Logo
Logo
×

রাজনীতি

ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে দিয়েছেন, আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা : আবদুল হাই

Icon

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৫২ পিএম

ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে দিয়েছেন, আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা : আবদুল হাই
Swapno


বিএনপি-জামাতের অগ্নি সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও ও সহিংসতার প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই এর সভাপতিত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।  

 

 

গতকাল রবিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ২নং রেল গেইটস্থ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শান্তি সমাবেশ সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই বলেন, আমরা গতকাল ঢাকা বাইতুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইটের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছি।

 

 

সেই সময় আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন উসকানি দেই নাই এবং (বিএনপির) কাউর গায়ে হাতও তুলি নাই। কিন্তু দেখায় যায় সমাবেশ চলাকালিন বিএনপির লোকজন এক নিরীহ পুলিশ ভাইকে নিষ্ঠুর ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সেই পুলিশ সদস্যের পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

 

 

আবার রাজার বাগ পুলিশ হাসপাতালেও আগুন দেওয়া হয়েছে। আবার যে বিচার বিভাগের প্রধান বিচারপতি যিনি আমাদের সংবিধানের রক্ষক তার বাসভবনেও অকারনে হত্যার হামলা করেছে। এসব কর্মকান্ডে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষণ আগেও একটা গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

 

 

আপনাদের হরতাল সকাল থেকে দেখি রাস্তাঘাট পরিষ্কার, কিন্তু জনগন হরতাল চায় না। এটা আজকের হরতালে প্রমাণ হয়েছে। আমাদের ধর্য্যের একটা সীমা আছে। আপনারা নিজেরাই আমাদের ধর্য্যের বাধঁ ভেঙ্গে দিয়েছেন, আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মিশনপাড়ার মোড়ে আপনারা একটু আগে বাসে আগুন দিয়েছেন।

 

 

এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ, এটা কারো ব্যাক্তিগত সম্পদ না। আপনারা অন্যায় করেছেন, জাতির কাছে ক্ষমা চান। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকান্ডে যদি লিপ্ত হন তাহলে কিন্তু ঘর থেকে বের হতে পারবেন না।  

 

 

এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী,  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এড.আনিসুর রহমান দিপু, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন।

 

 

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ খবির উদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, এড. আসাদুজ্জামান, আরজু রহমান ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল, সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক মিয়া, সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডাঃ নিজাম আলী।

 

 

সাবেক সংসদ সদস্য এড.হোসনে আরা বাবলী, সাবেক মহিলা সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, সাবেক সদস্য হাজী আমজাদ হোসেন, শামসুজ্জামান ভাষানী, মোঃ শহিদুল্লাহ, মাহফুজুর রহমান কালাম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাজী জসিম উদ্দিন, সালাউদ্দিন সিকদার, শাহজাহান সম্্রাট, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মোনতাজ উদ্দিন মর্তুজা।

 

 

সাবেক সাংসদ মরহুম মোবারক হোসেনের পুত্র সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এরফান হোসেন দীপ, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মাহাদী হাছান রবিন, গোগনগর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আক্তার হোসেন সুকুম, শ্রমিকলীগ নেতা হুমায়ণ কবির, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামির হোসেন রনি, কায়কোবাদ রুবেল সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন