পাল্টা কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়েই চলছে মহানগর বিএনপি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৩, ০৭:৩৫ পিএম
# অভ্যন্তরীণ কোন্দল দূর না হলে প্রভাব পড়বে রাজপথে
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি বর্তমানে পাল্টা কর্মসূচি, পাল্টা বক্তব্যও পাল্টা কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়েই দিন অতিবাহিত হচ্ছে তাদের। সেই মাঝে রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে অভ্যন্তরীন কোন্দল যা ধীরে ধীরে মহানগর বিএনপিকে অনেকটাই পিছিয়ে দিচ্ছে। এছাড়াও বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির থানা ও উপজেলা পর্যায়ের পাল্টা কমিটির পর এবার ইউনিয়ন পর্যায়ে পাল্টা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে একটি ইউনিয়নে দ্বি-বাষির্কী সম্মেলন ও অনুষ্ঠিত হতে দেখা গেছে। বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা বলছে, বর্তমানে মহানগরে যেভাবে একের পর এক পাল্টা কমিটির অনুমোদ দেওয়া হচ্ছে। এভাবেই সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সম্মেলনগুলো হবে মহানগর এমনকি আলাদাভাবে দলীয় সকল কর্মসূচি ও পালিত হবে। যার মাধ্যমে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে এভাবেই সকল কার্যক্রম অতিবাহিত হয়ে থাকলে মহানগর বিএনপি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে রইবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে মহানগর বিএনপির মূল কমিটির সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্রোহী মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা বন্দর থানা, বন্দর উপজেলা, সদর থানা বিএনপির পাল্টা কমিটি কমিটি গঠন করেছে। এর মাঝে বন্দর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিদ্রোহীরা দিতে পারলে ও পারেনি মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ও জানা গেছে, গত বুধবার (২২ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আওতাধীন বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বাষির্কী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেই সাথে এই সম্মেলনকে কন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসব মুখর আমেজ বিরাজ ছিল। তৃণমূলের দাবি তার মধ্য দিয়েই মহানগর বিএনপির বিদ্রোহী কমিটি অনেকটাই আলোড়ণ সৃষ্টি করছে। দলীয় সূত্রে আরো জানা যায়, বিগত ৬ মাস মহানগর বিএনপির সকল কার্যক্রমের ফিরিস্তি ইতিমধ্যে মহা সচিবের কাছে জমা দিয়েছেন বিদ্রোহী নেতৃবৃন্দরা। মহা-সচিব তাদের আশ্বাস দিয়েছেন অতি শীঘ্রই যে মূল কমিটির বিষয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জানাবেন।
এতে চাপে পড়েন মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে নানা হতাশা বিরাজ করে যার কারণে তাদের শান্তনা অংশ হিসেবে তাদের সাথে দারস্ত হতে দেখা গেছে। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের। আজাদ দায়িত্ব নিয়ে গত ২২ মার্চ রাতে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির মূল কমিটির সাখাওয়াত-টিপুসহ মহানগরের নেতাদের নিয়ে হাজির হন। মহা-সচিবকে বুঝানোর চেষ্টা করেন যেনো মহানগর কমিটির কোন সমস্যা না হয়।
সে যেন তাদের আরো কিছুদিন সময় দেন ঘুরে দাঁড়াতে। অপর দিকে বর্তমানে বিএনপির দুই খন্ডের নেতাকর্মীরাই উজ্জ্ববিত হয়ে উঠেছে। আর সকল কার্যক্রমের তৎপরতা আরো বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বর্তমানে রমজান আসায় তাদের তৎপরতা একটু কম দেখা গেলে ও রমজান শেষে আরো কঠোর আন্দোলন নিয়ে রাজপথে আসছে মহানগর বিএনপির দুই অংশের নেতৃবৃন্দ। কিন্তু রমজানের আমেজে আবারো সকল রাজনৈতিক দলের সাথে তাল মিলিয়ে মহানগর বিএনপির দুই অংশের নেতাকর্মীরা ইফতার রাজনীতিতে বেশি তৎপর হয়ে পরবে।
যার কারণে তৃণমূলের দাবি, বর্তমানে বিরোধী দল হিসেবে চূড়ান্ত আন্দোলন সংগ্রামের বছর যার কারণে বিএনপি রাজনীতি আরো স্বচ্ছ ও শক্তিশালী করতে হলে আগে শহর রাজনীতি হিসেবে মহানগর বিএনপিকে আরো তৎপরতা ও নিজেদের মধ্যে কেন্দাল ভেঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে আরো তৎপরতা বৃদ্ধি করতে হবে।
এস.এ/জেসি


