Logo
Logo
×

রাজনীতি

ওয়ার্ড-ইউনিয়ন কমিটি গঠনে তৎরপতা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:০৮ পিএম

ওয়ার্ড-ইউনিয়ন কমিটি গঠনে তৎরপতা
Swapno

 

# বিভেদ-দ্বন্দ্বে কমিটির সক্ষমতা নিয়ে নানা প্রশ্ন

 

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটির গঠন করা হয়েছে দীর্ঘ ৬ মাস পূর্বে কিন্তু এতো মাসে তারা তাদের সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটিগুলো গঠন করতে তারা সক্ষম হয়নি। তার মাঝে তাদের কমিটি নিয়ে চলছে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব যার জেলা বিএনপি থেকে পিছিয়ে পরেছে মহানগর বিএনপি। কিন্তু শহর কেন্দ্রিক রাজনীতি জেলা বিএনপি থেকে মহানগর বিএনপির ভূমিকায় বেশি প্রয়োজন। কিন্তু কমিটি গঠনের ৬ মাস পর এই পবিত্র সংযমের মাসে গর্জে উঠেছে। মহানগর বিএনপি তারা দফায় দফায় তাদের আওতাধীন সকল ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করে যাচ্ছে। আর এই মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ কমিটিগুলো গঠনের উদ্দেশ্য নিয়েই রাজপথে নেমেছে মহানগর বিএনপি। এমনই দাবি করছে নেতৃবৃন্দ। তারাও আরো বলছে কমিটিগুলো গঠন শেষ হলে মহানগর বিএনপির সেই পুরানো জৌলুস আবারো ফিরে পাবে।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিতে ব্যাপক তৎরপতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব করা হয়েছে এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে। তাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় কেন্দ্র তাদের বলেছে ৩ মাসের মধ্যে সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা কমিটিগুলো গঠন করে তাদের এই ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে পূর্ণাঙ্গ করতে। কিন্তু কমিটি গঠনের পর কমিটির মধ্যে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। যার ফলে দ্রুত সংগঠন গোছানোর কাজ থেকে পিছিয়ে পরে মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।

 

অপর দিকে মহানগর বিএনপির কমিটি গঠনের পর তাদের মধ্যে যে দ্বিখন্ডিত দেখা দিয়েছে। তা বর্তমানে অনেকটাই গভীর রূপ ধারন করেছে। এখন মহানগর বিএনপির মূল কমিটি ও বিদ্রোহী কমিটির নেতৃবৃন্দদের মাঝে দেখা মিলছে পাল্টা বক্তব্য, পাল্টা কমিটি গঠনসহ নানা বাকযুদ্ধ যার কারণে নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে মহানগরকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। ধীরে ধীরে কমিটি গঠনের মাস পেরিয়ে বর্তমানে ৭ মাস হয়ে গেল। তার মাঝে কমিটি গঠনের প্রথম প্রহরেই ব্যাপকভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে আলীরটেক ও গোগনগর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন করে মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

তার পর ১০ ডিসেম্বর বিএনপির বিভাগীয় কর্মসূচির দোহাই দিয়ে অনেকটাই কমিটি গঠনে নিস্ক্রিয় হয়ে পরে তারা। পরবর্তীতে বিদ্রোহী নেতৃবন্দরা তাদের সাথে প্রতিযোগীতা করে বন্দর থানা ও উপজেলা বিএনপির কমিটি অনুমোদন দিয়ে দেয়। তারপর থেকেই মূল কমিটিতে থানা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন কমিটি গঠনের তৎপরতা অনেকটাই জোরদার হয়ে উঠে। তারা দফায় দফায় কমিটি গঠনের অনুমোদন দিয়ে যায়। বর্তমানে পবিত্র মাহে রমজান সংর্যমের মাস অতিবাহিত হচ্ছে। আর এই মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ কমিটিগুলো গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে রাজপথে নেমেছে মহানগর বিএনপি। ইতিমধ্যে রমজান মাসেই ২টি ইউনিয়ন ও ৫টি ওয়ার্ড কমিটি ইফতার মাহফিলের পাশপাশি দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটিগুলো গঠন করে যাচ্ছে।

 

কিন্তু এখন পর্যন্ত বন্দর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠনের কোন তৎপরতা তাদের মাঝে দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু তারপরও তাদের দাবি, এই রোজার মাসেই মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিটের কমিটি গঠন করে। তারপর নিজেদের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার ও ইচ্ছা পোষন করছেন তারা। যার ফলে তৃণমূল নেতবৃন্দের দাবি, দীর্ঘদিন যাবৎই শুকিয়ে ছিল মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়নের রাজনীতি যা বর্তমানে তারা পানি ঢেলে গর্জে তুলছে। কিন্তু তাদের মধ্যে যে দুই গ্রুপিং সৃষ্টি হয়েছে তা ভেঙ্গে যদি তারা সকলে একত্রিত হয়ে রাজপথে অংশ নেয় তাহলে রাজপথে এই চূড়ান্ত আন্দোলনের বছরে চমক দেখাতে পারবে।

 

এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান যুগের চিন্তাকে বলেন, বর্তমানে এই রমজান মাসে আমরা আমাদের দল গোছানোর সকল কার্যক্রম চালু রেখেছি। আর ইতিমধ্যে আমরা এই রমজানেই ৫ ওয়ার্ড ও ২টি ইউনিয়নের কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করেছি। আর এই মাসের মধ্যে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল বাকি কমিটিগুলো গঠনের চিন্তা আমাদের মাঝে রয়েছে। আর আশা করছি এটা করতে আমরা সফল হবো। আর বর্তমানে বিগত দিন থেকে বর্তমানে আমাদের দল গোছানোর ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে আর তার ফাঁকে ফাঁকে আমরা রাজপথেও আমরা আন্দোলণ সংগ্রামে সক্রিয় রয়েছি।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন