পাইপলাইনে আটকে আছে স্বেচ্ছাসেবকদলের দুই কমিটি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৩, ০১:৪৬ পিএম
# নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতাদের মধ্যে আবারও হতাশার দানা বেঁধেছে
সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং দুর্যোগে জনগণকে স্বেচ্ছায় সেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত সংগঠনটিকে দীর্ঘদিন পর নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর নবরূপে সাজানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদল। যার ফলশ্রুতিতে মাস খানেক আগে কর্মী সভার মাধ্যমে কমিটি গঠনের মূল প্রক্রিয়ার দিকে আগ্রসর হন কেন্দ্রীয় কমিটি। দীর্ঘদিন পরে জেলা এবং মহানগরে নতুন নেতৃত্বের হাওয়ায় নেতৃত্বে আসার জন্য পদ প্রত্যাশী নেতারা বেশ উদগ্রীব ছিল।
তবে কর্মী সভার পর খুব শীঘ্রই নতুন নেতৃত্বে ফিরে পাবার ধারণা করেছিল জেলা এবং মহানগরে পদ প্রত্যাশী নেতারা। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী সভার পর পরই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা এবং মহানগরের কমিটিগুলো গঠন করছিলেন। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এসে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। এতে করে নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগরে নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতাদের মধ্যে আবারও হতাশার দানা বেঁধেছে।
সূত্র বলছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দ্বারা নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। সে লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের কমিটিকে নবরূপে সাজানোর উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। যার ফলশ্রুতিতে গত ২৫ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মী সভা থেকেই স্বেচ্ছাসেবকদলের তৃণমূলের নেতাদের কাছ থেকে মতামত নেয়া হয় আগামীর নেতৃত্ব কাদের হাতে তুলে দেয়া যায়।
কিন্তু কর্মী সভার পর থেকেই নানা সময় নানা রকম গুঞ্জন উঠতে থাকে নেতৃতত্বের বিষয়ে। এছাড়া পদ প্রত্যাশী নেতারাও নেতৃত্বের ব্যাপারে ছিল বেশ উদগ্রীব। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কমিটির গঠনের বিষয়ে হঠাৎ আচমকা কেন্দ্রের ধীরগতিতে হতাশাগ্রাস্ত হয়ে পড়েছেন পদ প্রত্যাশী নেতারা। কারণ কর্মী সভার বেশ কয়েক দিনের মধ্যেই নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা আশা করেছিলেন যে জেলা এবং মহানগরের নতুন নেতৃত্ব ফিরছে।
কারণ কেন্দ্র থেকে অন্যান্য জেলা এবং মহানগরে কর্মী সভার মাসেক খানেকের মধ্যেই কমিটিগুলো গঠন করেছিলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগরের ক্ষেত্রে দীর্ঘসময় অতিহবাহিত হয়ে যাওয়ায় পদপ্রত্যাশী নেতারা কমিটির ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে বসে আছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুগপৎ আন্দোলনের একের পর এক কর্মসূচি পালন করছে নেতারা। আগামী দিনগুলোতে আরো কঠোর আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বিএনপি।
যার কারণে নেতৃত্বে আগ্রহী থাকা নেতাকর্মী যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলন সংগ্রামকে সফলমণ্ডিত করার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে। যার কারণে কমিটি নিয়ে উদগ্রীব নয় জেলা এবং মহানগরে নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতাকর্মীরা। কারণ যেকোন সময় জেলা এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের কমিটি প্রকাশ হতে পারে এমন বার্তা প্রায় মাসেক খানেক ধরেই চলমান রয়েছে। তবে এভাবে দীর্ঘদিন অপেক্ষামান থেকেও কমিটির মুখ না দেখায় হতাশাগ্রস্ত কর্মীরা।
এস.এ/জেসি


