# কমিটি গঠনে দুজনের মধ্যেই আলাপ-আলোচনা চলছে : আনোয়ার হোসেন
কখনো বিভক্তিতে কখনো সমন্বয়ে থেকে এমন খেলায় মেতে থেকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ খোকন সাহা নেতৃত্বের ১০ বছরে অতিক্রম করছে। তাদের বিভক্তি সমন্বয়হীনতার কারণে সম্মেলনের পরও পূর্ণাতা দিতে পারেনি মহানগর আওয়ামীলীগের ইউনিট কমিটি। কারণ তাদের দ্বিধাদ্বন্দ্ব রোষানলের কারণে এখনো পূর্ণতা পায়নি মহানগরের ওয়ার্ড কমিটি।
এতে করে হতাশায় ভুগছে মহানগর আওয়ামীলীগের ওয়ার্ডের নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা। কারণ নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগে আজব সম্মেলন করে এখনো নেতৃত্ব প্রদানে ব্যর্থতার কোটায়ই রয়ে গেছেন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক।
তবে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে তাদের সাম্প্রতিক সময়ের নানাবিধ কর্মকান্ডের জবাবদিহিতার জন্য কেন্দ্রে তলব হলে এরপরই তাদের টনক নড়ে ওঠে। পরবর্তীতে কেন্দ্রে অত্যান্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে ভোল পাল্টিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তির প্রতিবাদ মিছিল থেকে ঐক্যে ফিরেন এই দুই নেতা। কিন্তু তাদের ঐক্যে দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় থাকা ওয়ার্ডের নেতারা প্রত্যাশায় পূরণে আশায় থাকলেও নীরবে নিভৃতে রয়েছেন মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ দুই নেতা।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮ মে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকগণ নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহাকে ঢাকায় তলব করেন। মূলত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সার্বিক কার্যক্রমের অবস্থান সম্পর্কে জবাবদিহিতার জন্য তাদেরকে তলব করা হয়।
পরবর্তীতে দলীয় নীতি নির্ধারকগণ সাংগঠনিক কারণে তাদের কেন্দ্রে তলব করেননি। কিন্তু তাদের দ্বিধা দ্বন্দ্ব চলমান থাকলে ফের তলব হওয়ার শঙ্কা থাকায় সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা সকল দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে তাদের কৌশলগত কারণে ২২মে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবাদ মিছিল থেকে ঐক্যে ফিরেন।
কিন্তু কৌশলগত কারণে ঐক্যে ফিরলেও নীরবে নিভৃতে রয়েছেন। তাদের ঐক্যে মহানগর আওয়ামীলীগে ফের যে ইস্যুটি আলোচনায় আসছে সম্মেলন পরও নেতৃত্ব অপূর্ণ থাকা ওয়ার্ড কমিটিগুলো পূর্ণতার বিষয়টি। কিন্তু তাদের নিশ্চুপ গুমোটভাব মহানগর আওয়ামীলীগের বেশকয়েকজন নেতার কাছে সন্দোহজনক কারণ তাদের মতে, সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মহানগর আওয়ামীলীগকে ফের নয়া কৌশলে প্রবাহিত করতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জানা গিয়েছিল, ১৮ মে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকগণ কেন্দ্রে তলব করলে জবাবদিহিতা স্বরূপ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মূলত পূর্ণাঙ্গ ওয়ার্ড কমিটি কেন্দ্রে পেশ করতেন। কারণ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক উভয়ই আলাদা আলাদা ভাবে খসড়া কমিটি তৈরী করছেন।
কিন্তু তাদের দ্বন্দ্ব বিভক্তির কারণে একত্রিত হতে পারছিলেন না কমিটিও পূর্ণতা পাচ্ছিল না। কিন্তু কেন্দ্রে তলবে দ্বন্দ্ব বিভক্তির অবসান ঘটিয়ে ঐক্যে ফিরছেন সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। যার কারণে ওয়ার্ডে নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা শীঘ্রই নেতৃত্বে আসার প্রত্যাশা করছেন।
তবে ওয়ার্ডের নেতৃত্বের বিষয়ে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের ভাষ্যমতে জানা যায়, কমিটিগুলো গঠনের ক্ষেত্রে আমাদের দুজনের মধ্যেই আলাপ আলোচনা চলছে যাচাই বাছাই চলছে। এন.হুসেইন রনী /জেসি


