Logo
Logo
×

রাজনীতি

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ভুলে গেছে কুতুবপুর আ.লীগ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৩, ০১:৪০ পিএম

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ভুলে গেছে কুতুবপুর আ.লীগ
Swapno


১৭ই মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে প্রতি বছরই এই দিনটি পালন করে আওয়ামী ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন সময় এই এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই এলাকার আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালী দাবি করলেও আসলে সেটা তারা কোন সময়ই প্রমান করতে পারেনি।

 

 

এর কারন হচ্ছে তারা দলীয় কোন প্রেগ্রাম বা জাতীয় দিবস গুলো পালনে বরাবরই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। গত ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসেও কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় এখন এই এলাকায় ঘরে ঘরে আওয়ামী লীগ নেতা তৈরী হলেও কোন দলীয় কার্যক্রমে তাদের আর পাওয়া যায়না।

 

 

তবে এবার ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা হোসেন চৌধুরী নিজের ফেসবুক পোষ্টে তিনি লেখেন  নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কুতুবপুর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দিবসটি কি কেউ পালন করেছে।

 

 

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেল এই দিবসটি কেউ পালন করেননি। এমনকি এই এলাকার অনেক আওয়ামী লীগ নেতাই  জানে না আজকে কি দিবস। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার  কুতুবপুর একটি বৃহত্তর ইউনিয়ন যে ইউনিয়নটিতে জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখেরও বেশি। এই ইউনিয়নটিতে বিভিন্ন দলীয় লোকজন থাকলেও এখানকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনেকটা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

 

 

তবে দের যুগেরও বেশি সময় যাবৎ কালীন কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি না হওয়ার কারনে যা অনেকটাই দূর্বল হয়ে পরেছে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার কারনে সেই পুরাতন কমিটি দিয়েই কোনমতে চলছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। বেশ কয়েকবছর যাবৎ থানা কমিটির নেতৃবৃন্দরা কমিটি গুলো করে দেওয়ার কথা বললেও তা এখনো দেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

তবে  দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় থাকা সত্তেও  এ কমিটি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এদিকে  থানা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা বলেছেন ওয়ার্ড কমিটি গুলো শেষ না হওয়ার কারনে ইউনিয়ন কমিটি হচ্ছে না কিন্ত আমরা প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ওয়ার্ডের সদস্যর জন্য ফরম দিয়েছে।আর এই ওয়ার্ড কমিটি গুলো শেষ হলেই ইউনিয়ন কমিটি গুলো করা হবে।

 

 

অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন পুরাতন কমিটি বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা দরকার তারা এটাও মনে করছেন এই কমিটি যদি পুনরায় থাকে তাহলে কুতুবপুর আওয়ামী লীগ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।তাই দূরদিনে যারা আওয়ামী লীগের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন রাজপথে থেকে জুলুম অত্যাচারের শিকার হয়েছেন সেই সকল ত্যাগী নেতাকর্মীদের এই কমিটিতে স্থান দেওয়া হোক।তবে এখন কুতুবপুর আওয়ামী লীগের লড়াদশা দেখা দিয়েছে।

 

 

এর কারণ হচ্ছে কুতুবপুরে আওয়ামী লীগের নেতাদের নেই কোন ধরনের মূল্যায়ন নেই। এক যুগেরও বেশি সময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্বেও অনেক আওয়ামী লীগ নেতা অখনো কষ্ট করে প্রতিটি দিন পার করতে হয়। কুতুবপুর  আওয়ামী লীগের মধ্যে দেখা গেছে কোন মিল নেই মাঝে মাঝে থানার নেতাদের দেখানোর জন্য তারা এক থাকে সেই পর্যন্তই তাদের চালান।

 

 

শুধু তাই নয় কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন তার নিজস্ব কোন শক্তি নেই নেতাদের কিভাবে উজ্জীবিত করতে হয়। তাকে মানুষ শুধু পায় বিভিন্ন জায়গায় জমির দালালি করতে । তাদের কারনে ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাদেরও বদনাম হচ্ছে। বর্তমানে তাদের সাথে আওয়ামী লীগের প্রেগ্রাম করতেও অনেকে অনীহা প্রকাশ করেছে।

 

 

আবার অনেক নেতাকর্মীরা মনে করছেন তারা এই সুনাম ও ঐতিহ্য ভরা এই আওয়ামী লীগের নাম খারাপ করছে।তাদের কারনেই আজ কুতুবপুর আওয়ামী লীগ লণ্ডভণ্ড। দীর্ঘদিন যাবৎ দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে যাচ্ছে কুতুবপুরের আওয়ামী লীগের নেতারা । আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ঘোষিত প্রেগ্রাম গুলোতেও দেখা মিলেনা কুতুবপুর আওয়ামী লীগের কোন নেতাদের।

 

 

কোথায় কোন যায়গায় দালালি ভূমিদস্যুতায় সবার আগে তাদের অবস্থান দেখা যায় এই কুতুবপুরের নামধারি আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন। শুধু জসিম একাই নয় প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী থাকলেও দলীয় কার্যক্রমে তাদের খুজে পাওয়া যায়না।

 

 

তবে এক কর্মী জানায় এই এলাকায় তো শুধু আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন একা না আরও তো নেতা আছে তারাও তো দিবসটি পালন করতে পারতো কিন্ত কেউ করেনি । তবে দিন দিন এই এলাকায় বিএনপি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। প্রকাশ্যে তারা তাদের সকল কর্মসূচি পালন করছে আর এতে করে, কুতুবপুর আওয়ামী লীগ যে অনেকটাই ধ্বসের পথে চলে গেছে এটাই তার প্রমান।

 

 

এভাবে চলতে থাকলে বিএনপির নেতাকর্মীদের দৌড়ানি খেতে বেশিদিন আর সময় লাগবে না। তিনি আরও জানান, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলকে শক্তিশালী করতে হলে অতি দ্রুত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটিটা দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন এবং এই কমিটিতে এমন কাউকেই আনা হোক যিনি নিজের আখের গোছানোর জন্য নয় দলের জন্য কাজ করবেন।

 

 

দলের প্রতিটি দলীয় প্রেগ্রামে নেতাকর্মীদের নিয়ে আগে থেকেই সক্রিয় থাকবেন।তবে এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মানিক চাঁনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটু যামেলায় আছেন পরে কথা বলবেন বলে ফোনটি কেটে দেন। এন হুসেইন রনী/ জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন