Logo
Logo
×

রাজনীতি

হামলায় নেতাকর্মীরা আরো উজ্জ্বীবিত হয় দাবি বিএনপির

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৩, ০৯:২৫ পিএম

হামলায় নেতাকর্মীরা আরো উজ্জ্বীবিত হয় দাবি বিএনপির
Swapno

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বর্তমানে দফায় দফায় ব্যাপক বাধা উপক্ষো করে ও আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সেই ধারবাহিকতায় ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের অনেকটাই উজ্জ্বীবিত করছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে দফায় দফায় হামলা ও মামলার পরে ও হাজারো নেতাকর্মী আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পরছেন।

 

 

ইতিমধ্যে ২১ দিনে ব্যবধাে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের দুইবার সংঘর্ষ হয়েছে। এর আগে গত ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেখানে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু পুলিশের গুলিতে তার চোখ হারায়।

 

 

সেই সাথে প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছিলেন এমনকি অনেক নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দলকে আরো শক্তিশালী করার দিকে লক্ষ্যে করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যা নিয়ে বর্তমানে উত্তপ্ত রয়েছে বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গন।

 

 

সেটার রেশ কাটতে তা কাটতে (গত ১৯ আগষ্ট) নারায়ণগঞ্জ জেলা পদযাত্রা কর্মসূচি পালনকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ টিয়ারশেল ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এতে প্রায় দশের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

 

আহতরা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ হাসান, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী আলামিন মোল্লা, আড়াইহাজার মাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মনির হোসেন সরকার, ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলনমহ আরো অনেকেই।

 

 

দফায় দফায় এমন পুলিশ ও সরকার দলীয় নেতৃকার্মীদের হামলাও মামলাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আরো উজ্জ্বীবিতভাব কাজ করছে। যার কারনে বুঝা যাচ্ছে কোনভাবেই যতই গুলি করা হোক না কেন জাতীয়বাদী দলের নেতাকর্মীদের দাবিয়ে রাখা সম্ভব হবে না এমনটাই দাবি রয়েছেন দলটির নেতৃবৃন্দের।

 

 

এছাড়া ও তারা বলছে ইতিমধ্যে দলের র্ভারপাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। আর বর্তমানে দেশের জনগণসহ সকলের আশাবাদী এই সরকারের সময় আর বেশিদিতন বাকি নেই যার প্রতিক‚লে নেতাকর্মীরা হামলায় বর্তমানে আরো উজ্জ্বীবিত হয়ে মনোবল না ভেঙ্গে রাজপথে ব্যাপকভাবে রয়েছেন।
 

 

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা গতকাল কাচঁপুর ব্রীজে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবীতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করতে আসলে আমাদের উপর আওয়ামী লীগের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালাতে চায় পরবর্তীতে তারা ব্যর্থ হয়ে পুলিশ দিয়ে আমাদের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির উপর হামলা চালায়।

 

 

সেই হামলায় প্রায় একশোর অধিক নেতাকর্মী আমাদের আহত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আমরা বলতে চাই এই গুলি চালিয়ে হামলা-মামলা করে এই জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীদের দাবিয়ে রাখা সম্ভব না। আপনারা দেখেছেন যে ইতিমধ্যে আমার সহযোদ্ধা ফতুল্লা থানা বিএনপি সংগ্রামী সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু অবস্থান কর্মসূচিতে তার চোখ হারিয়েছে।

 

 

তার ও কিন্তু আমাদের কোন নেতাকর্মী থেমে যায়নি আর এমনকি আমাদের নেতারা বর্তমানে উজ্জ্বীবিত কারণ দেখেন আজকে প্রায় ১০০ ডিগ্রির উপরে জ¦র নিয়ে ও কিন্তু আমাদের নেতা বিএনপির কার্য নিবার্হী সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভ‚ইয়া আমাদের পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।

 

 

এমনইভাবে সকল নেতারা নানা বাধা উপেক্ষাকরেই আমাদের কর্মসূচি সফল করতে যেমন রাস্তায় নামে তেমনইভাবে হেমি লিয়নের বাশিঁ ওয়ালার মতো বর্তমানে সকল নেতাকর্মী ছুটে আসে। সেই লক্ষে আমরা বলতে চাই আগামীতে আমাদের সকল পোগ্রামে জনসমুদ্র সৃষ্টি হবে। আর সামনে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত।

 

 

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম যুগের চিন্তাকে বলেন, গতকালের কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের হামলায় প্রায় আমাদের শতাধিক নেতাকর্মী গুরত্বর আহত হয়েছেন। আমরা বর্তমানে এই সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে আন্দোলন তা আমরা করে যাচ্ছি। সেই ধারবকাহিকতায় আমাদের সাথে দেশের হাজার হাজার জনগণ অংশগ্রহন করছে।

 

 

আর গতকাল পুলিশ দফায় দফায় আমাদের উপর হামলা করেছে ব্যাপক নির্যাতন করেছেন। তার পরে ও আমাদের নেতাকর্মীরা আমরা মনোবল হারায় নি। আর আগামী দিনে আমাদের আন্দোলনের যে নতুন মাত্র যোগ হবে। আর আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের যে দিক নির্দেশনা দিবেন আমি মনে করে সেখানে আমাদের সাথে দেশের সাধাণ মানুষ আরো অংশ গ্রহণ করবে আর আন্দোলন আরো বেগভান হবে। এখানে পিছপা হওয়ার কোন পদ নেই।

 

 

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি যুগের চিন্তাকে বলেন, গতকালের পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে আমাদের যুবদলের প্রায় ৪৯ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আর গতকাল জেলা বিএনপির পথযাত্রায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজারের মতো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে যুবলীগ, ছাত্রলীগ আমাদের প্রতিহত করার চেষ্ঠা করেছে। কিন্তু না পেরে তারা পালিয়ে গিয়েছেন।

 

 

আর পুলিশ দিয়ে  আমাদের উপর হামলা করিয়েছে তার পরে ও কিন্তু আমরা কোনভাবেই পিছপা হয়নি। যার কারণে বুঝা গেলো বর্তমানে রাজপথ বিএনপির দখলে, আর এই রাজপথ আওয়ামী লীগ কখনো দখল করতে পারবে না। বর্তমানে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে। অনেক নেতকার্মী বর্তমানে আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে যাচ্ছে তারা পদত্যাগ করছে।

 

 

করে তারা কেউ ভালো হয়ে যাচ্ছে কেউ দেশের বাহিরে চলে যাচ্ছে, কেউ ব্যবসা বানিজ্যে নিয়ে ব্যস্ত আছে আর তারা অঙ্গিকার করেছে যে তারা আর আওয়ামী লীগ করবে না। সেই ধারবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জের ও একই গতি সবাই বাড়ি দেশ ছেড়ে পালনোর অপেক্ষায় আবার কেউ পদত্যাগের অপেক্ষায়। বর্তমানে আমরা বলতে চাই একটাই কথা নারায়ণগঞ্জের রাজপথ বিএনপির দখলে।

 

 

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের রহমান জিকু যুগের চিন্তাকে বলেন, আমাদের জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ ভ‚ইয়াসহ আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আর আমরা এই কাঁচপুরের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিতে যখন আসি রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতকার্মীদের উপর হামলা করা হয়েছে।

 

 

আর কাচঁপুরে হামলার পরে সর্বপ্রথম এই ছাত্রদলই শ্লোগান দিয়ে আবার রাজপথে নামে আর আমাদের সাথে সাথে সকল নেতাকর্মীরা রাজপথে নামার সাহস পায়। আর বর্তমানে যে আমাদের উপর হামলা হচ্ছে সেটাকে আমরা বয় পাই না। কারণ ১৫ বছরে ও হামলা মামলা করে আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারেনি আগামীতে ও পারবে না। যত হামলা তত প্রতিরোধ।   এন. হুসেইন রনী   /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন