নির্বাচনে গিয়ে তৈমূরের লেজে-গোবরে অবস্থা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:১০ পিএম
# কোনো প্রতীকেই নারায়ণগঞ্জের কোনো আসনে জিততে পারবেন না তিনি?
একেবারে লেজেগোবরে অবস্থার সৃষ্টি করে ফেলেছেন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। গত দু’দিন ধরে তিনি আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন এবং মিডিয়ার সর্বত্র তাকে নিয়ে চলছে হাঁসিতামাশা। তার জন্য দায়ী তিনি নিজেই। তার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যাতে দেখা যায় এবং শেনা যায় তিনি মোবাইল ফোনে কোনো একজনকে বলছেন তাকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচন করতে বলায় তিনি নাখোঁশ।
তিনি রুপগঞ্জে নির্বাচন করতে চান। তার আবদার হলো রুপগঞ্জে যাতে নৌকার কোনো প্রার্থী দেয়া না হয়। সেলিম ওসমান এমপির নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে তিনি কোনো মতেই নির্বাচন করতে নারাজ। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মাঝে একটি মাত্র আসনে নৌকার প্রার্থী দেয়া হয়নি।
আর সেটি হলো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। তাই এরই মাঝে তাকে এই আসনে নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। আর তিনি নিজেও জানেন এই আসনে নির্বাচন করলে তিনি জয়ী হতে পারবেন না। তাই এখন একাবের দিশেহারা হয়ে সব কিছুই ফাঁস কওে দিয়েছেন তিনি।
এদিকে তৈমুর আলম খন্দকার কেনো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচন না করে রুপগঞ্জ আসনে নির্বাচন করতে চান এই প্রশ্নের উত্তর জানতে অনেকের সাথে কথা বললে তারা জানান তৈমুর নিজেই অনেক কিছু ফাঁস করে দিয়েছেন। তবে যে বিষয়টি তিনি ফাঁস করেননি সেটি হলো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি একেএম সেলিম ওসমানের সাথে তার সখ্যতা।
তাদের মাঝে নিশ্চয়ই এই মর্মে সমঝোতা হয়েছে যে তৈমুর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন না। তিনি রুপগঞ্জ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। কিন্তু রুপগঞ্জ আসনে এরই মাঝে ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এমপি গাজী গোলাম দস্তগীরকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি এরই মাঝে নৌকা প্রতিক নিয়ে মাঠে নেমে পরেছেন।
কিন্তু তৈমুর আলম চান সেখানে গাজী এমপির মনোনয়ন বাতিল করে যেনো তাকে দেওয়া হয় এবং তাকে নৌকা প্রতিক দেয়া হয়। কিন্তু রুপগঞ্জের সচেতন মহল মনে করেন এটা একেবারে মামা বাড়ির আবদারের মতোই হয়ে গেলো। তৈমুর নৌকা প্রতিক নিয়ে রুপগঞ্জ থেকে নির্বাচন করতে চান। এছাড়া তার সাথে প্রধানমন্ত্রীর যে আলোচনা হয়েছে এগুলোও তিনি ফাঁস করে দিয়েছেন। তিনি সব কিছুই ফাঁস করে দিয়েছেন। তিনি বর্তমানে নির্বাচনের নামে যে এক ধরনের তামাশা হচ্ছে এটা তিনি পরিস্কার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
এদিকে পরিস্কার করে আরো একটি কথা বলা যায় যে, নৌকা প্রতিক নিয়ে হোক বা অন্য কোনো প্রতিক নিয়ে হোক নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের কোনোটিতেই তিনি নির্বাচিত হতে পারবেন না বলে মনে করেন নারায়ণগঞ্জের সাধারন মানুষ। কারন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের কোনো ব্যাক্তিগত ভোট নেই। নারায়ণগঞ্জে এই মুহুর্তে সাধারন মানুষ যদি ভোট দেয়ার সুযোগ পেতো আর নির্বাচনে যদি বিএনপি অংশ নিতো তাহলে তাদের মাঝে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হতো।
আর কিছু ভোট আছে ইসলামী আন্দোলনের। তৈমুরের তুনমূল বিএনপির দশটি ভোটও নেই। তাই তিনি যদি তার নিজ দলের প্রতিক নিয়ে ভোটে অংশ নেন তাহলে তিনি শুধু হারবেনইনা তার মুখ দেখানোর কোনো পথ থাকবে না বলেই সকলে মনে করেন। এটা বুঝতে পেরেই তিনি অযথা নানা বিতর্কিত কথা বলছেন। তিনি এমন কথা বলছেন তাতে সরকারযে নির্বাচনের নামে জনগনের সাধে তামাশা করছেন সেটাই প্রকাশ পাচ্ছে।


