# অশ্লীল কথা বললে জিভ কেটে ফেলবেন : খোকন সাহা
# আ.লীগ ভোট চোর : জয়নুল আবেদীন ফারুক
# বিএনপিরা কী বলে নিজেরাও বুঝতে পারেন না : ভিপি বাদল
আগামী নির্বাচন ঘিরে রাজপথ আন্দোলনের সাথে কথার লড়াইয়েও কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। দুই দলের রাজনীতিবিদরাই রাজপথে সক্রিয় ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন। বিএনপি চাচ্ছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য। তাদের বিপরীতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ চাচ্ছে বিএনপির আন্দোলনকে ঠেকিয়ে তারা আবারও ক্ষমতায় থাকতে। এজন্য বিএনপির সাথে একই দিনে আওয়ামী লীগ সভা নিয়ে ব্যাপক কর্মী সমাবেশ ঘটিয়ে বিএনপির মাঝে ভীতি তৈরী করে রাখে।
এদিকে শনিবার নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কালোপতাকা মিছিলে প্রধান অথিতির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা নাকি মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের লোক, আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। রাতের ভোটে আপনারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আবার শুরু হয়েছে। গাড়িতে আগুন দিবেন আপনারা, বোমা ফাটাবেন আপনারা, চাইনিজ রাইফেল দিয়ে গুলি চালাবেন আপনারা, আর নাম দিবেন বিএনপির, এটা চলবে না।
অপরদিকে বিএনপির এই নেতার বক্তব্যকে আওয়ামী লীগের নেতারাও কোন ভাবে ছেড়ে দেন নাই। তারাও পাল্টা জবাব দিয়ে বিএনপিকে কঠোর হুশিয়ারি প্রদান করেছেন। বিএনপিকেও আওয়ামী লীগ ছাড় দিচ্ছে না। বিএনপি নেতার জবাবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিএনপি যেই হাত দিয়ে আগুন লাগাবে সেই হাত কেটে ফেলবেন। তারা যেই মুখ দিয়ে অশ্লীল কথা বলবে ওদের সেই জিভ কেটে ফেলবেন। জনগণের জানমাল রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি আমাদেরও সজাগ থাকতে হবে।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে খোকন সাহা বলেন, বিদেশি প্রভুরা আপনাদেরকে ভোট দিবে না। বাংলাদেশের জনগণের কাছে যান। বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে খুনি তারেক জিয়া লন্ডনে বসে রিমোট কন্ট্রলের মাধ্যমে রাজনীতি পরিচালনা করার চেষ্টা করছেন। তারকে রহমান নির্বাচন চায় না। সেই চায় বাংলাদেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে। সে চায় দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক। তারা কালো পতাকা মিছিল করেছে। দুদিন পর দেখবো আবারও আগুন সন্ত্রাসী শুরু করেছে। তাদের কাছে দেশের মানুষ নিরাপদ নয়। তাই আবারও আওয়ামী লীগকে মানুষ চায়।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহিদ বাদল বলেন, বিএনপির নেতারা ক্ষমতার বাহিরে থাকতে থাকতে তারা কখন কি বলেন নিজেরাও বুঝতে পারেন না। তারা নির্বাচনে আসুক তখনি তাদের কথার সত্যতার প্রমান পাওয়া যাবে। ২০০৮ সনের নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জয়ী করে ক্ষমতায় বসিয়েছে। বিএনপি নির্বাচনে আসুক দেখা যাবে মানুষ কাকে চায়। এগুলো তাদের রাজনৈতিক বক্তব্য।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন দেশের বর্তমান রাজনীতিতে উত্তপ্ত পরিবেশ হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে তার প্রভাব নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতেও পরেছে। টানা প্রতি সপ্তাহে একের পর এক আন্দোলন করে যাচ্ছে বিএনপি। কিন্তু তাদের বিপরীতে এই শোকের মাসে বিভিন্ন এলাকায় শোক দিবসে গিয়ে বিএনপিকে কড়া জবাব দিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের আওয়ামী লীগের নেতারা। তাই দুই দলের নেতাদের কথার বুলিতেও কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। এস.এ/জেসি


