Logo
Logo
×

রাজনীতি

জেলা বিএনপি’র নয়া নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা

Icon

লিমন দেওয়ান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৩, ০৭:২৬ পিএম

জেলা বিএনপি’র নয়া নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা
Swapno

 

দীর্ঘ ১৪ বছর পর জাঁকজমকপূর্ণভাবে জেলা বিএনপির সফল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলন ঘিরে দেখা গেছে আন্দনময় পরিবেশ ও নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উজ্জ্বীবিতভাব। এছাড়াও জেলা বিএনপির আওতাধীন ১০টি ইউনিট ও জেলা বিএনপি, মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি ও সমর্থনের মাধ্যমে এই জেলা বিএনপির সম্মেলনকে সফল করেছে।

 

জানা গেছে, এই সম্মেলনকে পন্ড করার জন্য সরকার দলীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসন ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে উজ্জ্বীবিত ভাব ও ঐক্যবদ্ধতার কারণে কোন বাধাই কাবু করতে পারেনি বিএনপির নেতাকর্মীদের। তারা সকল বাধাকে উপক্ষো করেই সফল সম্মেলন পালন করেছেন। এই সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্বাচনের কথা থাকলেও দুই পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।

 

আর এই দুই পদে যোগ্য নেতৃত্বের হাতেই জেলা বিএনপি সংগঠনকে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা। এছাড়াও জানা গেছে, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধতা রাখতে ও দলের মধ্যে কোন ভেদাভেদ সৃষ্টি যেন না হয় সেই লক্ষ্যেও সাধারণ সম্পাদকের মনোনয়ন ক্রয় করে মাসুকুল রাজীব তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। একই সংগঠনে দুই নেতার মধ্যে এমন রক্তের ভাইয়ের মতো সম্পর্ক দেখে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মনোবল আরো শক্ত হয়েছে।

 

এমনকি এই সম্মেলন ঘিরে দেখা যায়নি কোন বিশৃঙ্খলা হয়নি কোন হট্টগোল শান্তিপূর্নভাবেই জেলা বিএনপির সম্মেলন হয়েছে বলে দাবি নেতাকর্মীদের এছাড়াও তারা বলছে, জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াসউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক খোকনের নির্দেশেই সম্মেলনে এই শৃঙ্খলা দেখা গেছে। এমনকি এই দুই জনের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির সংগঠনে যে চেইন অব কমান্ড সৃষ্টি হয়েছে। যা বিগত দিনে জেলা বিএনপির সংগঠনে দেখা যায়নি।

 

আর যে হারে ১০টি ইউনিটে বেঁছে বেঁছে যোগ্য নেতাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে যার কারণে সুসংগঠিত হয়েছে সংগঠনটি। যার পরিপ্রেক্ষিতেই দীর্ঘ বছর পর এই সম্মেলন হয়েছে ও ব্যাপকভাবে সফল হয়েছে। আর কয়েকদিনের মধ্যেই কমিটি পূর্নাঙ্গ করা হবে এতে করে জেলা বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়ে রাজপথে দূরবার আন্দোলন গড়তে পারবে।  

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে জেলা বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তৈমূর আলম খন্দকার। ওয়ান ইলেভেনের সময় সংস্কারবাদী হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল করিমের নাম আলোচনায় থাকায় ২০০৯ সালের ২৫শে নভেম্বর শহরের আলী আহমেদ চুনকা পৌর মিলনায়তনে জেলা বিএনপি’র সর্বশেষ সম্মেলনে তাকে বাদ দেয়া হয়। সর্বশেষ সম্মেলনে তৈমূর আলম খন্দকারকে সভাপতি ও কাজী মনিরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধরণ সম্পাদক করা হয়।

 

কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছরেও তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি। যার ফলে ২০১৭ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামানকে সভাপতি ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন জেলা কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি আলোর মুখ না দেখায় সাড়ে ৩ বছর পর জেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে ২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর কেন্দ্র থেকে পুনরায় এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে আহ্বায়ক ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সদস্য সচিব করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেয়া হয়।

 

নির্দেশনা ছিল ৩ মাসের মধ্যে থানা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি গঠন করতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও এই আহ্বায়ক কমিটি সবগুলো ইউনিট কমিটি গঠনের কাজ শেষ করতে পারেনি। এরমধ্যে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র নির্বাচন করায় তৈমূর আলমকে আহ্বায়কের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয় মনিরুল ইসলাম রবিকে।

 

দুই বছরের মাথায় একই বছরের ১৫ই নভেম্বর মনিরুল ইসলাম রবি ও মামুন মাহমুদের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিয়ে কেন্দ্র থেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম ফারুক খোকনকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্যবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। যার পর পরই জেলা বিএনপির সংগঠনে একটি ব্যাপক পরিবর্তন দেখা গেছে। যা বিগত কয়েকটি কমিটি আসলেও দেখা যায়নি।

 

কিন্তু গিয়াস ও খোকনের নেতৃত্বে জেলা বিএনপি ব্যাপকভাবে এগিয়ে যাওয়া শুরু করে। আর রূপগঞ্জ উপজেলা, সোনারগাঁ উপজেলা, ফতুল্লা থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাসহ ১০টি ইউনিটে যোগ্য নেতৃত্বদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয়। যার কারণে একের পর এক চমক দেখিয়ে সামনে যাওয়া শুরু করে সংগঠনটি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ১৪ বছর পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ও ব্যাপকভাবে সফলতা লাভ করে। আর এই সম্মেলন আনন্দময় উৎসবের মতো পালন হয়েছে।

 

এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে মুল্যবান বক্তব্যে দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিনি সকল নেতকার্মীদের কিভাবে আরো সামনে এগিয়ে যেতে হবে সেই দিক নির্দেশনা দেন এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির উপর তিনি আস্থা রাখতে পারবেন বলে ও জানান। কারণ বর্তমান যে সভাপতি হিসেবে এসছেন তিনি আর কেউ নয় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ছাত্রদল ও যুবদল থেকে উঠে আসার গোলাম ফারুক খোকন।

 

যারা বিগত দিন থেকেই রাজনীতিকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেই দূরবার আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। আর বর্তমানে ও সকল নেতকার্মীদের সাথে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালনে প্রস্তুত রয়েছে। তাদের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির রাজনীতি ব্যাপক শক্ত অবস্থানে যাবেন। যোগ্য নেতৃত্ব ও সম্মেলন নিয়ে অঙ্গ সংগঠন ও ইউনিটের নেতকার্মীরা জানান।

 

এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম টিটু যুগের চিন্তাকে বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পরে জাঁকজমক সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা বিএনপির নতুন নেতৃত্ব গঠন করা হলো। আমরা অনেকদিন যাবৎই এই সম্মেলন নিয়ে কাজ করেছি সেই লক্ষেই আগামী কাল এটা সফল হয়েছে। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে। আর এই সম্মেলন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির জন্য বিশাল একটি পাওয়া। আর বর্তমানে যাদের নেতৃত্বে জেলা বিএনপি পরিচালিত এখন দল আরো সুসংগঠিত হবে ও আরো এগিয়ে যাবে।

 

এ বিষয়ে আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল আহম্মেদ বলেন, আগামীদের যে আন্দোলন হতে যাচ্ছে এই আন্দোলনের স্বার্থে এই জেলা বিএনপির সম্মেলন সফল করেছে। আর আগামীদেন আমরা আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে দূরবার আন্দোলন সংগ্রামে পরিচালনা করে যাবো।

 

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা যুগের চিন্তাকে বলেন, জেলা বিএনপির এই সম্মেলন ঐতিহাসিক সম্মেলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আর এই সম্মেলন ঘিরে দেখা গেছে নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দময় পরিবেশ। আর সকল নেতাকর্মীদের মাঝে উজ্জ্বীবিত ভাব। আর এই সম্মেলনে শৃঙ্খলার কোন কমতি ছিল না। আর এই সম্মেলনের মাধ্যমে যারা নেতৃত্বে এসেছে তাদের মাধ্যমে জেলা বিএনপি আরো সুসংগঠিত ও দূররবার গতিতে এগিয়ে যাবে।

 

রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন যুগের চিন্তাকে বলেন, জেলা বিএনপির সম্মেলন ঐতিহাসিক সম্মেলন হিসেবে সফল হয়েছে। যা বিগত দিনে কোন নেতৃত্বের মাধ্যমে হতে দেখা যায়নি। আর যে নেতৃত্ব পেয়েছে তারা যোগ্য পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা। আর তাদের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আরো শক্তিশালী হবে।

 

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি যুগের চিন্তাকে বলেন, আগামী ১৭ জুন জেলা বিএনপির যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলন ব্যাপকভাবে শতভাগ সফল হয়েছে। কারণ সেখানে জেলা বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিটের নেতাকর্মীরা সমর্থন দিয়ে এই সম্মেলন সফল করছে। আর আপনারা জানেন যে এতো বড় সম্মেলন হতে নিলে সব সময় নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কিন্তু জেলা বিএনপির সম্মেলন বিশৃঙ্খলার কোন কিছুই দেখা যায়নি।

 

কারণ এই সম্মেলনে সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের সমর্থনেই যোগ্য নেতাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে দেখা যাচ্ছে অতীতের থেকে জেলা বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে আর আগামীতে সকল আন্দোলন সংগ্রামে জেলা বিএনপির আরো ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারবে।

 

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম যুগের চিন্তাকে বলেন, প্রায় ১৪ বছর জেলা বিএনপির সম্মেলন পালিত হয়েছে। যার কারনে আমাদের নেতাকর্মীদের মাঝে একটি উজ্জ্বীবিতভাব আর এইভাবের কারনই হলো বর্তমান জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস ভাই ও খোকন ভাইয়ের হাতে নেতৃত্ব। আর তাদের দুই জনের নেতৃত্বেই আগামী দিনে এই স্বৈরাচারি সরকারের পতন ঘটাতে পারবে ও দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।  

 

জেলা কৃষকদলের সভাপতি ডা. শাহীন আহম্মেদ যুগের চিন্তাকে বলেন, আগামী কাল জেলা বিএনপির যে ঐতিহাসিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটই সম্মেলনের মাধ্যমে ১৪ বছর পর নারায়ণগঞ্জের যে সুফল এটা জেলা বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপভোগ করতে পেরেছে।

 

এটার কারণ হলো কোন বিশৃঙ্খলা হৈ চৈ ছাড়াই সুন্দর একটি পরিবেশে আমাদের প্রোগ্রাম হয়েছে যার কারণে এটা সার্থক এবং সফল হয়েছে। সেই সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জের নেতারা সকল ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ করেছে তা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব মুখে প্রকাশ পায়। বর্তমানে যিনি সভাপতি হয়েছেন তার হস্তক্ষেপে জেলা বিএনপির আওতাধীন সকল অঙ্গ সংগঠন আরো দূরবার গতিতে এগিয়ে যাবে।

 

আর বর্তমানে মূল দলের সকল ইউনিটের নেতাকর্মীরা এখন উজ্জ্বীবিত তা সম্মেলনের দিন সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিতি প্রমান দিয়েছে। আর যে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন গোলাম ফারুক খোকন তিনি তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব দিয়েই তার যোগ্যতায় নিবার্চিত হয়েছেন। তাদের দুই জনের নেতৃত্বে এই জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যাপকভাবে উজ্জ্বীবিত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে আরো ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারবে।

 

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ হাসান ভূঁইয়া যুগের চিন্তাকে বলেন, জেলা বিএনপির সম্মেলন খুবই সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফল হয়েছে। এখানে সকল নেতাকর্মীদের সমর্থন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আর ইতিমধ্যে আহ্বায়ক কমিটি থেকে মুক্ত পেয়ে যারা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে তারা বিগত দিনে বিএনপির লড়াকু সৈনিকের ভূমিকা পালন করে এসেছে। আর বর্তমানে তাদের হাতে জেলা বিএনপির দায়িত্ব তুলে দেওয়া জেলা বিএনপি আরো চেইন অব কমান্ডের মাধ্যমে দূরবার গতিতে এগিয়ে যাবে। এস.এ/জেসি

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন