কাশিপুরে রাস্তার বেহাল অবস্থায় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৩, ১১:২৭ এএম
# আমাকে বিরক্ত করবেন না : সাইফউল্লাহ বাদল
কাশিপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডে মধ্য নরশীংপুর এলাকার যাতায়াতের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। বৃষ্টি হলেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় আশেপাশে বসবাসরত মানুষদের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তাগুলোতে ছোট-বড় খানা-খন্দে ভরপুর।
একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে কাদা ও গর্তের সৃষ্টি হয়। এতে করে গাড়ি চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। এই পানি নিষ্কাশনের জন্য সেখানে কোনো ড্রেনের ব্যবস্থা নেই, যার কারনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের। বিভিন্ন মালবাহী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলের কারনে রাস্তাটি বড় বড় খানা-খন্দে পরিনত হয়েছে। দির্ঘদিন ধরে রাস্তাটি এমন বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।
এতে করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানগাড়ি আরোহীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয় সবসময়। একটু ভাড়ি মাল থাকলে গাড়ি উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা। বর্তমানে সামান্য বৃষ্টিতে যে পরিস্থিতি, রাস্তা দিয়ে কোনো এম্ভুলেন্স নেওয়া আনাও সম্ভব না। এলাকাবাসির অভিমত, রাস্তাটি বহুবার মেরামত করার পরেও এমন অবস্থা, ভালোভাবে ঠিক করলে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হতো না।
স্থানিয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়। এই পানি ৩-৪ দিন থাকে আবার ঠিক হয়ে যায়। রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় থাকার পরও প্রতিদিন ঝুকিঁ নিয়ে এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভারি যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া এই পানি নিষ্কাশন হওয়ার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। এলাকার মেম্বাররাও এই বিষয়ে তেমন একটা তদারকি করে না।
তারা আরো জানান, এরকম অবস্থায় পানিতে ভেসে আসা ময়লা আবর্জনা মিশে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়। রাস্তার এই বেহাল পরিস্থিতিতে চরম বিরম্বনায় পরতে হয় চলাচলকারী যাত্রি ও চালকদের। দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বেশ।
নরসিংহপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, দির্ঘদিন যাবৎ এখানে বসবাস করছি, কিন্তু এই সমস্যার কোনো পরিবর্তন দেখলাম না। তারা ইটের সুরকি ফেলে রাস্তা মেরামত করে, আবার কয়েক মাস না যেতে যেতেই আগের মতো পরিস্থিতি। বর্ষাকাল আসলে আরো কতো সমস্যা পোহাতে হবে।
এই বিষয়ে ওয়ার্ড মেম্বারদের জানিয়েও বা কি করার আছে যদি ভোগান্তিই না কমে। এ বিষয়ে কাশিপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এম সাইফউল্লাহ বাদলকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আপনি আগে ভালো করে পরিদর্শন করেন, না দেখে অযথা আমাকে বিরক্ত করবেন না বলে তিনি ফোনটি কেটে দেন। এন. হুসেইন রনী/ জেসি


