Logo
Logo
×

রাজনীতি

অনড় আ.লীগ-বিএনপি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:১৭ পিএম

অনড় আ.লীগ-বিএনপি
Swapno

 

# দুই দলের সমাবেশ ঘিরে না.গঞ্জেও উত্তেজনা
# আ.লীগ অঘটন ঘটিয়ে বিএনপির ঘাড়ে দায় চাপাতে পারে: গিয়াস উদ্দিন

 

 

আজ তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগামী নির্বাচনের তফসিলের আগে তিন দলের সমাবেশকে ঘিরে রাজধানী ঢাকা সহ তার আশপাশের জেলা গুলোতে উত্তেজনা কাজ করছে। দেশে কি হতে যাচ্ছে তা নিয়ে নানা রকম উৎকণ্ঠা, অস্বস্তি এবং আলোচনা চলছে।

 

বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে ঢাকার প্রবেশ পথ এবং সংলগ্ন মহাসড়কে চলছে তল্লাশি। বিশেষ করে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক নাারায়ণগঞ্জের একাধিক মোড়ে এই তল্লাশি আরও বেড়ে যায়। তল্লাশির মুখে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচলও কমে গেছে। এছাড়া নদী পথের চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

এদিকে রাজধানীর বুকে ঢাকার সমাবেশকে সাফল্য মন্ডিত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর বিএনপি ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। একই ভাবে পিছিয়ে না থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর আওয়ামী লীগও জোড়ালো ভাবে শক্তি দেখাবে। আর এজন্য ক্ষমতাসীন দল স্থানীয় ভাবে প্রতিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেক্রেটারি সহ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার চেয়ারম্যানদের নিয়ে বর্ধিত সভা করেছে।

 

ওই সভায় স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মীরা ঢাকার প্রবেশ মুখ পাহাড়ায় থাকার ঘোষনা দেন। সেই সাথে বিএনপির যে কোন নৈরাজ্যকে প্রতিরোধ করার জন্য হুঙ্কার দেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের ঢাকার সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ থেকে লক্ষাধিক নেতা কর্মী নিয়ে উপস্থিত থাকবে বলে জানান। সেই সাথে ঢাকার রাজপথ কম্পন ধরাতে চান। নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নেতারা বলছে যে কোন মূল্যে ২৮ অক্টোবরের সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের পতন গটিয়ে ঘরে ফিরবে তারা। বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছে বিএনপি কিছুই করতে পারবে না।

 

বৃহস্পতিবার বন্দরে সেলিম ওসমানকে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, আমার মনে হচ্ছে ২৮ অক্টোবর কিছুই হবে না। কারণ জনগণের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া কেউ কিছু করতে পারবে না। ওরা (বিএনপি) বলছে এটা করবো ওটা করবো। আমরাও রাস্তায় থাকবো।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই বলেন, বিএনপির নৈরাজ্যকে প্রতিহত করার জন্য প্রশাসন রয়েছে। তাছাড়া আমাদের নেতা কর্মীরাও মাঠে পাহারায় থাকবে। কোন ধরনের নৈরাজ্যকে মানুষ মেনে নিবে না।

 

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহিদ বাদল জানান, আওয়ামী লীগ হচ্ছে শান্তি প্রিয় দল। কোন নৈরাজ্যকে প্রশ্রয় দেয় না। বিএনপি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে সমাবেশ করবে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু সমাবেশের নামে জনগণের জান মালের ক্ষতি সাধন করলে তখন জনগণকে সাথে তা প্রতিহত করবো। কেননা মানুষ শান্তিতে বিশ্বাসী। ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশকে সফল করার জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে লক্ষাধিক লোক নিয়ে উপস্থিত হবে।

 

অপরদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন জানান, আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেরাই যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে বিএনপির ঘাড়ে দায় চাপাতে পারে। আমরা অসহিংস আন্দোলনে বিশ্বাসী। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসমর্থন আদায় করছে বিএনপি। সংঘাত সংঘর্ষ এড়িয়ে আমরা প্রতিটি কর্মসূচি পালন করেছি। বিএনপি মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে আন্দোলন করছি।

 

২৮ অক্টোবর আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে, আমাদের আশঙ্কা, এদিন আওয়ামী লীগের লোকজন সহিংসতার মত কোনো ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের উপর দায় চাপিয়ে দিতে পারে। প্রতিদিনই অভিযান চালানো হচ্ছে নেতাকর্মীদের বাড়ি। তারপরও আমরা এক দফা আন্দোলনের এই কর্মসূচি সফল করতে শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাবেশে যোগ দিবো। কোনো বাধাই বিএনপির নেতাকর্মীদের এই যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন