Logo
Logo
×

রাজনীতি

শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে জেলা বিএনপির কড়া বিবৃতিতে আলোড়ন

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৩, ১১:০৩ এএম

শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে জেলা বিএনপির কড়া বিবৃতিতে আলোড়ন
Swapno


# দেশবাসী সবাই জানে কে না.গঞ্জের গডফাদার

# নৈশ ভোটে ক্ষমতায় আসার আর কোনো সুযোগ নেই
 

গতকাল নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে একটি কড়া বিবৃতি দিয়েছে। এই বিবৃতিতে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব গোলাম ফারুক খোকন স্বাক্ষর করেছেন। ফলে এই বিবৃতিটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর এটা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতি সংশ্লিষ্টরা অনেকে বলেন শামীম ওসমান এমপিকে ইঙ্গিত করে বেশ শক্ত বিবৃতি দিয়েছে বিএনপি।

 

 

এই জেলায় বিএনপি এখন আর কাউকে ভয় পাচ্ছেনা এই বিবৃতিতে বেশ জোরালো ভাবে প্রকাশ পেয়েছে। আরো বুঝা গেছে গিয়াস উদ্দিন যে এই জেলার রাজনীতিতে একটি ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছেন। বিবৃতিতে জেলা বিএনপি অনেকটা পরিস্কার ভাবেই সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে দোষারোপ করেছে।

 

 

জেলা বিএনপি বলেছে, আমরা লক্ষ্য করেছি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ¦ মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে লক্ষ্য করে একজন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নানা উস্কাানীমূলক মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে চলেছেন যা কিনা আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছি। আমরা তার এই কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক ও জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব।

 

 

তার জনপ্রিয়তার ইর্ষান্বিত হয়ে উক্ত সাংসদ তার বিরুদ্ধে এবং তার পরিবার এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পালিত সন্ত্রাসীদের দিয়ে নানা রকম গায়েবী মামলা দিয়ে চলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ওই সংসদ সদস্য শরীফ আহম্মদ নামক তার এক অনুসারীকে দিয়ে গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজী, ভাংচুর এবং হামলার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলার আবেদন করেন। বিষয়টি চরম ন্যাক্কারজনক এবং হাস্যকর।

 

 

কারণ নারায়ণগঞ্জবাসী সহ সারা দেশবাসী জানে নারায়ণগঞ্জের গডফাদার কে এবং কাদের ছত্রচ্ছায়ায় নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। বিগত দিনের পত্রিকা দেখলেই বুঝা যাবে নারায়ণগঞ্জে গুম, খুন এবং চাঁদাবাজী সহ সন্ত্রাসের মদদদাতা কে বা কারা। অপরদিকে জাতির সর্ব কালের শ্রেষ্ট সন্তান রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন এলাকায় আস্থার প্রতিক হিসাবে পরিচিত ব্যাক্তিত্ব। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তার গ্রহনযোগ্যতা চোখে পড়ার মতো।

 

 

তার এই জনপ্রিয়তাকে সহ্য করতে না পেরে সরকারী দলের সাংসদ আদাজল খেয়ে তার পেছনে লেগেছেন। শুধু তাই নয় তার ছেলে সাদরিল ও রিফাতের জনপ্রিয়তাও কম নয়। তারা পূরো পরিবার মানুষের সেবা করে চলেছেন আরো অনেক আগে থেকেই। এমন পরিস্থিতিতে আমরা সরকারী দলের সাংসদকে পরামর্শ দেবো সুস্থ্য ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার জন্য, জনগনের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য।

 

 

জনগনের ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আসার আর কোনো সুযোগ নেই। আর যদি মনে করেন আবারও নৈশ ভোটে ক্ষমতায় আসবেন তাহলে দিবা স্বপ্ন দেখছেন। জনগনর পাশে থাকুন, জনগন ভালো বাসবে, অন্যথায় আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। এন.হুসেইন/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন