রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে-হত্যার হুমকির প্রতিবাদে গতকাল সেমবার (২২ মে) বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল পালন করেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারপাশি পাশি দেখে গেছে, সকলে নিজ নিজ থানায়, ইউনিয়নে আলাদাভাবে ও এই প্রতিবাদ সভা পালন করেন।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার প্রতিবাদে ও মাঠে নামতে দেখা যায়নি। ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম.সাইফুল্লাহ বাদলকে। এছাড়াও ফুতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম শওকত আলীকে দেখা গেছে ফতুল্লা থানার আওতাধীন সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করতে।
যা নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের একজন বিসস্ত লোক হিসেবে পরিচিত এই বাদল। কিন্তু এই বাদলেই প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার প্রতিবাদ নিয়ে অবহেলা মেনে নিতে পারছে না কেউ কেউ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা জানান, বর্তমানে নেতাকর্মীদের সকল সময় রাজপথে উজ্জ্বীবিত থাকতে হবে। আর দফায় দফায় বিএনপির নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে। নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে বর্তমানে ফতুল্লা থানা রাজনীতির দিকে সকলের চোখ রয়েছে। যার কারণে স্বচ্ছ রাজনীতির মাধ্যমে সকল সময় রাজপথে শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে নেতাকর্মীদের।
কিন্তু সংগঠনের দিক নির্দেশকই যদি অচল হয়ে পরে থাকে। তাহলে কিভাবে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ সামনের দিকে এগিয়ে আসতে পারবে। এখন কোন দলীয় পোগ্রামেই এম সাইফুল্লাহ বাদল উপস্থিত থাকেন না। শুধু যে পোগ্রামে শামীম ওসমান সাহেব উপস্থিত থাকেন সেখানে সে সকল অসুস্থতা উপক্ষো কওে উপস্থিত থাকে। তা ছাড়া সকল সময় অসুস্থতার অজুহাতে রাজনীতি থেকে পিছিয়ে থাকেন তিনি। যার কারণে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ অন্য থানাগুলো থেকে পিছিয়ে পরছে। এন.হুসেইন রনী /জেসি


