Logo
Logo
×

রাজনীতি

নয়া কমিটির অপেক্ষায়

Icon

এম সুলতান

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৩, ০১:১০ পিএম

নয়া কমিটির অপেক্ষায়
Swapno


#বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে যুবলীগের অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে : আব্দুল কাদির।.


# আমি যুবলীগেই থাকতে চাই : উজ্জল।


#বর্তমান কমিটি সব বলতে পারবে :  নিপু


ছোট বড় হলেও মাঝারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবলীগের এখনো কোন খবর পাওয়া যায়নি। নারয়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগ ও মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ এর ওয়ার্ড কমিটি কার্যকর্ম শুরু হলেও এখনো ঘুমিয়ে আছে জেলা ও মহানগর যুবলীগ। নামে যুবলীগ নেতা পরিচয় থাকলেও তাদের কোন পদ-পদবী নেই অনেকের।

 

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে ধরা হয় যুবলীগকে। নতুনরা জেলা ও মহানগর যুবলীগকে নতুন করে সাজাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তাতে এখন সম্মেলন না হওয়াতে ও প্রবীণরা ক্ষমতা না ছাড়ায়  নতুনরাও যুবলীগকে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছেনা।

 

 

প্রবীনরা নামে যুবলীগ আর কাজে আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে। জেলা যুবলীগের মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে সম্পৃক্ত হওয়ায় কান্ডারীবিহীন হয়ে আছে জেলা যুবলীগ।

 

 

গত ৫ বছর ধরে তারা জেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ব পালন করছেন। যার কারণে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ড মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে যুবলীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।

 


দলীয় সূত্রে জানা যায় , ২০০৫ সালে বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাজনৈতিক ভাবে কোনঠাসা থাকা অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে জেলা যুবলীগের সভাপতি পদে আলহাজ্ব আব্দুল কাদির ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল নির্বাচিত হন।

 

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু ও সাধারন সম্পাদক আলী রেজা উজ্জল দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ মহানগরে যুবলীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এদিকে মহানগর যুবলীগ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়াতে আরো বেশি ঝিমিয়ে পরেছে মহানগর যুবলীগ কারন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক দুই দিকে ভাগ হয়ে যাওয়াতে নেতা কর্মীরা একসাথে কোন প্রোগ্রাম করতে পারে না।

 

 

তাতে সাধারন নের্তা কর্মীদের মাঝে রয়েছে চাপা ক্ষোভ। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের নামে আলাদা আলাদা করে ভিবিন্ন অনুষ্ঠিানে অংশ গ্রহণ করেন। দুই নেতার মাঝে মতবিরোধ থাকায় এখনো নতুন নেতৃত্ব মাঠে নামতে পারছেনা। এদিকে প্রবীনদের ভীরে নবীনরা আলোচনা আছেন কিন্তু নতুন নেতৃত্বে কারা আসছে তা নিয়ে আলোচনা চলমান।

 

 

এরমধ্যে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপুকে সভাপতি ও সাফায়েত আলম সানিকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা যুবলীগের কমিটি হতে পারে। তাদের সাথে আরো আলোচনায় আছেন, এই দুজন ছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব।

 

 

এবং জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া এবং ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বেশকজন যুবলীগ নেতা। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন নতুন কমিটি হলেই প্রাণ ফিরে পেতে পারে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ।

 


জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদির বলেন বলেন, অনেকেই মূল দলে চলে গেছে কিন্তু এখনও তারা যুবলীগ নেতা। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে যুবলীগের অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবলীগের হালধরতে চান এক দল তরুণ যুবক নেতারা।

 

 

যারা এক সময় জেলা ও মহানগর ছাত্র লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছে। বর্তমানে তারা জেলা ও মহানগরের যুবলীগের পদ প্রত্যাশী। তাদের প্রত্যাশা অচিরেই কমিটি হলে তারা আবারও নারায়ণগঞ্জের যুবলীগকে শক্তিশালী করবে।

 


নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সাধারন সনম্পাদক আলী রেজা উজ্জল বলেন, আমি তো যুবলীগে থাকতেই চাই যদি কেন্দ্র আমাকে মহানগর আওয়ামীগের দেয় তাহলে আমার সমস্যা নাই। তবে কবে যুবলীগের কমিটি নতুন কমিটি হতে পারে সেটা আমার জানা নাই। যুবলীগের কর্মীদের সকলে মনের চাওয়া  যে খুব তারাতারি সম্মেলন হকসেটা আমিও চাই।

 


নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী হিসাবে আলোচিত এহসানুল হক নিপু বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি অনেক দিন এখন যুবলীগে যদি আমি পদ পাই তাহলে আমি দলের জন্য কাজ করবো। সম্মেলন কবে হবে সেটা আমার জানা নাই। কেন্দ্র থেকে যদি কোন রকমের চিঠি বা কোন তথ্য আসে তাহলে বর্তমান কামটিতে যারা আছেন তারাই ভালো বলেতে পারবে। এন.হুসেইন/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন