উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে খোকন ভোটের দিকেই হাঁটছে জেলা বিএনপি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৩, ০৬:৫৩ পিএম
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির রাজনৈতিক দ্বারা আরো সুষ্ঠু রাজনীতির মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষে অতি শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা বিএনপির সম্মেলন। এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা যাচ্ছে অনেকটাই উজ্জ্বীবিত ভাব। যার মূল কারণ হচ্ছে দীর্ঘদিন পর নিজস্ব ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচিত করবেন।
সেই লক্ষ্যেই জেলা বিএনপি বর্তমানে ভোটের পিছনে হাঁটছেন। সেই কারণে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক প্রার্থী গোলাম ফারুক খোকনের কপালে দেখা যাচ্ছে চিন্তার ভাঁজ। জানা গেছে, এই খোকন চেয়েছিলেন জেলা বিএনপির সম্মেলনে যাতে নির্বাচনের মাধ্যমে যাতে নেতা নির্বাচন করা না হয়।
কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দরা যাতে জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ককে সভাপতি ও সদস্য সচিবকে সাধারন সম্পাদক করে পূর্নাঙ্গ কমিটির ঘোষণা দেওয়া দেয়। কিন্তু ইউনিটের সকল নেতাকর্মীদের মর্জি ছিল দীর্ঘ বছর পর এই প্রথম নিজস্ব ভোট প্রয়োগের মাধ্যমেই পছন্দের নেতা নির্বাচন করা। যার ফলে সাধারন সম্পাদক পদ নিয়ে নানা সংশয় সৃষ্টি করছে গোলাম ফারুক খোকন।
ইতিমধ্যে জানা গেছে, সাধারন সম্পাদক পদে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজন চান সকল নেতাকর্মীদের ভোটে যাতে নেতা নির্বাচিত হয়। কিন্তু খোকন একাই চাইছে যে কোনভাবেই যাতে ভোট প্রয়োগ বন্ধ করা হয়। সেই লক্ষ্যে নানা কার্যকালাপ করার চেষ্টা করেছে এই খোকন। কিন্তু সকল নেতাকর্মীদের উর্ধ্বে যাওয়া অনেকটাই ব্যর্থ তিনি প্রায়।
ইতিমধ্যে আবার নির্বাচনের তফসিল ও ঘোষণা করেছে জেলা বিএনপি। যার ফলে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে উঠেছেন খোকন। তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছে, ভোটাভুটি বন্ধে বর্তমানে যেভাবে মরিহা হয়ে উঠেছে খোকন তা মানা যায় না। বর্তমানে বিরোধী দল বিএনপি যার কারণে নানা মামলা-হামলা ও সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে নানা বাধার সম্মূখীন হতে হচ্ছে তাদের।
যার ফলে বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের গর্জে উঠাতে হবে। সেই লক্ষেই এবার নেতাকর্মীদের মন মজির্ং অনুযায়ী ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার আকাঙ্খা দেখা যাচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৭ জুন জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনকে বাধা দিতে নিজ দলীয় একটি অংশ নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলে সম্মেলনে নেতা বাছাইয়ের নির্বাচন হলেও বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মতো নির্বাচন হওয়ার আকাঙ্খা রয়েছে যেমন যে ক্ষমতায় রয়েছে।
তারাই সুফল ভোগ করে যাবে আর বাকিরা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বে ও চেয়ে চেয়ে দেখবে। জানা গেছে, বর্তমানে যতগুলো ইউনিটে কমিটি গঠন করেছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সকল কমিটির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেই জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুকের স্বাক্ষর রয়েছে। তার মানে তিনি সেই কমিটিকে সমর্থন করেছেন।
তাহলে তো সেই কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া সকলেই তার আস্থাভাজন হিসেবেই থাকছেন। তাহলে তাদের হাতে ভোট পেয়ে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচন হতে এতো ভয় কেন খোকনের এমনই প্রশ্ন বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের মুখে মুখে প্রকাশ পাচ্ছে। এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিশ্চুক জেলা বিএনপির আওতাধীন কিছু সংখ্যক নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী জানা গেছে, বর্তমানে গিয়াস সাহেব জেলা বিএনপির রাজনীতিকে স্বচ্ছ রাজনীতিতে পরিনত করেছেন।
কিন্তু তারই সদস্য সচিব খোকন বর্তমানে সাধারন সম্পাদকের পদের লোভে নেতাকর্মীদের ভোটের অধিকার হরনের রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। তার ধারনা সুষ্ঠু নির্বাচন হলে কোনভাবেই জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক পদে পদায়ন হতে পারবে না।
কিন্তু নেতাকর্মীরা বলছে এবার নির্বাচন হবে যেনে আমাদের মনে রাজনীতি নিয়ে আরো উৎফুল্লতা সৃষ্টি হয়েছে যা বিগত দিনে দেখা যায়নি। সূত্র আরো বলছে, রূপগঞ্জের রাজনীতিতেই বেশি সক্রীয় ভূমিকা পালন করতে পারেনি এই গোলাম ফারুক খোকন তিনি এসি রুমে রাজনীতি করে অবস্থ।
বিগত দিনে উনি যেভাবে উনার রাজনৈতিক গুরু বিএনপির নিবার্হী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর আর্শিবাদে নানা পদের মূল দায়িত্ব ভোগ করে গেছেন। এটা আর নেতাকর্মীরা এখন আর চায় না। নেতাকর্মীদের ইচ্ছা যাকে পছন্দ ও রাজপথের পরীক্ষিত যোগ্য তাকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা হবে। এন.হুসেইন রনী /জেসি


