# শত বাধা ও প্রতিকুলতার পরেও বজায় ছিলো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ
# নেতাকর্মীদের বিপুল উপস্থিতি ও তারেক রহমানের দীর্ঘ বক্তব্য
শত প্রতিবন্ধকতা আর প্রতিকুলতা সত্বেও শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ সফল হয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন। গতকাল সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিলে গিয়াস উদ্দিন মডেল কলেজের মাঠে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। তিনি লন্ডন থেকে ভার্চূয়ালি এই বক্তব্য দেন। সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন সাবেক এমপি আলহাজ্ব মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন গোলাম ফারুক খোকন।
বহু বছর পরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও সম্মেলনটির সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় ছিলো তিনটি। মূলত তিন কারনে সম্মেলনটিকে শতভাগ সাকসেস বলা যায়। ১) সরকারী দলের নানা রকম বাধা প্রদান, প্রোপাগান্ডা এবং অপপ্রচার সত্বেও শেষ পর্যন্ত বেশ শান্তিপূর্ণ ভাবেই সম্মেলনটি সম্পন্ন হয়। ২) সম্মেলনে বিএনপির সকল পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এবং ৩) সম্মেলনে তারেক রহমান দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন এবং তিনি দিকনির্দেশনা দেন যার ফলে তৃনমূল নেতাকর্মীরা বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠেন।
এ সময় তারেক রহমান দলের সর্ব স্থরের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য শপথ করান। ফলে এই সময়ের এই প্রতিকুল পরিবেশেও সম্মেলনটি শতভাগ সফলতা পায় বলে উপস্থিত সকলে মনে করেন। প্রসঙ্গত বহু বছর পরে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। গতকালের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে একেবারে ওয়ার্ড থেকে থানা পর্যন্ত কমিটিগুলি নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়। সবার শেষে জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।
ফলে সাম্প্রতিক সময়ে এসে এই জেলায় বিএনপির আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনিতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির সমর্থন বরাবরই বেশি। তার প্রমান অতীতে বার বার পাওয়া গেছে। অতীতে যখনই জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্টু হয়েছে তখনই এই জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন বলে সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেছেন। তাই এই সময়ে এসেও গতকালের সাম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে তার একটি প্রমান পাওয়া গেলো। গতকাল হাজার হাজার নেতাকর্মীও পদভাওে মুখল হয়ে উঠেছিলো নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির এই সম্মেলন। এস.এ/জেসি


