ধামগড়ে কোন বিতর্কিত নেতৃত্ব দেখতে চান না তৃণমূল আ’লীগ
লতিফ রানা
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৩, ০৮:২৭ পিএম
খুব শীঘ্রই ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণা হতে যাচ্ছে বলে বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সম্পন্ন করার জন্য গত জুন মাসের ১২ তারিখকে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ঘোষণা করলেও তা আর করা সম্ভব হয়নি।
এরই মধ্যে কাউন্সিলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের জন্য প্রার্থী হতে ইচ্ছুক নেতারা দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগসহ প্রত্যেকের সাধ্যমতো নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ রাখাসহ চেষ্টা তদবীর করে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় একাধিক সূত্র। এরই মধ্যে এই দুটি পদের জন্য ৬ জনের নাম শোনা যাচ্ছে। এরমধ্যে সভাপতি পদের জন্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল আউয়াল বাচ্চু ও মনির মাষ্টার প্রার্থী হওয়ার তালিকায় আছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীর তালিকায় বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুস সোবান মেম্বার, আওয়ামী লীগ নেতা রোমান হোসেইন ও শরিফ হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। তাই সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কাদেরকে নির্বাচিত করা যায় সেই বিষয় নিয়ে সম্মেলনের কাউন্সিলরদের মধ্যে চলছে আলোচনা সমালোচনাসহ চুলচেরা বিশ্লেষণ।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে তারা যুগের চিন্তাকে জানান, বন্দর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ধামগড় ইউনিয়ন হলো আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ঘাটি। স্থানীয় আওয়ামী লীগের উপরের সারির একাধিক পদসহ জেলা ও মহানগর পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত আছেন এখানকার আওয়ামী প্রেমীরা। অথচ এখানে আওয়ামী লীগের কর্মকান্ড ও তৎপরতা সেই তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে।
ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে বর্তমানে দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগী নেতারা আছেন বেকায়দায়। তাদের মূল্যায়ন ও গুরুত্ব অনেকটাই কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে এখানে হাইব্রিড ও কাউয়া মার্কা নেতারাই সুবিধা ভোগ করছেন বলে তৃণমূল থেকে প্রায়ই অভিযোগ আসে।
এতে একদিকে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে একই সাথে ইউনিয়ন নেতাদের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কোন্দল। যে কারণে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পদটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকা সত্তে¡ও দলীয় অর্থলোভী, স্বার্থপর ও বেঈমানদের কারণে এই পদটি হাত ছাড়া হয়ে যায়। তাই এবার নেতা নির্বাচনে ধামগড় আওয়ামী লীগ প্রেমিকদের আরও সচেতন হবে বলে মনে করেন তৃণমূল।
তাই এবারের কাউন্সিলের মাধ্যমে কোন বিতর্কিত, হাইব্রীড এবং কাউয়া মার্কা লোক যেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে না পারেন সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অভিমত। এন. হুসেইন রনী /জেসি


