মেঘ না চাইতেই জল পেয়ে গেলেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা এড. তৈমূর আলম খন্দকার। তিনি নিজেও কি কোনদিন কল্পনা করতে পেরেছিলেন যে, নতুন একটা জাতীয় রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েই মহাসচিবের মতো একটা শীর্ষ পদ করায়ত্ব করে ফেলবেন! বাস্তবে কিন্তু তাই হয়েছে। দীর্ঘ দেড় বছর এতিমের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেও তিনি নিজস্ব কোন আইডেন্টিটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
নানা আলামত দেখে তিনি বুঝতে পারলেন, বিএনপি তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেবে না। ইত্যাদি নানারকম হতাশা যখন তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে গ্রাস করতে শুরু করছে তখন হঠাৎ করেই আলাদিনের চেরাগটা তার সামনে হাত এসে বাড়িয়ে দেয়।
চেরাগে ঘষা দিতেই দৈত্য এসে হেঁড়ে গলায় বলে ওঠে, হুকুম করুন জাঁহাপনা। তৈমূর কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলেলন,আমাকে পথ দেখাও। ব্যাস! পেয়ে গেলেন পথ । পেয়ে গেলেন নতুন আইডেন্টিটি। আসীন হলেন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব পদে।
তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব পদে নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথম বক্তৃতাতেই বললেন, এটা কোন প্রাইভেট কোম্পানি হবে না। এখানে কেউ অবহেলার পাত্র হবেন না। তিনি নিজের পরিণতিটাকে তুলে ধরতেই এমন কথা বলে থাকবেন বলে মনে করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের ছেলে তৈমূর আলম খন্দকার এখন সারা বাংলাদেশের নেতা। একটি দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব। তার কাঁধে এখন দায়িত্বের পাহাড়। দলকে সংগঠিত করার গুরু দায়িত্ব পালনে তিনি কতোটুকু ভূমিকা রাখতে পারবেন তা কেবল সময়ই বলে দেবে। তবে অতীত বলে দেয়, তিনি একজন ভালো সংগঠক।
তাছাড়া একাজে তিনি যে সরকারের সহায়তা পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকমহল। নানাদিক বিবেচনা করলে যে কথাটা সামনে চলে আসে তা হলো, এ মুহূর্তে তৈমূর আলম খন্দকার সত্যিকার অর্থেই ভাগ্যবান। এন.হুসেইন রনী /জেসি


