Logo
Logo
×

রাজনীতি

মহানগর আ.লীগের দৈন্যদশার নেপথ্যে কারা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৩, ০১:৩৬ পিএম

মহানগর আ.লীগের দৈন্যদশার নেপথ্যে কারা
Swapno


# সভাপতি যোগ্য নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ অভিযোগ কর্মীদের
# আজব সম্মেলনে গ্যাড়াকলে ওয়ার্ডের নেতারা


নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ঐক্যের জোয়াড়ে হঠাৎ বিভক্তির ভাটা পড়ার পর মহানগর আওয়ামী লীগে রাজনীতিতে দেখা দেয় দৈন্যদশা। তবে এই বিভক্তির রাজনীতির ফলে আটকে গিয়েছে মহানগরের আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড কমিটি গঠনের কার্যক্রম।

 

 

কিন্তু বেশকয়েকদিন আগেও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক একই সুরে কথা বললেও মহানগর আওয়ামীলীগের অভিভাবক হিসেবে বিভেচিত সভাপতি আনোয়ার হোসেনের হঠাৎ আচমকা ওয়ার্ড কমিটিতে নেতা নির্বাচনে নানা রকম বণিবনার কথা প্রকাশ করে মহানগরের রাজনীতিতে আবার বিভক্তির সুর বাজিয়ে দেন।

 

 

কারণ মহানগরের ওয়ার্ডগুলোতে স্থানীয় সংসদের অনুসারীরাই নেতা নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছেন এমতাবস্থায় মহানগরের সভাপতি স্থানীয় সংসদের ওয়ার্ডে সভাপতি নির্বাচিত নেতাকে নিয়ে সমালোচনা করেন তার এসমস্ত মন্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতির শিষ্য খ্যাত স্থানীয় সংসদ কঠোর ভাবে সমালোচনা করেন।

 

 

এরপরই শিষ্যের সমালোচনায় গুরু নীরব ভূমিকায় থাকলেও মহানগরের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আর ঐক্যের সুর বয়ে আনতে পারেনি। যার কারণে মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দেখা দেয় দৈন্যদশা। সূত্র জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির গঠন করাকে কেন্দ্র করে মহানগরের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহার মধ্যে ঐক্যের সুর দেখা গেলেও সম্মেলনগুলো শেষ হওয়ার পূর্বেই দেখা দেয় বিভক্তি।

 

 

মূলত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের ১২নং ওয়ার্ডের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন তাকে কঠোর সমালোচনা করেন। এরপর থেকেই নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগে ধীরে ধীরে বিভক্তির সুর বেজে উঠে।

 

 

কারণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি যাদেরকে পছন্দের নেতা হিসেবে ওয়ার্ডে সভাপতি হিসেবে পদায়ন করতে চেয়েছিলেন তারা সভাপতি হতে পারেনি। উল্টো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয় এমপি শামীম ওসমান অনুসারী নিয়াজুল। মূলত এই ওয়ার্ডটিতে সাংসদ শামীম ওসমানের পৈত্রিক ভিটা কিন্তু এখানে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের গুরু হিসেবে বিবেচিত আনোয়ার হোসেনের পছন্দের কেউ সভাপতি হতে না পারায় আবারও গুরু শিষ্যের বিভাজন প্রকাশ হতে শুরু করে।

 

 

একদিকে গুরু বলছেন সবকিছু মেকানিজমের মাধ্যমে হয়েছে তাই আমার অজান্তেই একজন সন্ত্রাসীকে সভাপতি হয়ে গিয়েছে। অপরদিকে শিষ্য এক স্বরণ সভায় বক্তব্য প্রদানকালে বলেছেন,‘খন্দকার মোশতাকের মিটিং ভাঙ্গার ব্যাপারে নাসিম ওসমানের সাথে কাজ করেছিলেন সুইট।

 

 

খালেদা জিয়াকে কালো পতাকা দেখানোর অপরাধে ডান্ডাবেরি পড়ানো অবস্থায় জেল থেকে বের করে গুলি করে মারা হয়েছিলো। সুইটের ছোট ভাই নিয়াজুলকে অক্টো অফিসের সামনে বিএনপি গুলি করে মৃত ভেবে চলে গেছিল। ২৪ দিন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে বাঁচানো হয়েছিলো।

 

 

অথচ আমাদের কোন নেতা বলেন কাউকে খুশী করার জন্য। যারা ভুষি খেয়ে অভ্যস্ত। কবিতা পড়েন সব সময়ে। “মাগো তুমি কল্পতরু, আমরা তোমার কেনা গরু, যদি দাও একটু ভুষি, তাতেই আমরা খুশী”। হাই ভাই (জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক) যেন জেলা পরিষদের কি ছিল, কি যেন কয় খালি হয়ে গেছিলা সব। তাঁরা আজকে বলে সন্ত্রাসী। হুমম বুঝা যায় আমাদের এটা।'

 

 

হঠাৎ গুরু শিষ্যের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে আবারও মহানগর আওয়ামী লীগে বিভাজন দেখা দেয়। তবে গুরু শিষ্যের নেতাদের সমাঝোতার মাধ্যমে ওয়ার্ড কমিটিতে নেতা নির্বাচিত হচ্ছিল। তবে ১২নং ওয়ার্ডে শিষ্যের সাথে গুরুর হারের পর থেকেই নীরব হয়ে যান গুরু। তবে গুরু নিজের কৃতিত্ব বজায় রাখতে বিভক্তির পথ বেছে নিয়েছেন। 

 

 

যার কারণে মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠনের কার্যক্রম রয়েছে আটকে। এছাড়া মহানগরের তিনটি ওয়ার্ডে অর্ধ কমিটি নিয়ে বিপাকে রয়েছেন ওয়ার্ডের নেতারা। যার কারণে মহানগর আওয়ামী লীগে এক প্রকার দৈন্যদশা বিরাজমান করছে। এন. হুসেইন/ জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন