# জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে এই ঘটনা ঘটে
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে নজরুল ইসলাম আজাদ বলয়ের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে কে সামনে দাঁড়াবে কে পিছনে দাড়াবে তা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির মাঝে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এই সংঘর্ষে দ্ইু গ্রুপের প্রায় ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
গতকাল শনিবার (১ এপ্রিল) বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে কেন্দ্র ঘোষিত বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ১০দফা বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এই অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। দুপুর ২টা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিট থেকে শত শত নেতাকর্মীরা সাইনবোর্ডস্থ পাসপোর্ট অফিসের সামনে জড়ো হওয়া শুরু করে। সে সময়ের এক পর্যায়ে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কর্মসূচিতে আসা একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, ঘটনার সময় আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ১০দফা দাবিতে শ্লোগানে শ্লোগানে মিছিল নিয়ে জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসূচির সামনে দিয়ে শোডাউন দিচ্ছিলেন। তখন এক পর্যায়ের কালাপাহাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের মিছিলের সামনে গিয়ে তাদের মিছিল ঘেরাও করে ফেলে।
আর ছাত্রদলকে পিছনে ফেলে সামনে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা দাঁড়ান। তখন ছাত্রদলের কিছু সংখ্যক নেতাকর্মী তাদের বলে তাদের সামনে থেকে সড়ে যেতে। কিন্তু তারা কিছুতেই তা করে না। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তার এক পর্যায়ে হাতাহাতি করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। আর দুই গ্রুপের লোকেরা প্রায় ৩০ মিনিট যাবৎ আশেপাশে থাকা বাঁশ, ভাঙ্গা ইট, পাল্টাপাল্টি আঘাত করা শুরু করে। এতে বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়। সে সময় আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তিনি ও ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে আড়াইহাজার উপজেলার কিছু সংখ্যক নেতাকর্মীকে ইউসুফ আলী নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সংক্ষম হন। উপস্থিত থাকা নেতাকর্মীরা আরো বলছে, এমনিতেই বিএনপির বর্তমানে দূর সময় চলছে। বর্তমানে নেতাকর্মীদের ঘরে থাকাটাই অনেকটা বিপদ জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে আবার নিজেরা নিজেরাই যদি কর্মসূচি পালনে এসে সংঘর্ষ করে রক্তপাত করি। তাহলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা আমাদেরকে দূর্বল মনে করবে। আর আমাদের উপর জাপিয়ে পরবে।
দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা বিষয়ে আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহম্মেদের কাছে জানতে চাই তিনি যুগের চিন্তাকে বলেন, আমি এই বিষয়ে শুনেছি কিন্তু তারা কেন সংঘর্ষে জাড়িয়ে পরলো। আমরা এটা বলতে পারছি না। আমরা সকলেই জেলা বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।
এস.এ/জেসি


