# মহানগর ছাত্রদলে যোগ্য সভাপতি পেলে ও পায়নি জেলা ছাত্রদল
প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জকে আন্দোলনের সূতিকাগার বলা হয়ে থাকে। তার কারন, ৫২'র ভাষা আন্দোলন থেকে ৭১'র মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ৬৬'র ছয় দফা থেকে ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান, সর্বক্ষেত্রেই আন্দোলনে দলমত নির্বিশেষে সক্রিয় ছিল নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনসহ সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা।
এমনকি সকল প্রকারের আন্দোলন ও সংগ্রামে ও ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে এই ছাত্র সংগঠনগুলোকে। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র সংগঠনগুলোকে মূল দলগুলোর সহযোগী সংগঠন বলা হয়ে থাকে। এমনই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির দুটি সহযোগী রয়েছে জেলা ছাত্রদল ও মহানগর।
বর্তমানে বিএনপি সরকার পতনের ১ দফা দাবির আন্দোলনে রাপজথে গুরুত্বপূর্ন ভ‚মিকা পালন করছে। এমনকি নিয়মিতই দেখা যায় দলীয় র্কমসূচির লক্ষ্যে হিসেবে রাজপথে থাকছেন বিএনপি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উত্তপ্ত রয়েছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতি।
এদিকে মহানগর বিএনপি সব আন্দোলন সংগ্রামের লক্ষ্যে সহযোগী সংগঠন হিসেবে রয়েছে মহানগর ছাত্রদল এই সংগঠনটি মহানগর বিএনপির আন্দোলনকে সব সময় ফুটিয়ে তোলার লক্ষে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর ও সাধারন সম্পাদক রাহিদ ইস্তিয়াক ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে রয়েছে এবং মহানগরের আওতাধীন সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দকে আন্দোলনমুখী রাখতে সক্ষম রয়েছে এই মহানগর ছাত্রদল।
এদিকে জেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে রয়েছে জেলা ছাত্রদল কিন্তু নয়া কমিটিতে অযোগ্য সভাপতির হাতে নেতৃত্ব যাওয়া এবার দৈন্যদশা হয়েছে সংগঠনটির। কিন্তু একই দিনে কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছিলো কমিটি কিন্তু জেলা ছাত্রদলের সভাপতি একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টি করে যাচ্ছে সংগঠনটির মধ্যে।
যার কারণে বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে বার বারই ব্যর্থতার প্রমান দিয়ে যাচ্ছে জেলা ছাত্রদল। সেই প্রেক্ষাপটে জেলা ছাত্রদলকে নিয়ে চিন্তিত তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে নেতৃবৃন্দ দাবি করছে সামনের বিএনপির আরো কঠোর আন্দোলণ আসছে সেদিকে লক্ষ্যে রেখে জেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠন জেলা ছাত্রদলে অতিশীগ্রই রদবদল করা দরকার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করা লক্ষে ৯ সদস্য বিশিষ্ট জেলা ছাত্রদলের কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। যেখানে সভাপতি করা হয়েছে নাহিদ হাসান ভূইঁয়া ও সাধারন সম্পাদক জুবায়ের আহম্মেদ জিকু এদের দায়িত্ব দিয়ে কমিটি দেয় কেন্দ্র।
একই দিনে মহানগর ছাত্রদলের ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রধান করা হয় যেখানে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিল রাকিবুর রহমান সাগর ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিল রাহিদ ইসতিয়াক সিকদার।
কিন্তু জেলা ছাত্রদলের কমিটির পর থেকেই একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছে সভাপতি নাহিদ হাসান ভূইঁয়া এদিকে সাধারন সম্পাদক নানাভাবে নাহিদ ভূঁইয়াকে যোগ্য নেতাদের নিয়ে কাজ করা দিক নির্দেশনা দিলে ও এই সভাপতি নাহিদ অর্থ স্বার্থের লোভে জর্জরিত হয়ে থাকার কারণে অনেকটাই ছন্ন্ছাড়া হয়ে পরেছে জেলা ছাত্রদল।
জানা গেছে, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইঁয়া দিপুর নাম বিক্রি করে জেলা ছাত্রদলের সংগঠনটিকে ব্যবসার সংগঠন তৈরিতে মরিহা হয়ে উঠেছে এই নাহিদ ভূইঁয়া কিন্তু ভূইঁয়া দিপুর একটাই নির্দেশ রয়েছে যারা সংগঠনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তারা আমার নাম পরিচয় দিলে ও কোন ছাড় হবে না।
কিন্তু তার পরে ও এই নাহিদ হাসান ভূইঁয়া বর্তমানে একক রাজত্বের লোভে পরে ও তার হাতে জেলা ছাত্রদলকে জিম্মি করে রাখতে নিজ বলয়ের লোক দিয়ে ১২টি ইউনিট কমিটির খসড়া সাজিয়ে কেন্দ্র জমা দিয়েছেন। যার ফলে জেলা ছাত্রদলে বর্তমানে বিভেদ সৃষ্টি করছেন তিনি।
যার ফলে জেলা ছাত্রদলকে নিয়ে চিন্তিত বিএনপির নেতৃবৃন্দ। অপর দিকে একই দিনে কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর ছাত্রদল এই সংগঠনের সভাপতি সাগের একই নির্দেশ যে বর্তমানে স্বৈরাচারি সরকারকে পদত্যাগ করানোর যতগুলো ওয়ে আছে সবগুলো আমরা সকল ইউনিটের নেতৃবৃন্দ রয়েছি সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো দলে কোন গ্রুপিং চলবে না যারা দলকে ভালোবাসবে তারাই মূল্যায়ন হবে এই লক্ষ্যে হিসেবেই এগিয়ে যাচ্ছে সাগর যার কারণে মহানগর বিএনপির যোগ্য সহযোগী সংগঠন হিসেবে সকলের মুখে মুখে এই মহানগর ছাত্রদলের নাম এই সংগঠনে নেই কোন বিভেদ।
সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলন সংগ্রামে সেই পরিপ্রেক্ষিতে নেতাকর্মীরা বলছে একই দিনে কমিটি পেয়ে ও সাগরের নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদল সুসংগঠিত হলে ও নাহিদের নেতৃত্বে বিশৃঙ্খলায় দিশেহারা হয়ে পরেছে জেলা ছাত্রদল। এন.হুসেইন রনী /জেসি


