গিয়াসকে পল্টি দিয়ে শাহআলম শিবিরে বিল্লাল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:২২ পিএম
# কুতুবপুর বিএনপির সভাপতি পদ পেয়েই হারিয়েছিলেন অজানায়
# গোপনে দুই দিকেই পা রেখেছিলেন এবার প্রকাশ্যে দিলেন ধরা
কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ পাওয়ার পর থেকেই নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নিয়েছেন। যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত সেখানে একজন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হওয়া সত্বেও তিনি কয়েক মাস যাবৎ অনেকটা উধাও ছিলেন।
নেতাকর্মীরা যেখানে আন্দোলন মুখী সেখানে ইউনিয়ন বিএনপির প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা তাকে না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। এমনকি অনেক প্রেগ্রামে তার ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা তার পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছে। তারপরেও তার কোন খোঁজ মেলেনি।
কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে শক্তিশালী করতে ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা যেখানে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে সেখানে একজন ইউনিযন বিএনপির সভাপতি হওয়া সত্বেও তার কার্যক্রমে কিছুই চোখে পড়েনি। যেখানে জেলার প্রত্যেকটি ইউনিযন সক্রিয় সেখানে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির তার কারনেই ব্যর্থ।
তবে আস্তে আস্তে পর্দার আড়ালে থাকা তার মুখোশ বের হয়ে এসেছে নেতাকর্মীদের মাঝে। জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াসের অত্যান্ত ঘনিষ্ঠজন হওয়া সত্বেও আজ তিনি অনেকটা হুট করেই পল্টি মারলেন। গোপনে দুই দিকেই তার যোগাযোগ ছিলো এখন তা একটি ছবির মাধ্যমে খোলাসা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই বিল্লাল সভাপতি হওয়ায় দলের নেতাকর্মীরা প্রথমে প্রতিবাদ জানালেও দলের স্বার্থে এতদিন চুপ ছিলেন। তবে তার এমন কর্মকাÐের পর নেতাকর্মীরা আর চুপ থাকবে না এমনটাই শোনা যাচ্ছে।
জানা যায়, কুতুবপুরে কমিটি ছিলো না প্রায় দের যুগেরও বেশি সময়। গিয়াস উদ্দিন জেলা বিএনপির দায়িত্বে আসার পর বিল্লাল হোসেনকে সভাপতি ও আনোয়ারকে সাধারন সম্পাদক করা হয়। তবে এই পদ পাওয়ার জন্য বেশ কিছু সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি প্রাগ্রামে এটেন্ডও করে। কিন্ত পদ পাওয়ার পরেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। যে গোপনে শাহ আলম পন্থির এজেন্ট হয়ে কাজ করেছেন তা এখন প্রকাশ্যে এসেছে।
এমনকি একটি ছবি ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঘোরপাক করছে। যতটুকু জানা গেছে পদ পেয়েই নিজেকে শাহ পন্থিদের সাথে হাত মিলিয়েছে।ছবিতে তেমনি ফুটে উঠেছে দেখা গেছে শাহ আলম পন্থি পান্না মোল্লা, জাহিদ হাসান রোজেল সহ বেশ কিছু নেতাদের সাথে একসাথে বৈঠক করছেন।
এ বিষয়ে কুতুবুপরের বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরাই বলছেন তিনি দলের জন্য একটি বিশফোড়া তা না হলে দলের এই সময় নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে তথ্য আদান প্রদান করেছে এতদিন। সে সভাপতি হওয়ার পর থেকেই নেতাকমীদের সাথে ছিলেন না। যেখানে ৯টি ওয়ার্ডকে তিনি নেতৃত্ব দেবেন সেখানে তিনি নিজেই কোন কর্মসূচিতে থাকতেন না। হয়তো এটা তার একটি প্লান যার কারনে তিনি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ইচ্ছে থেকেই সড়ে ছিলেন।
দীর্ঘ দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির জেলা বিএনপির কার্যক্রম সক্রিয় না দেখা গেলেও জেলা বিএনপিতে গিয়াস - খোকনের নেতৃত্বে আসার পর থেকেই দল অনেকটাই এখন উজ্জীবিত। তার আগে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম রবিকে কে আহবায়ক ও মামুন মাহমুদকে সদস্য সচিব করা হলেও তারা দলকে তেমনি ভাবে উজ্জীবিত করতে পারেনি শুধু তাই নয় দলের বিবেধ প্রতিনিয়তই চলতো তারও কোন রকম সমাধান করতে পারেনি।
আরও জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলায় উপজেলা, থানা ,পৌরসভা ,ইউনিয়ন ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি হয়নি দুই যুগেরও বেশি সময় সময় যাবৎ কমিটি ছিলো না। তবে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক হওয়ার পর পরই তিন মাস যেতে না যেতেই জেলার প্রতিটি থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ওয়ার্ড কমিটি গুলো করে শেষ করে।
তার এমন ধারাবাহিতা দেখে দলকে সুসংগঠিত করার কারনেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে সভাপতি ও গোলাম ফারুক খোকনকে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব দেন এই নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে। এন.হুসেইন রনী /জেসি


