অবরোধ প্রতিরোধে রাজপথে জেলা আ.লীগের সর্তকমূলক অবস্থান
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:২৪ পিএম
বিএনপি ডাকা তৃতীয় দফা অবরোধের যে কোন নাশকতা ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই নেতৃত্বে প্রথম দিনে সর্তকমূলক অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। গতকাল বুধবার (৮ নভেম্বর) দিন ব্যাপী ২নং রেল গেইটস্থ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে এ সর্তকমূলক অবস্থান করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এড.আনিসুর রহমান দিপু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক এম.এ রাসেল, সাবেক সদস্য হাজী আমজাদ হোসেন, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাজী জসিম উদ্দিন।
জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এরফার হোসেন দীপ, গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মাষ্টার, মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মতিন পাগলা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ভিপি জামির হোসেন রনি, আক্তার হোসেন সুকুম সহ প্রমুখ।
এসময় সর্তকমূলক অবস্থান কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই বলেন, বিএনপি মূলত একটি স্বাধীনতা বিরোধী দল। ক্যান্টনমেন্টে তাদের জন্ম, জন্মলগ্ন থেকেই তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছে। ২০০৪ সালে তারা গ্রেনেড হামলায় করেছে।
এছাড়াও গত এক বছর তারা সহিংসত আন্দোলন করেছে, আমরা বলেছি যেহেতু সংবিধান স্বীকৃত, যে কোন রাজনীতি দল সভা সমাবেশ করার অধিকার আছে। কিন্তু গত ২৮ তারিখে হঠাৎ তারা মারমুখী হয়ে উঠলো, তাদের যে পুরোনো রূপ, তারা অগ্নি সস্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। একজন পুলিশকে তারা পিটিয়ে হত্যা করেছে।
প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে এবং রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তারা অগ্নি সন্ত্রাস করেছে ও হামলা চালিয়েছে। এটা একটি নেক্কারজনক ঘটনা। যারা এই সকল ঘটনা ঘটিয়েছে আশার করবো সকল সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি আরও বলেন, বিএনপি যাতে হরতাল অবরোধের নামে কোন প্রকার নাশকতা করতে না পারে, সেই জন্য আমরা দলীয় কার্যালয়ে প্রতিদিন নেতাকর্মীরা সর্তকমূলক অবস্থান করছি।
তাদের যে কোন নৈরাজ্য কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমরা আছি, যাতে জনগনের জানমালের ক্ষতি না হয়। জনগন তাদের আন্দোলন মানে না, সড়কে স্বাভাবিক ভাবেই যানবাহন চলাচল করছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সবকিছু জনজীবন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে এবং আমি মনে করি তাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
আমরা বলবো তারা যদি নির্বাচনে আসে-আসুক। তাদের কোন অনুরোধ করা হবেনা। এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি, তারা একটি বড় দল, তারা যদি নির্বাচনে আসে তাহলে আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাই। আর যদি তারা নির্বাচনে না আসে তাহলে নির্বাচন অংশগ্রহন মূলক ভাবেই হবে, অবাধ ও নিরাপক্ষ নির্বাচনই হবে।
আগামী জানুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে সেটা সুষ্ঠু ও গ্রহন যোগ্য নির্বাচন হবে এটা আমরা আশা করতে পারি। জানুয়ারিতে নির্বাচন এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগ অংশ গ্রহন করবো। আমরা আবারও জয় লাভ করবো। জাতির পিতার কন্যার নেতৃত্ব আবারও আমরা সরকার গঠন করবো এবং ইনশাল্লাহ টানা ৪র্থ বারের মতো আবারও জাতির পিতার কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন আমরা এই আশা করি।


