বিএনপির যৌথ কর্মসূচিতে দফায় দফায় বিশৃঙ্খলা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৩, ০১:২৭ পিএম
# বিশৃঙ্খলা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মির্জা আব্বাস
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ কর্মসূচিতে দফায় দফায় বিশৃঙ্খাল দেখা দিয়েছে। গতকাল ১৯ মে শুক্রবার চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রে ঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে উচ্চ আদালতের নিদের্শনা অধিনস্থ আদালত এবং সরকারের অবজ্ঞা, গায়েবী মামলায় নির্বিচারে গ্রেফতার।
মিথ্যা মামলা ও পুলিশী হয়রানী, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, বিদ্যুতের লোড শেডিং ও ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে চাষাঢ়া শহিদ মিনারে দেখা গেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের নানা বিশৃৃঙ্খলা গ্রুপে গ্রুপে সংঘর্ষ, শহিদ মিনারের ব্যাধিতে জুতা পায়ে দিয়ে উঠাসহ হৈ,চৈ এর দেখা মিলে।
জানা গেছে, যার কারণে জেলা ও মহানগর বিএনপির জনসমাবেশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। পাশাপাশি শহিদ মিনারে আর কোন মিটিং না করার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির এই সিনিয়র নেতা। এমনকি নানা বিশৃঙ্খলায় প্রধান অতিথি মির্জা আব্বাস কয়েকবার উঠে দাড়িয়ে সমাবেশস্থল ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন।
আরো দেখা গেছে মাইকে বার বার কোন ভাইয়ের নামে স্লোগান দিতে মানা করলেও সেই বাধা অমান্য করেই যে যার যার বলয়ের নামে স্লোগান দিতে থাকে এতে নেতাকর্মীদের বক্তব্য দিতে গিয়ে ত্যক্ত হয়েছেন অনেকে। প্রথমে দেখা মিলেছে রূপগঞ্জ বিএনপি নেতা কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের বলয়কৃত রূপগঞ্জ যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চেয়ার লাঠি দিয়ে ছুড়াছুড়ি হাতাহাতি।
পরবর্তীতে আড়াইহাজারের কিছু সংখ্যক নেতাকর্মীদের কথাকাটি ও হাতাহাতি আবার মিছিল নিয়ে এসেছে কিন্তু মাইকে নাম প্রকাশে দেড়ি হওয়ায় হৈ চৈ ইত্যাদি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছে এটা নতুন কিছু না বিএনপি একটি বড়দল আর এই দলের পোগ্রাম হলে একটু বিশৃঙ্খলা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা জানান, নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সকল পোগ্রাম সব সময় নানা বিশৃঙ্খলার দেখা মিলে। এমনকি সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নারায়ণগঞ্জ বিএনপির পোগ্রামে আসলেই ক্ষোভ প্রকাশ করে যান। আর বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাহিরের নেতাকর্মীদের সাথে কি করবে নিজেরা নিজেরাই নানা দ্বন্দ্বে লিপ্ত রয়েছেন।
আর জেলা ভিত্তিক পোগ্রাম হলেই এই সংঘর্ষটা একটু বেশি হয়। কারণ সেখানে রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজারের নেতৃবৃন্দরা থাকে আর তাদের উপজেলাগুলোতে বলয়ের রাজনীতিটা একটু বেশি পছন্দ। তারা এক রাজনীতিতে যুক্ত থেকেও একজন আরেক জনের বলয়ের কেউ কাউকে দেখতে পারে না।
যার কারণে সকল দলীয় পোগ্রামে গ্রুপে গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা একটু বেশি ঘটে। আর আজকে ও জনসমাবেশে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার সামনে ও এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে পিছিয়ে ছিলেন না নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এন. হুসেইন রনী/ জেসি


