এখনো অনিশ্চিত না.গঞ্জের তিন নেতার ভাগ্য
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৫০ পিএম
# কেন্দ্রে জাতীয় পার্টি দ্বিধাবিভক্ত, নৌকা প্রতীক চায় তৃণমূল বিএনপি
নারায়ণগঞ্জে এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত তিন নেতার ভাগ্য। এদের দুইজন হলেন জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি একেএম সেলিম ওসমান এবং লিয়াকত হোসেন খোকা এবং অপরজন কিংস পার্টি খ্যাত তৃনমূল বিএনপির মহাসচিব এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের মতে বর্তমানে এই তিনজন নেতাই সরকারী দল আওয়ামী লীগের অুনগত।
এদিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রে এখনো ঝামেলা চলছে। এই দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং তার ভাবী এরশাদ পত্নী রওশন এরশাদের মাঝে বিরোধ চলছে। তারা দুইজন পৃথকভাবে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে লাঙ্গল প্রতীক দাবি করেছেন এবং নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষমতা চেয়েছে। আর রওশন এরশাদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা বলেছেন। বিপরীতে জিএম কাদেরের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন তারা এখনো নির্বাচনে যাবেন কি যাবেন না সেই স্বিদ্ধান্ত নেননি।
তবে নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষ মনে করেন তারা যাই বলেন না কেনো শেষ পর্যন্ত তারা এবারের নির্বাচনেও অংশগ্রহন করবেন। তবে তারা কিভাবে অংশ নেবেন সেই প্রশ্ন রয়েছে। তারা কি বিগত নির্বাচনের মতো মহাজোটের অংশ হিসাবে আসন ভাগাভাগি করবেন, নাকি ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবেন সেই প্রশ্ন রয়েছে। যদিও গতকাল পর্যন্ত মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন তারা এখনো মনে করেন নির্বাচনে যাওয়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। তাই এমন পরিবেশ বিরাজমান থাকলে সেই নির্বাচনে তারা অংশগ্রহন করবেন না।
তাই জাতীয় পার্টি নারায়ণগঞ্জের দুই এমপি কি করবেন সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। জাতীয় পার্টি যদি এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয় তাহলে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকবে। সেই ক্ষেত্রে এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সাথে সেলিম ওসমান এবং লিয়াকত হোসেন খোকা এমপির প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। আর জি এম কাদের গ্রুপ শেষ পর্যন্ত কি করবেন সেটাও পরিষ্কার নয়। তাই এবারের নির্বাচন তারা কিভাবে করবেন নারায়ণগঞ্জের দুই এমপি এটা নিয়ে একেবারেই অনিশ্চয়তার মাঝে রয়েছেন বলে সূত্রমতে জানা গেছে।
অপরদিকে তৃনমূল বিএনপির মহাসচিব এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার কোথা থেকে কিভাবে নির্বাচন করবেন সেটাও এখন পর্যন্ত পরিষ্কার নয়। যদিও তুনমূল বিএনপি দেশের ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষনা দিয়ে রেখেছে। তবে জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক তারা নাকি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান। তার মানে তারা আওয়ামী লীগের সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করতে চান। আর সেটা করা হলে তারা তিনশ আসনে মনোনয়ন দিতে পারবেন না।
তাই তৃনমূল বিএনপির শীর্ষ দুই নেতার একজন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার কিভাবে কি করবেন সেটাও অনিশ্চিৎ রয়ে গেছে। তাই নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহল মনে করেন এখনো একেবারেই অনিশ্চয়তার মাঝে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের এই তিন নেতা। কেনো না নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা হলেও এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে বলেই ধারনা করা হচ্ছে। এস.এ/জেসি


