Logo
Logo
×

রাজনীতি

সেলিম ওসমানের আহবানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আবার এড. দিপুর পোষ্টার

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৩, ১০:০৩ এএম

সেলিম ওসমানের আহবানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আবার এড. দিপুর পোষ্টার
Swapno

 

# পোষ্টার দেখে কেউ মনক্ষুন্ন হলে আমাদের তাতে কিছু যায়-আসেনা- এড. দিপু


২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগের অনেক প্রার্থী দেখেও বিচলিত ছিলেননা বর্তমান সাংসদ সেলিম ওসমান। সময় গড়িয়েছে, প্রেক্ষাপটও অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগ নেতারা জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অনড় অবস্থান নিয়েছেন।

 

 

অনেক আওয়ামীলীগ নেতা পোষ্টার ছাপিয়ে পুরো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচনী এলাকায় সয়লাব করেছেন আর তা দেখেই টনক নড়েছে খোদ সাংসদের। সম্প্রতি সাংসদ সেলিম ওসমান ওইসব আওয়ামীলীগ নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়ে পোষ্টারিং না করে তার সাথে বসার কথা জানিয়েছিলেন।

 

 

কিন্তু সেলিম ওসমানের সেসব কথাকে আমলে না নিয়ে ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সদর-বন্দরে পোষ্টারে সয়লাব করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের অন্যতম সদস্য ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক  সভাপতি এড. আনিসুর রহমান দিপু। 

 

 

বন্দরে এক অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগ নেতাদের পোষ্টারিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে সাংসদ সেলিম ওসমান বলেন, ‘আর কিছু দিন পরই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই সময়টা যদি আমাকে জনপ্রতনিধিরা সহযোগীতা না করে, তাহলে বন্দরের প্রতিটি মা-বোন ভাইয়ের কাছে সহযোগীতা চেয়ে সময়টা কাটাতে চাই। তারপর আমি চিন্তা করবো, আগামীতে নির্বাচনে আসবো কি, আসবো না।

 

 

কাউকে যদি আমার থেকেও ভালো মনে হয়, তাহলে আমি তার মনোনয়নে সমর্থনকারী হিসেবে স্বাক্ষর দিবো। তবে, ভালো কিছু করতে হবে। বড় বড় পোস্টার দিয়ে ভোট নিতে পারবেন না। খামাখা পোষ্টার লাগিয়ে নিজের অর্জিত পয়সা নষ্ট করবেন না। অরাজকতা লাগাইয়েন না, পোস্টার লাগাইয়েন না। আসেন আমার সাথে কাজ করেন, আপনি যদি ভালো হন, আপনার নির্বাচনের জন্য আমিই মনোনয়নপত্র আবেদন করবো।’  

 

 

নতুন  করে পোষ্টারিং এবং সেলিম ওসমানের আহবানকে আমলে না নেয়ার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু বলেন, পোষ্টারিং করাটা দোষনীয় কোন বিষয় কখনোই নয়। আমরা আমাদের দলীয় আদর্শ, উন্নয়ন প্রচার করবো ব্যানার, ফেস্টুন পোষ্টারিংয়ের মাধ্যমে এটা খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়।

 

 

১৯৭৮ সন থেকেই আমরা সামরিক শাসনের অবসান, খুনীদের বিচার পরবর্তীতে স্বৈরশাসকদের অবসান পোষ্টারিংয়ের মাধ্যমেই আওয়ামীলীগ চেয়েছে, এরপর রাজপথে নেমেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে আহবান জানানোর এটি একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই আমরা লিফলেট, পোষ্টারিং, ব্যানার, ফ্যাস্টুনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড  জনগণের কাছে তুলে ধরি।

 

 

দলের অর্জন সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাই, তুলে ধরি। আর তাতে যদি কেউ মনক্ষুন্ন হয়, তাতে আমাদের কিছু যায় আসেনা। আমরা আমাদের দলীয় প্রধানের নির্দেশেই কর্মীর যে দায়িত্ব তা পালন করতে জনগণের কাছে যাই। আমাদের দলীয় আদর্শ, আমাদের সরকারের উন্নয়নের কর্মকাণ্ড মানুষকে জানান দেই, প্রচার করি। দলের অর্জনসমূহ তুলে ধরি।  এন.হুসেইন রনী/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন