# জেলা যুবদলে বর্তমানে রনির একাংশ ব্যাপক শক্তিশালী
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বর্তমানে আন্দোলনমুখী অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে ১ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের গতি আরো তীব্রতর করার রূপ রেখা তৈরি করছে দলটির নেতৃবৃন্দ। এমনই অবস্থায় নারায়গঞ্জ জেলা বিএনপির সব চাইতে সহযোগী সংগঠন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল দুইভাগে বিভক্ত হয়ে রয়েছে।
যা নিয়ে বর্তমানে নেতাকর্মীদের মাঝে নানা প্রকারের আলোচনা সমালোচনা হলে বিগত দিন থেকে জেলা যুবদলকে যেভাবে আগলে রেখেছিলেন মশিউর রহমান রনি সেভাবে বর্তমানে ও জেলা যুবদলকে সুসংগঠিত রেখেছেন এছাড়া বিগত দিনে বিএনপির আন্দোলণ সংগ্রামে যেভাবে কঠোর ভূমিকা রাখতেন এককভাবে রনি বর্তমানে ও জেলা যুবদলের আহবায়ক সাদেকুর রহমান সাদেক ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল সজীবকে টেক্কা দিয়ে একাই বিশাল বড় বড় শোডাউনের মাধ্যমে চমক সৃষ্টি করছে বর্তমান যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।
বর্তমানে রনির একাংশের সাথে রয়েছে বিগত দিন থেকে যুবদলের পক্ষে কাজ করা তুখোড় নেতৃবৃন্দ যারা বর্তমানে ও ব্যাপক আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় রয়েছেন। প্রত্যেকটি থানাগুলোতে একাই বিশাল সমর্থন সৃষ্টি করেছেন মশিউর রহমান রনি। যারা কোন পদ-পদবীর লোভে নেই তারা আন্দোলনমুখী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
জানা গেছে, জেলা যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের পর সাদেকুর রহমার সাদেক ও খায়রুল ইসলাম সজীব মিলে রনিকে কোনঠাসা করে রাখার চেষ্টা করেন। সেই লক্ষ্যে নিয়ে তারা একত্রে মাঠে নেমেছেন আর সকলকে নেতৃবৃন্দকে বলেছেন যে সাদেক আহবায় ও সজীব সদস্য সচিব যার কারণে সকল নেতৃবৃন্দ সাদেক-সজীব পরিষদ হিসেবে জেলা যুবদলকে আখ্যায়িত করেছে।
কিন্তু রনির নানা জনপ্রিয়তা আর বিগত দিন থেকে এককভাবে জেলা যুবদলকে আগলে রাখার শক্তি কোনভাবেই মশিউর রহমান রনির মনোবল নষ্ট হতে দেয়নি। তিনি একাই বিগত দিনের মতো বিশাল বিশাল শোডাউন দিয়ে যাচ্ছেন এমনকি নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতাকে স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলে যাচ্ছে বিএনপির হাইকামান্ডসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীদের কাছে।
এছাড়াও দেখা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে ফতুল্লার ভুঁইগড় এলাকার পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন রাস্তায় জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্তিকরণ, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সহ খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে জন সমাবেশের আয়োজনের অনুষ্ঠানে সাদেক ও সজীবের নেতৃত্বে গুটিকয়েক নেতাকর্মী আসলেও সেগুলোর কারো ছিলো না কোন পদ-পদবী শুধু আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ ছাড়া কেউ ছিলো না তাদের সাথে সব ছিলো সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবের বাবা নিবার্হী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের লোক।
আর এদিকে সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির একক নেতৃত্বে জেলা যুবদলের ব্যানারে ফতুল্লা থানা যুবদল, রূপগঞ্জ থানা যুবদল, সোনারগাঁ থানা যুবদল, আড়াইহাজার থানা যুবদল সকলের পদপদবী নিয়ে রনির নেতৃত্বে মিছিলে প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী সেদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।
এছাড়া ও ঢাকায় দলীয় যে কোন প্রোগ্রামে মশিউর রহমান রনির নেতৃত্বে বর্তমানে বিগত দিনের মতো বিশাল বিশাল শোডাউন হচ্ছে যা নিয়ে বর্তমানে রনির একাংশ জেলা যুবদলে শক্তি বলছে তৃণমূল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট জেলা যুবদলের ৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে যেখানে আহবায়ক পদে সাদেকুর রহমান সাদেক, সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজীব তখন থেকেই রনিকে নিয়ে নানা প্লান মোতাবেক কাজ করা শুরু করে।
সাদেক ও সজীব তারা মনে করে রনিকে কোনঠাসা করে রাখতে পারলে রনি জেলা যুবদল থেকে অঙ্গসংগঠনে যেতে চাইবে আর তারা দুইজন জেলা যুবদলকে এককভাবে ভোগ করবে এমন আশা নিয়ে নানা রং তামাশা করলে দীর্ঘদিন ১০/১২ দিন রনি তাদের কোনঠাসায় পরতে নিয়েছিলেন অবশেষে আবারো সেই রনি গাঁ ঝাড়া দিয়ে উঠেন।
আর আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা শুরু করেন। বর্তমানে জেলা যুবদলের হয়ে এককভাবে লড়তে ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে মশিউর রহমান রনির যাকে ঘিরে এবার কোনঠাসায় পরতে পারে সাদেক-সজীব। কারণ বিগত দিনে যেভাবে জেলা ছাত্রদলকে শক্তি শালী ও আন্দোলনমুখী রেখেছিলেন এই রনি এভাবেই জেলা যুবদলকে শক্তিশালী রাখবেন এছাড়া ও বিগত প্রায় ১ বছর জেলা যুবদলের ভর ছিলো মশিউর রহমান রনির উপরে তখন রনি যথাযথভাবে তার সকল দায়িত্ব পালন করেছেন।
আর জেলা যুবদলকে আন্দোলনমুখী রেখেছেন বর্তমানে ও এই জেলা যুবদলকে আরো শক্তিশালী রাখতে এককভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি রেখেছেন মশিউর রহমান রনি সামনের সকল আন্দোলনে আরো ব্যাপকভাবে অংশ গ্রহণ করার আকাঙ্খা দিয়েছে রনির জেলা যুবদল। এস.এ/জেসি


