Logo
Logo
×

রাজনীতি

মহানগর বিএনপিতে চলছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব জেলা হচ্ছে শক্তিশালী

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:৩৭ পিএম

মহানগর বিএনপিতে চলছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব জেলা হচ্ছে শক্তিশালী
Swapno

 

# জেলার মতো করে মহানগর চেইন অব কমান্ডভুক্ত রাজনীতি করতে পারছে না

 

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতি বিগত দিনের থেকে বর্তমানে অনেকটাই উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠেছে। যার কারণ বলে নেতাকর্মীরা বলছে যোগ্য নেতৃত্ব। বিগত কমিটিতে ছিল না কোন চেইন অব কমান্ড আর বর্তমান কমিটি গঠনের পরেই দলীয় সকল কার্যক্রম চেইন কমান্ডের ভুক্ত হয়েই পরিচালিত হচ্ছে যার পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই দলের মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধতা দেখতে পারছে। এছাড়াও এই কমিটি হওয়ার পর যতগুলো থানা, ইউনিয়ন কমিটি গঠন হয়েছে সকল কমিটিই যোগ্য নেতৃত্ব দ্বারা গঠন করা হয়েছে।

 

যার কারণে বর্তমানে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করে যাচ্ছে। অপর দিকে মহানগর বিএনপির কমিটি গঠনের পর থেকেই কমিটি নিয়ে চলছে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব। বর্তমানে মহানগর বিএনপির বিদ্রোহী দুই নেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কেন্দ্র এমনও তথ্য পাওয়া গেয়েছিল। কিন্তু বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা বলছে আমরা কখনো কমিটি থেকে বেড় হয়ে যাওয়ার জন্য পদত্যাগপত্র জমা দেয়নি। কিন্তু কিভাবে আমাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ হলো এটার নৈপথ্যের পিছনে কিছু কুচক্র মহলের কারচুপি রয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন তারা।

 

আবার মূল কমিটির নেতৃবৃন্দের দাবি, তারা যদি কেন্দ্র পদত্যাগপত্র জমা না দিয়েই থাকে তাহলে কে কেন্দ্র এটা গ্রহণ করবে। এর আগে মহানগর বিএনপির দুই পক্ষ পাল্টা কর্মসূচি, পাল্টা বক্তব্যে, পাল্টা কমিটি গঠন করে মহানগর বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন। আর জেলা বিএনপির কমিটি হওয়ার পর তাদের সাথে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা আরো অনেকটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সকল আন্দোলন সংগ্রাম, সংগঠনে চেইন অব কমান্ড ও ঐক্যর দিক দিয়ে মহানগর বিএনপি জেলা বিএনপি থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়ে গেছে।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তার পর থেকেই মহানগর বিএনপি দুইভাগে দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। তার পর থেকেই মহানগর বিএনপির দুই গ্রুপের নানা পাল্টা বক্তব্যে, পাল্টা কর্মসূচি পালন, একে অপরকে সরকারি দলের দালাল বলে আখ্যা দেওয়া সহ পাল্টা থানা, ইউনিয়ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে অঐক্যর প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু বিগত দিনে মহানগর বিএনপি শহরের আওতাভুক্ত হওয়ায় সকল আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপকভাবে এগিয়ে ছিল।

 

আর তাদের ভূমিকা সকল সময় জেলার থেকে আলাদা দেখার মতো ছিল আর নেতাকর্মীরা সকল সময় ব্যাপক সক্রীয় ভূমিকা পালন করতো। কিন্তু দীর্ঘ ৬ মাস যাবৎ মহানগর বিএনপির নিজেদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দের কারণে জেলা বিএনপি থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পরেছে মহানগর বিএনপির রাজনীতি। অপর দিকে গত বছরের ১৫ নভেম্বর জেলা বিএনপির ৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তার পর থেকেই জেলা বিএনপি ঘিরে একের পর এক চমক দেখা যাচ্ছে। আর বিগত দিন থেকে বর্তমানে জেলা বিএনপিতে স্বচ্ছ রাজনীতির আবিরভাব দেখা যাচ্ছে।

 

আর জেলা বিএনপি বিগত দিনে চেইন অব কমান্ডভুক্তভাবে না চলতে পারলে ও বর্তমানে জেলা বিএনপিতে চেইন অব কমান্ড অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি পাওয়ার ৩ মাসের মাথায় জেলা বিএনপির অন্তর্গত ৫টি ইউনিট ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও রূপগঞ্জ থানা এবং রূপগঞ্জের কাঞ্চন ও তারাব পৌর বিএনপি’র কমিটি অনুমোদন করা হয়। এখন আবার ফুতল্লা ইউনিয়নের কমিটি গঠন করা হয়। এর আগেও ফতুল্লাসহ জেলার আওতাধীন আরো থানা ইউনিয়ন গুলোতে যোগ্য ও রাজপথে পরীক্ষিত নেতৃত্ব দ্বারা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

যার ফলে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা বিগত দিন থেকে আরো উজ্জ্বীবিত ও উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে। আর সকল  আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকে। কিন্তু সংগঠনে নানা কোন্দলের কারণে মহানগর বিএনপির মূল ও বিদ্রোহী কমিটিতে অন্ধকারের দেখা। এছাড়াও দীর্ঘদিন দেখা গেছে মহানগর বিএনপির বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা একের পর এক পাল্টা কমিটি গঠন করতে। কিন্তু বর্তমানে পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিলের পাশপাশি মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ৬ মাস পর মহানগরের আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করে যাচ্ছে।

 

কিন্তু অপর দিকে বিদ্রোহীরা ও তাদের পাল্টা কমিটি গঠনের কার্যকালাপ শুরু করে দিবে। সব মিলিয়ে বর্তমানে তাদের মধ্যে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে তা জেলা বিএনপির কমিটিতে দেখা যাচ্ছে না। যার কারণে মহানগর বিএনপি থেকে জেলাকে বেশি সুসংগঠিত বলা হচ্ছে।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন