বাংলাদেশ জাতীয়াতাবাদী দল বিএনপির সহ-আন্তজার্ন্তিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ বর্তমান সময়ে নারায়ণগঞ্জ বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনলোর পরিচালক হিসেবে জানান দিয়েছেন। তার প্রভাব প্রতিপত্তের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে বিএনপির রাজনীতি করছেন। কারণ তার আস্থাভাজন হতে পারলেই কমিটি শীর্ষ স্থানীয় পদসহ তার পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা মেলে।
যার কারণে তারা সংসদীয় আসন রাজনৈতিক এলাকা আড়াইহাজার থাকা সত্ত্বেও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিতেও ছরি ঘোরান। যেটা নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় ফের জানান দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় তার প্রভাব প্রতিপত্তের জানান দিতে গিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটান নজরুল ইসলাম আজাদ। তবে এই সংঘর্ষে আজাদের আস্থাভাজন তল্পিবাহকরা নেতৃত্ব না দিলেও সংঘর্ষের সূত্রপাত থেকে ব্যাপক ভূমিকা নিয়েছে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ।
কারণ নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের নতুন কমিটি আসার গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে আজাদের নেতৃত্বে থাকা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তুকে ও সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজলকে টপকে আজাদের আস্থাভাজন হতে সংঘর্ষের সূত্রপাত থেকে হতে শেষতক বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে আজাদ।
মঙ্গলবার ২৩ মে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয় শহরের খানপুরে ৩০০ শয্যা হাসপাতাল রোডে এই কর্মসূচিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। তবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির প্রথম থেকেই সাংঘর্ষিক রূপ নিতে থাকে। প্রথম দিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নির্দেশে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ মহানগর যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম জোসেফের এক সমর্থককে ধাক্কা দিয়ে সড়ানোর চেষ্টা করেন।
সেখান থেকেই যুবদল নেতা শাহেদ ও জোসেফের ব্যাপক তর্ক বিতর্ক হয়ে সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্ট হয়। একপর্যায়ে মহানগর যুবদল নেতা শাহদের অধীনে থাকা মহানগর ছাত্রদল নেতারা যুবদল নেতা জোসেফের কর্মীদের উপর চড়াও হন। তবে যুবদলের এই দুই নেতার সাংঘর্ষিক অবস্থার মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারা অনুকূলে আনে। কিন্তু উক্ত কর্মসূচির প্রধান অতিথি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যানারে দাড়ানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির সহ-আন্তজার্ন্তিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও বিএনপি নেতা মাহমুদুর রহমান সুমন তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক হট্রগোল সংঘর্ষের সৃষ্ট হয় সুমনের কর্মী সমর্থকরা আজাদের দিকে তেড়ে যান।
সেসময় আজাদের তল্পিবাহক হিসেবে বিভেচিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তুকে ও সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজলকে আজাদের হয়ে সুমনের সমর্থকদের সাথে বাকবিকন্ডতা ও হট্রগোল সংঘর্ষে লিপ্ত না হলেও নজরুল ইসলাম আজাদের একান্ত আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে জাহির করতে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ বাকবিকন্ডতা ও হট্রগোল সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
হঠাৎ আচমকা শাহেদের ভূমিকা নিয়ে মহানগর যুবদলের রাজনীতিতে নতুন মোড় নিয়েছে। কারণ নজরুল ইসলাম আজাদ গ্রেফতার থাকাকালে বিক্ষোভ মিছিল করেন সে বিক্ষোভ মিছিলে যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তুকে ও সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল পুলিশের ভয়ে মিছিল সমাপ্ত করলে ব্যাপক সমালোচনা হয় আজাদ নিয়ন্ত্রিত মহানগর যুবদলের এই দুই নেতার।
কিন্তু তাদের ব্যর্থতার সুযোগ নিতে মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় শাহেদ আজাদের আস্থাভাজনের ভূমিকা পালন করছেন। মূলত নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের নতুন কমিটি আসার গুঞ্জন কেন্দ্র করে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহেদের এমন কান্ড ব্যাপক আলোচিত হয়েছে মহানগর যুবদলের রাজনীতিতে।


