Logo
Logo
×

রাজনীতি

আত্মগোপনে থেকেও আন্দোলনে ফ্যাক্টর বিএনপির যে নেতারা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৪১ পিএম

আত্মগোপনে থেকেও আন্দোলনে ফ্যাক্টর বিএনপির যে নেতারা
Swapno

 

# ভোটের অধিকার আদায় করার জন্য সব মানুষ এই আন্দোলনকে সমর্থন করছে : গিয়াস উদ্দিন

 

 

বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে পুলিশ। এরা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট সাখাওয়াৎ হোসেন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দীপু, সোনারগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, ফতুল্লা থানা বিএনপির সহসভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাদেকুর রহমান সাদেক, সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ হাসান ভুঁইয়া, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, সদস্যসচিব শাহেদ আহম্মেদ, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিবুর রহমান সাগর প্রমুখ।

 

সূত্রমতে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ প্রশাসন সারা নারায়ণগঞ্জে বিএনপির এই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার জন্য সারাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া পুলিশ বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার জন্য প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এবং গ্রামে গ্রামে অভিযান পরিচালনা করছে। এতে এরই মাঝে গত দুই সপ্তাহে নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

 

গ্রেফতারকৃতদের মাঝে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মাসুকুল ইসলাম রাজিব এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রয়েছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আর কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।এদিকে গত ২৮ অক্টোবরের আগে থেকে এ যাবৎ জেলার এই সকল নেতাদের বিরুদ্ধে এক ডজনের বেশি মামলা হয়েছে। তাই এই মুহুর্তে যদি কেউ গ্রেফতার হন তাহলে নির্বাচনের আগে আর ছাড়া পাবেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা নিজেরাই।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, দেশে এবার দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এবারের আন্দোলন ভোটের অধীকার আদায়ের আন্দোলন, এবারের অন্দোলন ভাতের অধীকার আদায়ের আন্দোলন। তিনি বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বার বার বলে আসছি যদি জানতাম দেশ স্বাধীন হবার পর দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধীকার সহ সকল প্রকার গণতান্ত্রিক অধীকার হারাবে তাহলে আমি হয়তো মুক্তিযুদ্ধে যেতাম না।

 

তিনি বলেন দেশে বিগত পনেরো বছর ধরে মানুষের কোনো গণতান্ত্রিক অধীকার নেই। মানুষ ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারছে না। তাই জোর করে এমপি মন্ত্রী হয়ে ইচ্ছে মতো লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোষররা। যার ফলে ইচ্ছে মতো সিন্ডিক্যাট করে সকল প্রকার দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে।

 

মানুষের ভোটের অধীকার নেই বলেই গোটা দেশে এক চরম অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই আমরা মনে করি এবারের আন্দোলন বিএনপির একার কোনো আন্দোলন নয়। বরং এবারের আন্দোলন দেশের সকল মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। তাই এই আন্দোলন সর্ব স্থরের জনগন মাঠে নেমে একটি গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

 

অপরদিকে এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সহসভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বলেছেন, প্রায় প্রতি দিন পুলিশ এসে বাড়িতে হানা দিচ্ছে। আত্নীয়স্বজনের বাড়িতেও খোঁজ নিচ্ছে আমি সেখানে আছি কিনা। আমার দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে এবং পরিবার পরিজনকে হয়রানী করছে। কিন্তু আমি একটি কথা দ্ব্যার্থহীন ভাষায় বলতে চাই।

 

প্রয়োজনে জীবন দেবো তবুও রাজপথ ছাড়বো না। এবারের আন্দোলন এ দেশের মানুষের ভোটের অধীকার জনগনকে ফিরিয়ে দেওয়ার আন্দোলন। সারা দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পাবার জন্য সোচ্চার হয়ে উঠেছে। একটি গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে এই সরকারের বিদায় এখন সময়ের ব্যাপর মাত্র। আমরা জীবন দিয়ে হলেও গণমানুষের অধিকার আদায় করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন