নানা চড়াই উতড়াই অতিক্রম করে অবেশেষে দীর্ঘদিন পর সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হলো। যার পর থেকেই জেলা বিএনপির রাজনীতির মধ্যে দেখা যাচ্ছে একটি উজ্জ্বীবিত ভাব। এছাড়াও জেলা বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিটগুলোর নেতাকর্মীরা ও ব্যাপক চাঙ্গা।
এমনই সময় সংগঠনটি আরো গতিশীল করার লক্ষে কমিটি পূর্নাঙ্গ নিয়ে ভাবছে নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে কমিটির পূর্নাঙ্গ করার লক্ষ্যে নিয়ে সংগঠনটির মধ্যে একটি আলোচনা দেখা গেছে। ইতিমধ্যে জানা গেছে, জেলা বিএনপির পূর্নাঙ্গ করলে জেলা বিএনপির বিভিন্ন পদে বসতে নেতাকর্মীরর রয়েছে কেন্দ্রের অপেক্ষায়।
এমনকি সংগঠনের সকল পদ নিয়ে কোন আলোচনা না চললে ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ নিয়ে তুমুর আলোচনা দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই পদের দায়িত্ব নিতে যারা আলোচনায় রয়েছেন তারা হলো বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আযহারুল ইসলাম মান্নান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা।
এই দুই পদেই এই পদের দায়িত্ব নিতে যে যার যার মতো করে লবিং করে যাচ্ছে। এখন কে এই দায়িত্বটি পায় এটাই দেখার বিষয়। কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের নেতকার্মীদের দাবি, যাকেই এই পদের দায়িত্ব দেওয়া হোক না কনে সে যাতে দলের পরীক্ষিত ও কর্মী বান্ধব ও ত্যাগী নেতা হিসেবে নেতকার্মীদের কাছে পরিচিত থাকে। এমন একজনকে দায়িত্ব দিলে দল আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে গিয়াস উদ্দিন ও খোকনের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির রাজনীতি অনেকটাই গতিশীল হয়ে উঠেছে। তাদের সাথে মিলেমিশে যারা দলের স্বার্থে কাজ করতে পারবে। আর তাদের মতোই দলের জন্য ভাববে এমনই একজনকে সিনিয়ির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দিলে দল আরো সুসংগঠিত হবে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী জানা গেছে আগামীতে ব্যাপক আন্দোলণ সংগ্রামের মাধ্যমে দলটি রাজপথে নামবে এবং আন্দোলন সংগ্রাম করে এই স্বৈরাচারি সরকারের পতন ঘটাবে। সেই জন্যই তরিগরি করে জেলা বিএনপি কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা অতি জরুরী। ইতিমধ্যে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পেতে বিগত ২০০৯ সালের জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনির ও সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদের সময় থেকে শুরু করে ২০২২ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে ছিলেন সেই নেতা লুৎফর রহমান খোকা।
এমনকি তিনি কুতুবপুর ইউনিয়নের ২ লক্ষের ও অধিক ভোটের সম্মলিত অত্র ইউনিয়নে ৮০% ভোটেরই বিএনপির সমর্থন সেই ইউনিয়নের সকল বিএনপির নেতাকর্মীদের সমর্থনে ইউনিয়নের সাবেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন।
এছাড়াও জেলা বিএনপির সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন তিনি কিন্তু দলের স্বার্থে ও দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধতা করতে তিনি সেই সাধারন সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়ান। বর্তমানে এই নেতা সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে পদায়নের ইচ্ছা পোষন করছেন এমনই নেতকার্মীরা বলে যাচ্ছে। এরমাঝে আরেক বিএনপির পরীক্ষিত নেতা যিনি পুরো সোনারগাঁ বিএনপির নেতাকর্মীদের উজ্জ্বীবিত ও ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। এবং সকল কার্যক্রমে যিনি দলীয় স্বার্থে ঝাঁপিয়ে পরেন সেই জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আযহারুল ইসলাম মান্নান।
কিন্তু নেতকার্মী বলছে দলের জন্য তো পদ বিন্যাস করা জরুরী নয়। এছাড়াও এই দুই নেতাই বিএনপির নেতাকর্মীদেও উজ্জ্বীবিত রাখতে দলের স্বার্থেই কাজ করে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয় এখান থেকে কার হাতে তুলে দেওয়া হয় জেলা বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদটি। এন. হুসেইন রনী/ জেসি


