Logo
Logo
×

রাজনীতি

কঠোর আন্দোলনে লাপাত্তা ‘ওয়ানম্যান শো’ নেতারা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৩৮ পিএম

কঠোর আন্দোলনে লাপাত্তা ‘ওয়ানম্যান শো’ নেতারা
Swapno

 

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক ১ দফা দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলনের লক্ষ্য হিসেবে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে চার দফায় অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কঠোর কর্মসূচিতে লাপাত্তা রয়েছে বড় বড় পদ নিয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কিছু সংখ্যক ওয়ানম্যান ‘শো’ নেতাদের।

 

জানা গেছে, তারা বর্তমানে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা যে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরনের নাশকতা মামলার আসামী হচ্ছে সেখানে এই ওয়ানম্যান ‘শো’ নেতাদের নাম আসলে ও তারা রাজপথে কোন ভূমিকা পালন করেন নি। এছাড়া ও কঠোর আন্দোলনের আগে ও দলীয় সকল কর্মসূচিতে তারা নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহন করেছেন এমন নজির ও পাওয়া যায়নি।

 

কিন্তু এরা রাজপথে কর্মীবিহীন নেতা হয়েও বড় বড় পদ-পদবী নিয়ে মূল পদ ও অঙ্গসংগঠনে বসে রয়েছে। এদিকে এই হরতাল ও অবরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিটি থানায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হচ্ছে হয়েছে ডজনের ও বেশি তিন শতাধিকের ও বেশি নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছে। আর বাকি সকল প্রকারের নেতাকর্মীরা রয়েছে ঘর-বাড়ি ছাড়া। কিন্তু এই ওয়ানম্যান ‘শো’ নেতারা কোন কর্মী না থাকার কারণে কঠোর আন্দোলনে মাঠ ছেড়ে পালিয়েছে।

 

জানা গেছে, ওয়ানম্যান ‘শো’ নেতারা হলেন, মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক এড. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার হুমায়ন কবির, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী নুরুদ্দীন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন খান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন অনু, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজা রিপন, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান তারা সকলেই যুগ্ম আহ্বায়কের মতো বড় বড় পদ দখল করে রাখলে ও রাজপথে বিগত দিনে খালি-হাত, পা নিয়ে এসে আন্দোলন সংগ্রামে কোন রকম অংশগ্রহন করতেন।

 

আর বর্তমানে এই কঠোর আন্দোলনে এই পদধারী নেতারা বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এদের ভূমিকা বর্তমানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ও নেতাকর্মীরা দফায় দফায় এদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তৃণমূলের দাবি, পদ নিয়ে বসে থেকে এই কঠোর আন্দোলনে ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েও বিএনপি সংযুক্ত যে কোন সংগঠনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে তারেক রহমানের দেওয়া অবরোধ কর্মসূচি পালন করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু সংখ্যক নেতাকর্মীরা বলছে, যখনই বিএনপির কোন প্রকারের বড় প্রোগ্রাম হয় তখনই এই নেতাকর্মীরা শরীর অসুস্থ দেখিয়ে ঘরে ছিলেন এদের ধারা বিএনপি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার মহা-সমাবেশ পশু হয়ে গেলে সারাদেশে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। আর এই হরতালের দিন নিজ বাস ভবন থেকে বিএনপির মহা-সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়। সেদিন দিনই সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টা টানা তিনদিনের অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে একদিন-দুইদিন বন্ধ দিয়ে দফায় দফায় অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।

 

বর্তমানে ৪র্থ দফা ৪৮ ঘন্টা অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হলে ও এই দফায় দফায় দলীয় কঠোর সংগ্রামে মাঠ ছেড়েছে নামধারী-কর্মীবিহীন ওয়ানম্যান ‘শো’ নেতৃবৃন্দ। রাজপথে না থেকে কুতুবপুর বিএনপির সাবেক নেতা লুৎফর রহমান খোকা সে কখনো নিজস্বকর্মী নিয়ে রাজপথে আসেনি শুধু ইউনিয়ন-ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে আসলে সে দৌঁড়ে সেই মিছিলের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন করতে দেখা দিয়েছিলো। অপর দিকে মহানগর বিএনপির বাকি যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ কেউ রাজপথে ছিলেন না। ওয়ানম্যান ‘শো’ লাপাত্তা নেতারা দল ধ্বংসের কারিগর এমনটাই দাবি তৃণমূলের। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন