Logo
Logo
×

রাজনীতি

জেলা বিএনপি ফুরফুরে মহানগর রসাতলে

Icon

যুগের চিন্তা  রিপোর্ট

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৩, ১২:৪৯ পিএম

জেলা বিএনপি ফুরফুরে মহানগর রসাতলে
Swapno


# পদযাত্রায় জেলার নেতাকর্মীরা শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে

# অন্তর্কোন্দলে জর্জরিত মহানগর বিএনপি
 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দল গোছানোর পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের উজ্জ্বীবিত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে জেলা বিএনপি। এছাড়া ও জেলা বিএনপি সংগঠনে এখন চলে এসেছে চেইন অব কমান্ড যার পরিপ্রেক্ষিতে নেতাকর্মীরা সর্বক্ষেত্রেই সকল আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকে।

 

 

অপর দিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিগত দিন থেকে আরো দূর্বল হয়ে পরেছে। আর মহানগর বিএনপি থেকে বর্তমানে একের পর এক নেতা হারিয়েই যাচ্ছে। যার কারণে তারা কর্মী সংকটে ভুগছে। জেলা কমিটির সকল নেতাই দলকে ভালোবেসে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

 

 

কিন্তু মহানগর বিএনপি‘র কমিটিতে রয়েছে কোন্দল সৃষ্টিকারী ও ধ্বংসের প্রতিক নেতা যারা কমিটির মূল স্থানে বসে অনেকের আঙ্গুলের ইশরায় চলছে মহানগর বিএনপি। যার কারণে আস্তে আস্তে সংগঠনটি রসাতলে যাচ্ছে। আর তাদের এ কার্যকালাপে মহানগর বিএনপির কমিটিকে বর্তমানে কোন নেতাকর্মী কোন কমিটির জায়গায় স্থান দেয় না।

 

 

নেতাকর্মীরা আরো দাবি করছে, জেলার মতো করে মহানগর বিএনপির কমিটি অচিরেই করা দরকার তা না হলে চলতি বছরে বিএনপি চূড়ান্ত আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি কোন সুবিধা করতে পারবে না। 

 

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ নভেম্বর জেলা বিএনপি‘র বিতর্কিত কমিটিকে ভেঙ্গে নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। এই কমিটিতে গিয়াসউদ্দিনকে আহ্বায়ক ও গোলাম ফারুক খোকনকে সদস্য সচিব করে জেলা বিএনপি‘র ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

 

তারপর থেকেই সংগঠনে চলে আসে চেইন অব কমান্ড যার কারণে বিগত কমিটিকে যারা অযোগ্য বলেছিলেন। বর্তমানে তারা এই কমিটির সাথে এসে মিশছে। এছাড়াও এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। আর নতুন করে সৃষ্টি হয়ে নানা শৃঙ্খলা যার কারণে সাধারন জনগণ জেলা বিএনপির সাথে এসে যুক্ত হচ্ছে।

 

 

এখন আবার জেলা বিএনপি একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছে। কমিটি গঠনের ৪ মাসের মধ্যেই থানা, উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে দেখিয়েছে এক চমক পরবর্তীতে সেই যোগ্য কমিটিগুলোর নেতাকর্মীদের নিয়ে জেলা বিএনপির পথযাত্রা লাখ লাখ নেতাকর্মী নিয়ে শান্তিপূর্নভাবে পদযাত্রা সফল করে দেখিয়েছে আরেক চমক।

 

 

যার কারণে বর্তমানে জেলা বিএনপির সুনাম সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী মুখে মুখে প্রচলিত হচ্ছে। আর সকলেই দাবি করছে বিএনপি‘র রাজনীতিতে সব থেকে যোগ্য ও সফল যদি কোন কমিটি হয়েছে থাকে সেটা এক কথায় বলা চলে জেলা বিএনপির কমিটি।

 

 

এছাড়াও বর্তমানে জেলা বিএনপির কমিটিতে কিছু নেতাকর্মী বিদ্রোহী ও থাকলেও তারা আশাবাদী শীঘ্রই তারা তাদের ভূল বুঝতে পেরে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে আরো ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। অপর দিকে ছন্নছাড়া ও নি:স্ব হয়ে পরেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি। গত ১৩ সেপ্টেম্বর কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

 

 

কিন্তু দীর্ঘ ৬ মাসে করতে পারেনি কোন থানা কমিটি গঠন। অবেশেষে এই তথ্য নানা মিডিয়ার চোখে পড়ার কারণে তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে প্রথমে বন্দর থানা কমিটি অযোগ্য নেতৃত্ব দ্বারা গঠন করে। যা তাদের নিজ কমিটির নেতাকর্মীদেরই পছন্দ হয়নি। পরবর্তীতে কোন সম্মেলন ছাড়াই (২৮ ফেব্রুয়ারি) সদর থানা বিএনপির কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

 

এখনও বাকি রয়েছে উপজেলার কমিটি গঠন। অনেকে দাবি করছে কমিটিগুলো ঘরে বসে তৈরি না করে সম্মেলনের মাধ্যমে সকলের সাথে সম্বনয়তা করে কমিটি গঠন করার প্রয়োজন ছিল। এদিকে টিপুতে নাখোশ থাকা বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা ও এখন আর বসে নেই তারাও মূল মহানগর বিএনপির কমিটির সাথে পাল্টাপাল্টি ভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবে।

 

 

আর সেই কমিটিতে যোগ্য ও রাজপথে পরিক্ষীত নেতাকর্মীদের স্থান দেওয়া হবে। বর্তমানে মহানগর বিএনপিকে নিয়ে কেউ আর আশা দেখছে না কোন। অপর দিকে মহানগর বিএনপির নৈপর্থ্যের কারণ সকলেই এখন নারায়ণগঞ্জের সকল রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে সাধারন জনগণ ও বুঝে ফেলেছে।

 

 

যার কারণে সর্বশেষ মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় দেখা মিলেনি আগের মতো কর্মী সংখ্যা তাই দেখা মিলিছে বিগত দিন থেকে আরো বেশি শূন্যতার। অপর দিকে মহানগর বিএনপির কমিটি পাওয়ার পর থেকেই যে একটি হাঁক ডাক দিয়েছিলেন। টিপুর ব্যর্থতায় নেতাকর্মীদের যখন সংকট সৃষ্টি হয়।

 

 

তখন থেকে মহানগর বিএনপি আবারো অঙ্গসংগঠনের উপর ভর করেই রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে। আরো জানা গেছে, মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের মধ্যে সুসংগঠিত কমিটির মধ্যে অন্যতম মহানগর ছাত্রদল। যা বিগত দিনে ও আলোরন সৃষ্টি করেছেন বর্তমানে ও করছেন।

 

 

কিন্তু যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মহানগর বিএনপির মূল নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে এক প্রকার দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। রাজনীতিকে প্রতিযোগীতায় পরিনত করেছে। বর্তমানে কমিটি পাওয়ার জন্য নেতাকর্মীরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগীতা করেই আলাদা আলাদাভাবে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে সকল কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন।

 

 

কিন্তু হঠাৎ যদি মহানগর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের মধ্যে যেগুলোর কমিটি হয়নি সেগুলোর কমিটির অনুমোদন হয়ে যায় তাহলে মহানগর বিএনপি থেকে অঙ্গসংগঠনের প্রতিযোগীতা ও বিনষ্ট হবে। তার পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে যারা সুবিধা ভোগ করেছে তাদের ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আজ্ঞাত হানতে পারে।

 

 

তাই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে বর্তমানে জেলা বিএনপি ফুরফুরে অবস্থায় রয়েছে। আর মহানগর বিএনপি ধীরে ধীরে রসাতলে যাচ্ছে।  এন.হুসেইন/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন