Logo
Logo
×

রাজনীতি

মহানগর বিএনপিতে শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৩, ০৫:৫২ পিএম

মহানগর বিএনপিতে শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবি
Swapno

 

# দ্বন্দ্ব নিরসন কিংবা কমানো না গেলে কর্মসূচিতে পড়বে প্রভাব

 

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের পর মহানগর বিএনপি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পরে। তার পর থেকেই পাল্টা বক্তব্যে, পাল্টা কর্মসূচি ও বর্তমানে শুরু হয়েছে পাল্টা কমিটি গঠনও। যার কারণে সংগঠনে সৃষ্টি হচ্ছে নানা বিশৃঙ্খলা ও যে প্রেক্ষিতে তাদের দলীয় কোন্দল থেকে মহানগর বিএনপির সকল দলীয় সকল কর্মসূচিতে যে সাধারন জনগণ সম্পৃক্ত হতো বর্তমানে তাদের দুই গ্রুপের কর্মকান্ডের কারণে অনেকটাই তাদের থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে তারা।

 

আর তাদের কর্মকান্ডে তাদের থেকে বিশ্বাসও উঠে যাচ্ছে সাধারণ জনগণের। জানা গেছে, কমিটি গঠনের দীর্ঘ ৬ মাস অতিবাহিত হলেও এই সংগঠনটি নিয়ে এখনো ভাবছে না দলটির হাইকমান্ড। যার কারণে সংগঠনটিতে ধীরে ধীরে নরম হওয়া শুরু করেছি। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে, মহানগর বিএনপির এই বক্তব্যেযুদ্ধ শেষ হওয়া অনেকটাই জরুরী তা না হলে নারায়ণগঞ্জের বিগত দিনের বিএনপির শহর রাজনীতে হিসেবে এই মহানগরের বিশৃঙ্খলা আরো বৃদ্ধি যাবে।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিকে শক্তি করার লক্ষ্যে নিয়ে কেন্দ্র থেকে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নেতাকর্মীরা বলছে, শক্তিশালী গড়তে গিয়ে বিশৃঙ্খলায় পরিনত হয়েছে সংগঠনটি। কমিটিতে বর্তমানে দুই বলয়ের আর্বিভাব অব্যহত রয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত দেখা মিলছে কমিটিতে নতুন নতুন কর্মকান্ড যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরেছে দলটির তৃর্ণমূল নেতৃবৃন্দ।

 

দুই গ্রুপ শহরতলীতে যে প্রোগ্রাম করছে একে অপরকে দোষারপ ও গালিগালাজ করেই যাচ্ছে। বর্তমানে দেখা মিলছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতৃবৃন্দরা এই রমজানে ও দলকে গোছানোর লক্ষ্যে নিয়ে দফায় দফায় সকল ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে ইফতার পার্টি ও দ্বি বার্ষিকী সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে যাচ্ছে। আর সকল অনুষ্ঠানেই তারা বিদ্রোহী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বক্তব্যে দিয়ে থাকেন তারা সর্বক্ষেত্রেই বলে থাকেন অতীতে যারা বিএনপি'র কমিটিতে থেকে অনেকে সরকারি দলের গোলামী করেছেন।

 

তাদেরকে হুশিয়ার করে দিয়ে বলতে চাই, অনেক হয়েছে আর না, আপনাদের দিন শেষ। শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা জেগে উঠেছে। যে কোনো মূল্যে তারা বিএনপিকে দালাল মুক্ত করবে। কোনো নৌকা মার্কা লাঙ্গল মার্কার গোলামী করবো না। যারা বিএনপিতে থেকে সরকারি দলের দালালি করবেন তাদের স্থান বিএনপিতে হবে না। এছাড়াও বিদ্রোহী মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দরা ও নানা সময় কর্মসূচির মাধ্যমে ও ইফতার মাহফিলে মহানগর বিএনপির মূল কমিটির নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশ্য নানা সরকারি দলের দলাল সহ ইত্যাদি বলে থাকে।

 

গত ১৫ এপ্রিল সদর থানা বিএনপির এক ইফতার মাহফিলে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান মুকুল বলেছেন, আমাদের কেন্দ্র থেকে মহানগর বিএনপির কমিটির দায়িত্ব যাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল। তারা তো বর্তমানে পাগল হয়ে গেছে। তারা হাইকমান্ডকে দেখানোর জন্য কোন কোন ওয়ার্ডে সম্মেলন করছে ইফতার পার্টি করছে। আমরা যারা রয়েছি আমরা যথন মহানগর বিএনপির আওতাদীন কোন ওয়ার্ডে যাই শত শত লোক কর্মী নিয়ে যাই আর তারা এতো বড় দায়িত্বে বসে থেকে ও তারা লোক পায় না। তারা শুধু রয়েছে আমাদের নামে বদনাম নিয়ে আমরা কিছু বলবো না তারা বদনাম করতে করতে একদিন ধ্বংর্স হয়ে যাবে।

 

আর ভবিষ্যতে দেখবেন নাকে খড় দিয়ে এরা নারায়ণগঞ্জ থেকে চলে গেছে। কারণ পুরো নারায়ণগঞ্জবাসী আমরা সকলেই বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ রয়েছি। যা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, বর্তমানে বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির চূড়ান্ত আন্দোলনের বছর। এই বছরে চূড়ান্ত আন্দোলন করে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সে দিকে লক্ষ্যে না রেখে তারা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করে সংগঠনে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। যা বর্তমানে দলের জন্য খারাপ দিক। এই সময়ে দায়িত্ব পাওয়ার চেয়ার কাড়াকাড়ি না করে দলে ঐক্যবদ্ধ তৈরি করতে হবে। সকল কোন্দাল ভেঙ্গে সকলে একত্রিত হয়ে রাজপথে সরব থাকতে হবে।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন