Logo
Logo
×

রাজনীতি

মাঠে নামতেই সাহস পাচ্ছেন না তৈমূর

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৩২ পিএম

মাঠে নামতেই সাহস পাচ্ছেন না তৈমূর
Swapno

 

# দেশের তিন’শ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও না.গঞ্জে তার পাশে একজনও নেই

 

 

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই প্রার্থী খুঁজছেন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি ছাড়া তার দলে যোগ দেওয়ার মতো কোনো লোক খুঁজে পাননি তিনি। যদিও এরই মাঝে তিনি এবং তার দলের আহ্বায়ক শমসের মবিন চৌধুরী ঘোষনা দিয়েছেন যে তারা এবার দেশের তিনশ আসনেই প্রার্থী দেবেন এবং এবারের এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। যদিও সাধারণ মানুষ প্রায় সবাই মনে করেন এবারের নির্বাচনে যদি সরকার তাদেরকে জিতিয়ে না দেয় তাহলে একটি আসনও পাবেনা শমসের আর তৈমুরের দল।

 

এমন কি জিততে পারবেন না খোদ শমসের আর তৈমুরও। বরং এই দলটি সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা মনে করেন যখন বর্তমান সরকারের দালালী করার কারনে জাতীয় পার্টির নাম নিশানা এ দেশে মুছে যাবার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তখন শমসের আর তৈমুরের মতো লোকেরা নতুন করে কতো দূর এগুবেন এটা বেশ পরিষ্কার করেই বলা যায়। আগামী নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয় আর সব দল নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে এই শমসের আর তৈমুর উভয়েরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। তবে মানুষ মনে করে তৃনমূল বিএনপির নামে এদেরকে মাঠে নামিয়েছে সরকার।

 

তাই এদেরকে হয়তো কিছু নগদ টাকা এবং ২/১টি আসন দিলেও দিতে পারে সরকার। তবে সেটা সম্ভব হবে সরকার যদি আবারও একটি সাজানো পাতানো নির্বাচন করতে পারে তাহলে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এবার একেবারে নেই বললেই চলে। কেনোনা বিগত দুটি নির্বাচনে পাতানো খেলা খেলে সরকার সকলের চোখ খুলে দিয়েছে বলে মনে করেন দেশের অধিকাংশ মানুষ। আর এবার এ দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলও সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

 

তাই এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার তৃনমূল নামক দলটির সদস্য সচিব হয়ে তার এই পরন্ত বেলায় বেশ বড় ভুল করেছেন বলেই মনে করেন তার এক সময়কার শুভাকাঙ্ক্ষীরা। আর বিএনপির নেতাকর্মীরা তো মনে করেন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে ঠিক কাজই করেছে দল। অন্যথায় যে সরকার সারা দেশে বিএনপির চল্লিশ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হামলা করে বছরের পর বছর নির্যাতন চালাচ্ছে সেই সরকারের সাথে তিনি হাত মিলালেন কি করে।

 

দল থেকে তিনি নিজের ভুলে এবং লোভে পরে বহিষ্কার হয়েছেন। তাই বলে নিজ দলের নেতাকর্মীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করতে হবে? তাই নারায়ণগঞ্জবাসী অনেকের মতে যে যাই মনে করেন না কেনো রাজনীতিতে একেবারে পঁচে গেছেন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। তাই আগামী নির্বাচনে অংশ নিলে তার যে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এতে কারোরই কোনো সন্দেহ নেই।

 

এদিকে সূত্রমতে জানা গেছে, তৈমুর আলম খন্দকার মনে করেছিলেন তিনি তৃনমূলে যোগ দেয়ার পরেই নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীরা সবাই তার কাছে এসে একেবারে হুমরি খেয়ে পরবে। কিন্তু বাস্তব ঘটনা ঘটেছে উল্টো। খোদ তার পরিবারের সদস্যরাও তাগে রাজনৈতিক ভাবে পরিত্যাগ করেছেন। তিনি এখন একেবারে একা হয়ে পরেছেন। নারায়ণগঞ্জে তিনি তার দলটির কোনো কমিটি করতে পারছেন না। লোক পাচ্ছেন না তিনি। বরং এতোদিন যারা তার অনুগত ছিলো তারা সবাই এখন তার উপর ক্ষুব্দ।

 

এছাড়া একা একা মাঠে নামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্চিত হওয়ার ভয়ও তাকে পেয়ে বসেছে বলে জানা গেছে। তাই তৃনমূলে যোগ দেয়ার পর কয়েকটা দিন তাকে নিয়ে মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা হওয়ার পর এখন আর তিনি মাঠে নামতেই সাহস পাচ্ছেন না। তাই কাদের নিয়ে কিভাবে তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন সেটাই এখন বেশ বড় প্রশ্ন। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন