সুষ্ঠু নির্বাচনে যেভাবে বিপুল বিজয় পাবে আ.লীগ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৯:১৯ পিএম
সরকার বিএনপিকে বাদ দিয়ে একটি নির্বাচন করতে চাইছে এবং সেই নির্বাচনটি করতে চাইছে সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু। আর সেই নির্বাচনে সরকার চায় অন্য দলগুলি যাতে অংশ নেয়। কিন্তু দেশে কম বেশি জনপ্রিয়তা আছে এমন দল আছে পাঁচটি। আর এই পাঁচটি দল হলো, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি এবং ইসলামী আন্দোলন।
এই পাঁচটি দলের মাঝে এরই মধ্যে তিনটি দল এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। এই তিনটি দল এখন আন্দোলনে রয়েছে। এই তিন দলের মাঝে বিএনপি ও জামায়াত কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছে, আর ইসলামী আন্দোলন চাইছে জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। আর জাতীয় পার্টি কি করবে এ ব্যাপারে এখনো তারা পরিষ্কার কোনো স্বিদ্ধান্ত নেয়নি। কিন্তু সরকারও বিরোধী দলগুলির কোনো দাবিই মানতে রাজি নয় এবং তারা যথা সময়ে নির্বাচন করে ফেলতে চাইছে।
আর এই নির্বাচনে কিংস পার্টি হিসাবে পরিচিত বেশ কিছু দল অংশগ্রহন করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদি তাই হয় তাহলে কি হবে এবারের নির্বাচনের ফলাফল? এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক মহলের সাথে আলাপ হলে তারা বলেন নির্বাচন যদি এমনই হয় তাহলে সেই নির্বাচন একটি একতরফা নির্বাচন হিসাবে বিবেচিত হবে এবং সেই নির্বাচনে প্রায় সব আসনে জয়ী হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। আর এমন একটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কোনো রকম কারচুপিও করতে হবে না।
কারণ আওয়ামী লীগের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী করার মতো দল রয়েছে আর একটি মাত্র আর সেটি হলো বিএনপি। এছাড়া আগে থেকেই জামায়াতের কিছু ভোট ব্যাংক রয়েছে। ১৮/২০টি আসনে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার মতো জনসমর্থন রয়েছে। চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলনও বিভিন্ন নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য পরিমান ভোট পেয়েছে। কিন্তু এই তিন দলই বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। অপরদিকে জাতীয় পার্টি অংশ নিলেও এই দলটির এখন আর কোনো ভোট নেই।
বিগত পনেরো বছর ধরে তারা বর্তমান সরকারের সঙ্গে থাকায় তাদের জনপ্রিয়তা এখন শুন্যের কোঠায় নেমে গেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছে। তাই সরকার এবারও যদি কোনো রকম একটি নির্বাচন করতে পারে তাহলে সেই নির্বাচনে প্রায় সব কয়টি আসনেই জয়ী হবে আওয়ামী লীগ। তাই এবার কি ধরনের নির্বাচন হয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। আর এই ধরনের নির্বাচন পশ্চিমাদের কাছে কতোটা গ্রহণযোগ্য হবে সেই প্রশ্নও রয়েছে। এস.এ/জেসি


