# পদ বাণিজ্যে মহানগর যুবদলকে বেকায়দায় ফেলেছে
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজলের বিতর্কিত নেতৃত্ব নিয়ে প্রায়শই বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে হুলস্থুল চলে। তারা শুধু একের পর এক বিতর্কই জন্ম দেননি সংগঠনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের পদায়নের পিছনের থাকা নাটের গুরু নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাহুগ্রাস খ্যাত বিএনপির সহ-আন্তজার্তিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদেরও ছায়াও হারাতে বসেছেন।
কারণ নজরুল ইসলাম আজাদ গ্রেপ্তার হলে তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের ভয়ে ভীতুর পরিচয় দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল তড়িগড়ি করে শেষ করেন। এমনপি মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় রোষানলে পড়লে আজাদ তাকে সেইফ করতে ছিল তাদের ভূমিকা নড়বড়ে। তবে আজাদ তাদেরকে দ্বারা শীর্ষ পদের মাধ্যমে মহানগর যুবদল প্রতিষ্ঠিত করলেও মহানগর যুবদলে আজাদের মিশনকে পূর্ণতা দিতেও ব্যর্থ হয়েছেন। যার কারণে আজাদের মিশনকে সম্পূর্ণ ফ্লপ মিশনে পরিণত করেছেন মন্তু-সজল।
সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সুপার ফাইভ কমিটি গঠনের পর থেকেই একের পর এক বিতর্কই সৃষ্টি করেছেন আহ্বায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল। কারণ এক বছরের অধিক সময় অতিক্রম করে মহানগর যুবদলের কোন ইউনিট কমিটি গঠন করতে পারেনি। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের কমিটিকে কেন্দ্র থেকে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার লক্ষ্যে খসড়া কমিটি কেন্দ্র জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে খসড়া কমিটি তৈরী করতে গিয়ে বরাবরই মন্তু-সজলের বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠে।
পরবর্তীতে ৮১,৭১,৩১ বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনেও ব্যর্থ হয়। এছাড়া এক বছরের অধিক সময় অতিক্রম করে মহানগর যুবদলের কোন ইউনিট কমিটি গঠন করতে পারেনি। যত বারই ইউনিট কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সেখানে নেতা নির্বাচন করতে গিয়ে নেতাদের পদের প্রলোভন দেখিয়ে আর্থিক লেনদেনের অফার করা হলে ফের মহানগর যুবদলে বিতর্ক সৃষ্ট হয়ে ইউনিট কমিটিও গঠন করতেও ব্যর্থ হয়ে পড়েন মন্তু-সজল।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের পদায়নের পিছনে থাকা মূল কারিগর বিএনপির সহ-আন্তজার্তিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদেরও আস্থা হারাতে বসছেন। ৯ মে নজরুল ইসলাম আজাদ গ্রেপ্তার হলে বিক্ষোভ মিছিল করতে গিয়েও ব্যর্থতার পরিচয় দেন। কারণ বিক্ষোভ মিছিলের সময় পুলিশ দেখেই বিক্ষোভ মিছিল তড়িগড়ি করে সমাপ্তি করেন।
এছাড়া ২৩ মে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পদযাত্রায় নজরুল ইসলাম আজাদের সাথে সুমন পন্থী নেতাদের রোষানলে পড়লে আজাদকে সেইফ করতে ব্যর্থ হয় মন্তু-সজল ছিলেন নীরব ভূমিকায়। কিন্তু মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু মূলদ আজাদের হাত ধরেই মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক থেকে মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক পদের খায়েশ মেটান। তবে মহানগর যুবদলের নেতৃত্বে আসার পর আজাদের নাম বিক্রি করে শুধু মাত্র বিতর্কেই জড়িয়েছেন যুবদলে আজাদের মিশন পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।
এছাড়া মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল মূলদল বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে আজাদের আশির্বাদে মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব হোন। তবে মূলদল থেকে যুবদলে এসে যুবদলকে কিছুই দিতে পারেনি সজল। মূলদল বিএনপি থেকে এসে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলে বিশাল একটি নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আশা ছিল নেতাকর্মীদের এবং সকলের সাথে সমন্বয় করে নতুন ধরণের রূপরেখা নতুন ধরণের অবস্থান সৃষ্টি করার সুযোগ ছিল সজলের।
তবে সে তা না করে পদ বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে মহানগর যুবদলকে বেকায়দায় ফেলেছে। এছাড়া নজরুল ইসলাম আজাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেই নিজেকে পরিচিতি করেছেন। কিন্তু মহানগর যুবদলে নজরুল ইসলাম আজাদের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা সমর্থক বাড়াতেও সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। যার কারণে মহানগর যুবদলে আহ্বায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সজল মহানগর যুবদলে আজাদের মিশনকে ফ্লপ মিশনে পরিণত করেছেন। এস.এ/জেসি


