দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করছে মহানগর বিএনপি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:২৪ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বর্তমানে সরকার পতনের ১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে দফায় দফায় আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিয়ে যাচ্ছে। সেই ধারবাহিকতায় দফায় দফায় দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা পালণ করে আসছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি। ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে দফায় দফায় আন্দোলনের দ্বারাগুলো প্রচলিত হচ্ছে মহানগরগুলো দিয়েই।
সেদিকে লক্ষ্যে রেখেই আন্দোলণ সংগ্রামে দফায় দফায় তাক লাগানো শোডাউন ও সমাবেশের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের জাগান দিয়ে যাচ্ছে মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। ইতি মধ্যে দফায় দফায় দলীয় কর্মসূচির ডাক পাচ্ছে জেলা থেকে বেশি মহানগর বিএনপি সেই সাথে কোন কর্মসূচিকেই অবহেলা না করে বর্তমানে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড.সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব এড.
আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিট ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনেকটাই গর্জে উঠেছে। দলীয় সকল আন্দোলণ সংগ্রামের যাক আসলেই ১২ ঘন্টার মধ্যে সকল প্রস্তুতি নিতে সক্ষম থাকে মহানগর বিএনপি। এমনকি কেন্দ্রীয়ভাবে তাদের অঙ্গসংগঠন হিসেবে বর্তমান নতুন কমিটি যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল তার পাশাপাশি সহযোগী সংগঠন
ছাত্রদল কেন্দ্রীয় ঘোষিত মহানগর বিএনপি সকল আন্দোলন সংগ্রামকে সফল করার লক্ষ্যে নিয়ে মহানগর বিএনপির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে দফায় দফায় নারায়ণগঞ্জের রাজপথে শক্তি প্রয়োগ করে যাচ্ছে মহানগর বিএনপি। ইতিমধ্যে ১৮ই আগষ্ট কেন্দ্র ঘোষিত এক দফা দাবি আদায়ের গণমিছিল, ১৯ শে আগষ্ট দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি
কামনায় প্রদযাত্রা, গতকাল ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন ও সমাবেশ এ পূর্বে ও আরো বেশি কয়েকটি কর্মসূচি শুধু মহানগরকেই ঘিরে কেন্দ্র দিয়েছে এগুলো নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যথাযথভাবে নগরীতে চমকের মাধ্যমে পালন করেছেন। এমনকি এছাড়া ও দেখা যাচ্ছে ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিন ও উত্তর মহানগর বিএনপি বর্তমানে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে।
যার কারণে বোঝা যাচ্ছে জেলা বিএনপি থেকে আন্দোলন সংগ্রামে কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচিতে চমক প্রদর্শন করে আসছে মহানগর বিএনপি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র যেখানে আহ্বায়ক করা হয়েছে এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব করা হয়েছে এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে।
যাদের হাত ধরে ইতিমধ্যে মহানগর বিএনপি আরো সুসংগঠিত হয়ে উঠেছে। তাদের মধ্যেই দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পরে গঠন হয়েছে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল ইউনিটের কমিটি। যাকে ঘিরে নেতাকর্মীরা আরো উচ্ছাসিত হয়ে উঠেছে। এমনকি সকল আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক নেতাকর্মী নিয়ে ইউনিটগুলোর নেতকার্মীরা উপস্থিত হয়।
এছাড়া ও মহানগর বিএনপি অঙ্গসংগঠনের হিসেবে রয়েছে যুবদল, স্বেচ্ছসেবক দল ইতিমধ্যে এই দুই সংগঠনের কমিটির মাধ্যমে ও সংগঠনে আরো জৌলুস সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ও রয়েছে ছাত্রদল, কৃষকদল, ওলামাদল, তাতীঁদল, মহিলাদল এই সংগঠনগুলো ও মহানগর বিএনপি একটি অংশ সকলে বর্তমানে সাখাওয়াত ও টিপুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে নগরীতে গর্জন সৃষ্টি করছে।
এমনকি সামনের আন্দোলন সংগ্রামে আরো জোরালো ভূমিকা দেখাতে মাধ্যমে শহরে ব্যাপক ভ‚মিকা পালনের লক্ষে নিয়েই প্রস্তুত রয়েছে মহানগর বিএনপি। এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান যুগের চিন্তাকে বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগ দেশকে দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিনত করেছে। দেশে মানুষের ভোটের অধিকার নাই, গণতন্ত্র নাই, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি,
সব মিলিয়ে দেশের বর্তমানে চরম অবস্থা বিরাজমান। এমনকি দেশে আইনশৃঙ্খলা বিপর্জয়ের পথে। দূর্নীতির মাধ্যমে দেশকে আওয়ামী লীগ এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে এখন জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এই দিশেহারার হাত থেকে পরিত্রানের জন্য জনগণ মনে করে যে এই সরকারের পতন অপরিহার্য।
আর যেহেতু বিএনপি বর্তমানে এই সরকাওে বিরুদ্ধে ও জনগণের হয়ে কথা বলছে তারা বর্তমানে সাধারন জনগণ সকলেই বিএনপির সাথে সরকার পতনের ১ দফা দাবিতে কাজ করছে। আর সামনের আন্দোলন সংগ্রামে এই অংশ গ্রহনের মাত্রা আরো বাড়বে বলে মনে করছে নেতৃবৃন্দ। আর এখন নারায়ণগঞ্জের ৭০/৮০ ভাগ মানুষই এই সরকারের পতন চায়।
আমরা আশা করছি সামনে আমাদের জনসম্পৃক্ততা আরো বাড়বে আর এই সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারন জনগণ ঘরে ফিরে যাবে না। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু যুগের চিন্তাকে বলেন, বিএনপির নেতকার্মী দীর্ঘ ১৫ বছর নানা মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে পরেছে। এমনকি দেশের বর্তমানে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা আরো অবনতির দিকে ঝুঁকছে।
সেই ধারবাহিকতায় বর্তমানে এই সরকারের পতনের জন্য সকলেই বেকুল হয়ে পরেছে। আর আমাদের হাতে মহানগর বিএনপির দায়িত্ব আসার পর এমন কোন আন্দোলন সংগ্রাম নেই যে আমরা না করেছি। আর সকল ইউনিটে যোগ্য নেতৃত্বের ধারাই কমিটি গঠন করেছি। যার মাধ্যমে নেতাকর্মীরা বুজতে পেরেছে এই মহানগর বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখার কারিগর এই সাখাওয়াত ও টিপু।
আর ইতিমধ্যে আমাদের যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। যার মাধ্যমে আমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো গর্জে উঠেছে। সামনে আন্দোলন সংগ্রামে আমার আহ্বায়ক সাথাওয়াত হোসেন খান ও আমরা নেতৃত্বে মহানগর বিএনপি আরো একের পর এক চম দেখাবে রাজপথে। মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ যুগের চিন্তাকে বলেন, গত
১৭ বছরে এই আওয়ামী লীগ সরকার দেশে যে দূর্নীতি ও কুশাসন সৃষ্টি করেছে। আবার বাজরে যে লাগামহীন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্যেবৃদ্ধি দেশে যে দূনীর্তি প্রচলিত রেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার যার কারণে দেশের জনগণ আর এই সরকারকে দেখতে চায় না। যার কারণে জাতীয়তাবাদী দলের সকল সরকার পতনের আন্দোলনে একত্রিত হয়ে কাজ করছে দেশের সাধারন মানুষ।
আর আমরা বর্তমানে যে আন্দোলন করছি বলা চলে এটা দলীয় কিছু না সাধারন মানুষের হয়েই বিএনপি রাজপথে এই সরকার পতনের আন্দোলন করে যাচ্ছে। সামনে এ আন্দোলনের রূপ রেখায় মহানগর যুবদল অতুলনীয় ভ‚মিকা পালন করবে। মহনগর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা বর্তমানে আন্দোলণ সংগ্রামের জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছি।
আমাদের নেতাকর্মীরা বর্তমানে আন্দোলনের নাম শুনলেই ঝাঁপিয়ে পরে। আর বর্তমানে আমরা ১ দফা দাবির আন্দোলে রাজপথে কাজ করছি। এই দাবি আদায় না করে আমরা মহানগর ছাত্রদল ঘরে ফিরে যাবো না। আমরা মহানগর বিএনপির সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে আরো ব্যাপক ভূমিকা দেখাবো সামনের দলীয় কর্মসূচিগুলোতে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


