Logo
Logo
×

রাজনীতি

রাজধানীর বুকে না.গঞ্জ আ.লীগের গর্জন

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৩, ০৮:১৪ পিএম

রাজধানীর বুকে না.গঞ্জ আ.লীগের গর্জন
Swapno

 

# তারা পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায় : দিপু
# পায়ের নিচে মাটি নেই বলে বিদেশিদের কাছে ধর্না দিচ্ছে : আনোয়ার
# প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে : ভিপি বাদল

 

 

 

আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে একদফা আন্দোলনের ঘোষনা রাজধানীতে তারুন্যের সমাবেশ করেছে বিএনপি। তাদের বিপরীতে মাঠ না ছেড়ে শান্তি সমাবেশ নিয়ে রাজপথ দখলে রেখেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। বিএনপি সমাবেশ করেছে পল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে। বিপরীতে আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করেছে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের সামনে। ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দল পাল্টা পাল্টি বড় জমায়েত সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি ব্যপক ভুমিকা পালন করেছে।

 

এদিকে রাজধানী ঢাকার আওয়ামী লীগ বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ রাজনৈতিক বোদ্ধমহলে আলোচনা হচ্ছে। সমাবেশ থেকে দুই দলই এক দফা দাবী তুলেছেন। তা হলো গতকালকের পল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির সমাবেশ হতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবী জানান। অপর দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচন হবে এই মন্তব্য করে এক দফা দাবী তুলেন। তাই দুই দলের এক দফা কর্মসুচি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা হচ্ছে। তবে রাজনীতি বিদদের মতে দুই দলের রাজপথ দখল  নিয়ে পারা পারিতে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকালকের আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে দ্বিখন্ডিত ভাবে জেলা মহানগর আওয়ামী লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন গুলো নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজধানী ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেন। এছাড়া আড়াই হাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে বাইতুল মোকাররমে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যোগদান করেন।

 

একই সাথে আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপুর নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে তিনি যোগদান করেন। সেই সাথে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি প্রার্থী ও সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুমের নেতৃত্বেও মিছিল নিয়ে যোগদান করেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহিদ আদল ওরফে ভিপি বাদলের নেতৃত্বে বিশাল বড় মিছিলি নিয়ে রাজধানী রাজপথে থাকেন।

 

মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজামের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে শান্তি সমাবেশকে সাফল্যমন্ডিত করেন। তাছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবকলীগ পাশাপাশি যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ অন্যান্য সহযোগি সংগঠনের নেতা কর্মীরা ঢাকার শান্তি সমাবেশকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য সর্বাত্বক নেতা কর্মী নিয়ে রাজপথে অবস্থান করেন। বিএনপির নৈরাজ্যকে প্রতিরোধ করার আওয়ামী লীগ তাদের এই শান্তি সমাবেশ করেন।

 

এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু জানান, বিএনপি ২০১৪ এবং সনের নির্বাচনে আন্দোলনের নামে জালাও পোড়াও করেছে। গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন জালিয়ে মানুষ মেরেছে। তারা এখন বাজার গরম করার জন্য মাঠে নেমে বিভিন্ন মন্তব্য করছে। বিএনপি গনতান্ত্রিক দল নয়। তারা পিছনের দরজা দিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় আসতে চান। কিন্তু ক্ষমতার পরিবর্তনের মাধ্যম হলো নির্বাচন।

 

নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই ত্রাা নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেন। তাদের সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে শান্তি সমাবেশের মাধ্যমে দেশের মানুষের জান মালের যেন কোন ক্ষতি না হয় তার জন্য আমরাও সচ্চার রয়েছি। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখবে। তাদের অযুক্তিক দাবীকে মেনে নেয়া হবে না।  

 

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, বিএনপির বিভিন্ন সময় নানা কথা বলেন। তারা গত বছরের ১০ ডিসেম্বরের আগে বলেছে তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ চলবে। তাদের সেই কথা কই গেল। আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদেরও এক দফা দাবী, আর তা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। পারলে বিএনপি ঠেকাক। বিএনপির পায়ের তলায় মাটি না থাকায় বিএনপি বিদেশিদের কাছে র্ধণা দিচ্ছেন। তারা বুঝতে পেরেছে মানুষ এখন বিএনপিকে চায় না। তাদের দাবীতো পুরণ হবেই না বরং আগামী নির্বাচেন শেখ হাসিনার অধীনে হবে। এবং আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে।

 

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো. শহিদ বাদল বলেন, স্বাভাবিক ভাবে আমাদের দেশে ৫ বছর পর পর নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়। কিন্তু বিএনপি তৈরী হয়েছে আগুন সন্ত্রাসীর মাধ্যমে। তারা মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে। তারা দেশে বিশৃঙ্খলা করতে চায়। তাদের দাবীকে আমরা মেনে নিবো না। উল্টো তাদের দাবী প্রত্যাখান করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে। এটা মেনে বিএনপির উচিৎ মানুষের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়া। তবে তাদের যে কোন ষড়যন্ত্রকে দেশের মানুষকে নিয়ে আমার প্রতিহত করবো।

 

মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবিব জানান, বিএনপি কত দাবীইত জানান। কিছু দিন আগে তারা ১০ দফা দাবী জানিয়েছেন, তার আগে ২৭ দফা, এখন আবার এক দফা। তাদের দাবীর শেষ নেই। তারা যেমন এক দফা দিয়েছে আমরাও শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে দাবী জানিয়ে এক দফা দিয়েছি। জনগন যাদের সাথে থাকবে তারাই মানুষের ভোটে নির্বাচিত হবে। আমাদের সাথে জনগণ রয়েছে। তার প্রমান হলো গতকালকের শান্তি সমাবেশ লক্ষ মানুষের মহাসমাবেশে পরিনত হয়েছে। বিএনপির দাবী কোন ভাবে পুরণ হবে না। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন