না.গঞ্জে প্রলোভন দেখিয়েও প্রার্থী পাচ্ছেন না তৈমুর
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:০৯ পিএম
# দেশের কোথাও সারা পাচ্ছে না কিংস পার্টিগুলো
# বিএনপি ভাঙ্গা থেকে পিছু হটেছেন মেজর হাফিজও
মোটা অংকের টাকার অফার দিয়েও নারায়ণগঞ্জে যোগ্য কোনো প্রার্থী পাচ্ছেন না কিংস পার্টির নেতা এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। সূত্র মতে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিএনপি যে এই সরকারের অধীনে অংশ নেবে না এটা জানতো সরকারের নীতিনির্ধারকরা। তাই বিএনপির নামে কোনো একটি দলকে অংশগ্রহন করানোর জন্য তৎপর ছিলো তারা। তাই দফায় দফায় বিএনপিকে ভেঙ্গে একটি নতুন বিএনপি গঠন করার পায়তারায় লিপ্ত ছিলো সরকার। কিন্তু সেটা ফলপ্রসু হয়নি।
এই মুহুর্তে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের অনেকেই কারাগারে রয়েছেন। তাই তাদেরকেও অফার দেয়া হয়েছে বলে এরই মাঝে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজকে মাঠে নামানো হয়েছিলো। কিন্তু মেজর হাফিজও অবস্থা বেগতিক দেখে এই প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছেন। তাই এই মুহূর্তে সরকারকে জোর দিতে হচ্ছে তৃনমূল বিএনপির উপর।
এরই মাঝে সরকারের পরিচালনায় দেশের তিনশ আসনে প্রার্থী দেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন শমসের মবিন চৌধুরী এবং তৈমুর আলম খন্দকার। সূত্র জানিয়েছে এই দল থেকে নির্বাচন করলে প্রতি আসনে বেশ মোটা অংকের টাকা পাবেন প্রার্থীরা। তবে প্রার্থীদেরকে বিএনপির নেতা হতে হবে এবং মোটামুটি গ্রহনযোগ্য নেতা হতে হবে। আর সেই ক্ষেত্রে টাকার কোনো অভাব থাকবে না। তাই এখন পূরো দমে প্রার্থী খুঁজে বেড়াচ্ছেন তৃনমূল বিএনপির আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিব।
তৈমুর আলম খন্দকার প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের মাঝে তিনটি আসনে নেতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে। সূত্র আরো জানিয়েছে, তৈমুর নিজেই নারায়ণগঞ্জের দুটি আসনে নির্বাচন করবেন। আর এই আসন দুটি হলো নারায়ণগঞ্জ-২ (রূপগঞ্জ) আসন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর আসন) বাকি তিনটি আসনে আরো তিনজন প্রার্থী তার দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব আসনে তিনি কোনো প্রার্থী খুঁজে পাননি বলে জানা গেছে।
এদিকে এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা মনে করেন তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ভেতর থেকে কোনো প্রার্থী বের করাতো দূরের কথা তিনি নিজেই নির্বাচন করে জামানত হারাবেন। কোনো কর্মী পাবেন না। তারা বলেন দেশে এখন মানুষের ভোটের অধিকার সহ সকল প্রকারের অধিকার আদায়ের যে আন্দোলন চলছে এই আন্দোলনকে আমরা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ হিসাবে আখ্যায়িত করেছি।
আর এই মুক্তিযুদ্ধে এবারের রাজাকার হলেন এসব কিংস পার্টির নেতারা। তাই বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন সরকারের কাছ থেকে এসব কিংস পার্টি হয়তো মোটা অংকের টাকা পাবেন। কিন্তু সরকার ছাড় না দিলে তারা একটি আসনেও জিততে পারবেন না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো সরকার যেভাবে পারুক হয়তো এবারও একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন করে ফেলবে। কিন্তু তাতে এবারের এই নির্বাচন দেশী বিদেশী কারো কাছেই গ্রহনযোগ্য হবে না। তাই তৈমুর আলম খন্দকার এবার কতদূর যান সেটাই এখন দেখার বিষয়। এস.এ/জেসি


