দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৭ জানুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি নির্বাচনে না এলেও ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৮টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ইসির তথ্য অনুযায়ী, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ৭ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে টানা ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর।
কিন্তু ২৬ নভেম্বর নাগাদ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মনোনয়নপত্র কিনেছে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ২১ জন। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তৃণমূল বিএনপি তৈমূর আলম খন্দকার, আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে তৃণমূল বিএনপির আবু হানিফ হৃদয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিএনএম’র এবিএম ওয়ালিয়ুর রহমান খান, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোহাম্মদ আসলাম হোসাইন, আওয়ামীলীগের এরফান হোসেন দীপ, বিকল্পধারার নারায়ণ দাস, তৃণমূল বিএনপির আবু হানিফ হৃদয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আসলাম, জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকা, তরিকত ফেডারেশনের মো.মজিবুর রহমান মানিক, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী শামীম ওসমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী, রাশেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ কায়সার এবং মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। আর নারায়ণগঞ্জ-৫আসনে এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির সেলিম ওসমান নির্বাচন কমিশনের মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ। এরপর মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর। সেদিন থেকেই প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। এস.এ/জেসি


