তৈমূরকে নিয়ে সাখাওয়াত-টিপুর এবার বিস্ফোরক মন্তব্য
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:২৬ পিএম
♦ আর্থিক সুবিধা ও ক্ষমতার লোভে তৃণমূল বিএনপিতে তৈমূর : সাখাওয়াত
♦ বিএনপি থেকে তার ফায়দা লুটা শেষ : এড. টিপু
তৃণমূল বিএনপির উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, স্বাধীন দেশের নাগরিক একটা রাজনৈতিক দল গঠন করতেই পারে এবং সেই রাজনৈতিক দলের আদর্শ উদ্দেশ্যে প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে তাদের দলকে সুগংগঠিত করতে পারে। কিন্ত এই তৃনমূল বিএনপি এটা করা হয়েছে অসৎ উদ্দেশ্যে এবং তারা সরকারের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে সরকারী দলের প্রভাবশালী নেতাদের তত্বাবধায়নে এবং তাদের মাধ্যমে তৃনমূল বিএনপি এ দলটা গঠন করা হয়েছে।
জনগনের মধ্যে এই সরকার বার্তা দিতে চায় বিএনপি ভেঙ্গে গেছে বিএনপির একটা বিভক্তি হয়ে গেছে। এই বার্তা দেওয়ার জন্য অসুস্থ মন মানসিকার কাছ থেকেই কাজটা করছে। আসলে সরকার তো বিরোধী দল কারা করবে বিরোধী দলের রাজনৈতির কে কে নেতা হবে সেটাও সরকার নির্ধারন করতে চায় স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেটা হয় এই আর কি। আমরা বলতে চাই বিএনপি হচ্ছে সমর্থক ও কর্মী নির্ভর দল কোন নেতার কারনে এই দল কোন সময় ক্ষতি গ্রস্থ হয় নাই।
ইতিপূর্বে আপনারা দেখেছেন বিএপির যারা প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে জড়িত ছিলো এবং বড় বড় পদে তারা অধিষ্ঠিত ছিলো তারা গেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গঠন করেছে সেখানে কিন্ত তারা সফল হতে পারেনাই এবং আজকে যারা এই তৃনমূল বিএনপিতে গেছে কতটুকু অস্বাভাবিক বিষয় ওনারা একটা দলে যোগদান করছে ১৯ তারিখে যোগদান করেই সভাপতি-সেক্টেটারী হয়ে গেছে তার মানে ঐ দলে কোন নেতা ছিলোনা ভঙ্কুর এক অবস্থা এই দলের কি অবস্থা এমনিতেই বোঝা যায়।
আসলে যিনি এই নারায়ণগঞ্জের বিএনপির বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এডভোকেট তৈমূল আলম খন্দকার আসলে উনার তো আওয়ামী লীগের রাজনৈতি থেকে শুরু উনি এক সময় আওয়ামী লীগের শ্রমিক লীগের একজন সম্বল মিয়া ছিলেন সেই সম্বল মিয়ার অধিনে রিক্সা শ্রমিক লীগ ও ঠেলাগাড়ি শ্রমিক লীগের ছিলো। ১৯৯৮ সালে উনি বিএনপিতে যোগদান করে যোগদান করার পরে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের কারনেই আজ সে নেতা হইছে এবং দল ভাঙ্গার সাথে এই সকল প্রতিদান দিচ্ছে।
আপনারা হয়তো জানেন এই তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতিতে পাচঁবার নির্বাচন করেছে বিএনপি করার পূর্বে কোন বারই তিনি নির্বাচিত হতে পারে নাই। এর আগে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নির্বাচন করেছে কিন্তু উনি কোন নির্বাচনে সুফল পায় নাই এখন ওনার বয়স হয়েছে উনি এখন যে বিষয়টা চায় উনি যেকোন ভাবে একটা আর্থিক সুবিধা নিতে চায় এবং ক্ষমতার লোভ আর সে ক্ষমতা নেওয়ার জন্যই উনি সরকারের সাথে হাত মিলিয়েছে সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে এখন বিএনপিকে বিভ্রান্তি করতে চাচ্ছে।
আসলে বিএনপির নেতাকর্মীরা কিন্তু এতো বোকা না সে তো যোগদান করছে এখন দেখুক নারায়ণগঞ্জের কাকে পায় আশা করি নারায়ণগঞ্জে সে কাউকেই পাবে না এবং তার যে মনবাসনা সেটাও পূরন হবে না। একটা বিষয় এই বিএনপিও তাকে রিষ্ট পিষ্ট করেছে তাকে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল হয়েছে , বিআরটিসির চেয়ারম্যান বানিয়েছে তিনি বিএনপির বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলো সর্বশেষ তাকে বিএনপির উপদেষ্ঠা চেয়ারম্যান বানানো হয়েছিলো সেই পদ ব্যবহার করে নিজেকে জাহির করেছে।
আজকে একটা বিষয় ভালো করে দেখবেন এই তৈমূর আলম খন্দকার কোন সময়ই দলের প্রতি দলের যে কোন সংগঠন করলে সংগঠনের নিয়ম নীতি মেনে গঠনতান্ত্রিক ভাবে চলা উচিৎ। উনি সব সময়ই দল করা কালিন দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আপনারা জানেন উনি ২০১৮ সালে উনি দলের নমিনেশন না পাইয়া উনি চেয়ারপার্সনের কার্যালয় ভাঙ্চুর করেছেন উনি ২০২১ সনে সুপ্রিম কোর্ট বারে যে নির্বাচন হয়েছে সে নির্বাচনে বিএনপি থেকে প্যানেল দেওয়া হয়েছে। সেই প্যানেলকে পরাজিত করার জন্য তার নেতৃত্বে একটা বিদ্রোহী প্যানের দিয়েছিলো।
পরবর্তীতে তিনি ওই সময়ই বহিস্কার হয়ে যান এবং পরে সে ক্ষমা চাওয়ার পরে এবং ওই প্যানেল থেকে নমিনেশন প্রত্যাহার করার কারনে ওনাকে মাফ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ২০২২ সনে যে নির্বাচনটা হয়েছিলো নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সে ওই সময় বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং জেলা বিএনপির সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত ছিলো দলের কমান্ড মানলো না দল যখন এক দফা আন্দোলনে এগিয়ে যাচ্ছে এবং দল বলেছে এই সরকারের আমলে কোন নির্বাচন হবে না কিন্তু সে তা না মেনে সরকারকে পাকাপোক্ত করতে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, উনি আসছেন আওয়ামী লীগের ঘরোয়ানা থেকে। কারণ উনি ত্যাগী আহমেদ চুনকার শিষ্য ছিলেন। তিনি যত ধরনের ফয়দা লুটার লুটেছেন। এখন ফয়দা লুটা শেষ তাই তিনি আবার চলে যাচ্ছেন যেখানে তার সুবিধা হবে। তার এই কাণ্ডে বিএনপির কোন আপসোস নেই।
উনি বিএনপিরকে যা দিয়েছেন তার থেকে চার গুন উনি বেশি ভোগ করেছেন। তাছাড়া সে তো এমনিতেই আগাছা অন্য দল তেকে আসছে তার দল থেকে যাওয়াতে দলে কোন ধরনের প্রভাব পড়বে না। তার মতো সুবিধাবাদী লোক একটি দলের জন্য বিশফোঁড়া। এই সকল লোক যেই দলেই যাক না কেন তাদের কাছ থেকে দল সুবিধা পাবে না। এস.এ/জেসি


