 

 

এছাড়া ও জানা গেছে, কমিটি পাওয়ার দীর্ঘ ৬ মাসে ও থানা ও উপজেলা কমিটি দিতে পারেনি সাখাওয়াত-টিপু। অবশেষে কয়েকদিন পূর্বে বন্দর থানা কমিটি অযোগ্যদের হাতে তুলে দিয়ে পরেছে তোপের মুখে। আর তাদের এই কমিটি নিয়ে খুশি নেই মহানগর বিএনপির নেতারা।

 

 

তারা ও দাবি জানিয়েছে, টিপু ও সাখাওয়াতের নিজ প্রেশক্রিকশনে বন্দর থানা কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা কোন কমিটির কোন যুগ্ম আহ্বায়ক বা সদস্যদের সাথে আলাপ আলোচনা বা কোন প্রস্তুতি মূলক সভা না করেই একঘেয়ামীভাবে ঘরে বসে কমিটি সাজিয়ে প্রকাশ করেছেন।

 

 

বন্দর থানার আওতাধীন সকল ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দরা দাবি তুলেছে এই কমিটির মাধ্যমে বন্দর থানা বিএনপি আস্তে আস্তে ধ্বংসের দিকে যাবে। আর থানা কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ আরো বাকিরা যারা রয়েছে তাদের রাজপথে আন্দেলন সংগ্রামে ভূমিকা কোনভাবেই দেখা যায়নি।

 

 

যার কারণে সবার ধারনা বর্তমানে সাখাওয়াত ও টিপু কোন যোগ্য কমিটি দেওয়ার যোগ্যতা না থাকার কারণে এবার কমিটি দিতে মাঠে নামছে মুকুল-সেন্টুর মহানগর বিএনপি। তারা এখন মহানগর বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রয়েছে। তারা পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন করবে।

 

 

এ নিয়ে আগামীকাল মুকুল-সেন্টুর নেতৃত্বধীন কমিটি গঠনের এক প্রস্তুতি সভায় মহানগর বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা বলেছে, বর্তমানে মকুল-সেন্টুর নেতৃত্বধীন মহানগর বিএনপিই মূল মহানগর বিএনপি কারণ বর্তমানে আমাদের সাথেই রয়েছে সকল আহ্বায়কবৃন্দ ও অচিরেই আরো যুক্ত হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব দ্বারা ওয়ার্ড, থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন কমিটিগুলো গঠন করা হবে।

 

 

মহানগর বিএনপি‘র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন বলেন, আমরা প্রথমে মহানগর বিএনপি‘র আওতাধীন ২টি থানা ও ১টি উপজেলা কমিটি গঠন করবে। আর এই কমিটিগুলোতে কোন বলয় বা কোন ভাইয়ের লোক দ্বারা কমিটি গঠন হবে না। এই থানা কমিটিগুলো হাজারো নেতাকর্মীদের সামনে রেখে সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূল দ্বারা এই কমিটি গঠন করা হবে।

 

 

যাতে কোন নেতাকর্মীদের মাঝে কোন কোন্দল বা কোন ক্ষোভ না থাকে সকলেই যাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে আগামী আন্দোলন সংগ্রামে বিপ্লব তৈরি করতে পারে। আর আমরা আশা করছি আমরা শেখ হাসিনাকে দেখাতে সক্ষম হবো এ দেশে জাতীয়তাবাদী শক্তি কতটুকু।  এন.হুসেইন/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন